Practice Questions

Total Questions: 55

41.
চাহিবামাত্র টাকা পরিশোধের যোগ্যতাকে বলে -
আমানতকারী যখনই তার জমানো টাকা চাইবে, তখনই তাকে সেই টাকা নগদ অর্থে বুঝিয়ে দেওয়ার বা পরিশোধ করার ব্যাংকের যে সক্ষমতা বা যোগ্যতা, তাকে ব্যাংকিংয়ের ভাষায় 'তারল্য নীতি' বা Liquidity Principle বলে।
42.
বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূলনীতি -
বাণিজ্যিক ব্যাংকের সবচেয়ে বড় দুটি মূলনীতি বা স্তম্ভ হলো 'তারল্য' (গ্রাহকের টাকা ফেরত দেওয়ার ক্ষমতা) এবং 'লাভজনকতা' (বিনিয়োগ করে মুনাফা করা)। এই দুটির মধ্যে ভারসাম্য রাখাই ব্যাংকের মূল চ্যালেঞ্জ।
43.
ব্যাংকের তারল্য বলতে বুঝায় -
আমানতকারী যখনই তার জমানো টাকা চাইবে, তখনই তাকে সেই টাকা নগদ অর্থে বুঝিয়ে দেওয়ার বা পরিশোধ করার ব্যাংকের যে সক্ষমতা বা যোগ্যতা, তাকে ব্যাংকিংয়ের ভাষায় 'তারল্য নীতি' বা Liquidity Principle বলে।
44.
কোনটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূলনীতি নয়?
মুনাফা, সেবা বা তারল্য ব্যাংকের মূলনীতি। কিন্তু 'ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা' (Credit Control) বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজ নয়, এটি মূলত 'কেন্দ্রীয় ব্যাংকের' কাজ।
45.
বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকাণ্ড বহির্ভূত কাজ -
কাগজি মুদ্রা বা 'নোট ইস্যু' করার একমাত্র একচেটিয়া অধিকার থাকে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (যেমন- বাংলাদেশ ব্যাংক) হাতে। কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক চাইলেই টাকা ছাপাতে পারে না।
46.
তলিকাভুক্ত ব্যাংক নয় -
গ্রামীণ ব্যাংক' হলো একটি বিশেষায়িত এবং বিধিবদ্ধ ব্যাংক যা গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৮৩-এর অধীনে পরিচালিত হয়। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাধারণ তালিকাভুক্ত (Scheduled) বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়।
47.
বাণিজ্যিক ব্যাংকের জন্য কোনটি বেশি অলাভজনক?
ব্যাংকের ভল্টে থাকা নগদ অর্থ কোনো সুদ বা মুনাফা তৈরি করে না। তাই অতিরিক্ত 'নগদ অর্থ সংরক্ষণ' করা ব্যাংকের জন্য অত্যন্ত 'অলাভজনক' বা অলস অর্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।
48.
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে তাদের মোট আমানতের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। যাকে বলা হয় -
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক বাণিজ্যিক ব্যাংককে তাদের মোট আমানতের একটি নির্দিষ্ট শতাংশ (CRR বা SLR হিসেবে) বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়, যাকে 'বিধিবদ্ধ রিজার্ভ' (Statutory Reserve) বলা হয়।
49.
কোন ব্যাংক স্বল্পমেয়াদি ঋণপ্রদান করে -
বাণিজ্যিক ব্যাংক মূলত আমানতকারীদের কাছ থেকে চাহিবা মাত্র ফেরতযোগ্য শর্তে অর্থ জমা রাখে। তাই তারা সাধারণত দীর্ঘমেয়াদে ঋণ দেয় না। ব্যবসা-বাণিজ্যের চলতি মূলধন জোগাতে তারা প্রধানত 'স্বল্পমেয়াদি ঋণ' প্রদান করে থাকে।
50.
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে খুব সাবধানে তাদের তহবিল বিনিয়োগ করতে হয়, কারণ তাদেরকে আমানতকারীদের অর্থের নিশ্চয়তা বিধান করতে হয়। এই নীতিকে বলা হয় -
আমানতকারীদের জমানো টাকা যাতে কোনোভাবেই লোকসানে না পড়ে, সেজন্য ব্যাংককে খুব সাবধানে নিরাপদ খাতে বিনিয়োগ করতে হয়। একেই ব্যাংকের 'নিরাপত্তার নীতি' (Safety Principle) বলা হয়।
51.
প্রত্যয়পত্র ইস্যু করে কে?
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে (আমদানি-রপ্তানি) আমদানিকারকের পক্ষে বিদেশি রপ্তানিকারককে মূল্য পরিশোধের নিশ্চয়তা দিয়ে 'প্রত্যয়পত্র' বা Letter of Credit (LC) ইস্যু করে থাকে 'বাণিজ্যিক ব্যাংক'।
52.
বাণিজ্যিক ব্যাংকের অভিভাবক বলা হয় কাকে?
দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের গঠন, কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, ঋণ সুবিধা প্রদান এবং তদারকির দায়িত্ব থাকে 'কেন্দ্রীয় ব্যাংকের' হাতে। তাই বাংলাদেশে 'বাংলাদেশ ব্যাংক' হলো সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের অভিভাবক।
53.
যে ঋণ ব্যবস্থার ঋণগ্রহীতা ব্যাংকারের নিকট সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকানা কাগজপত্রাদি হস্তান্তর করে, কিন্তু সম্পত্তি ঋণগ্রহীতার দখলে থাকে, তা হচ্ছে -
যে ঋণ ব্যবস্থায় জমি, বাড়ি বা ফ্লাটের দলিলের (কাগজপত্র) ওপর ব্যাংকের অধিকার থাকে কিন্তু সম্পত্তিটি ঋণগ্রহীতা নিজেই ব্যবহার করতে পারেন, তাকে 'স্থায়ী বন্ধক' বা Equitable Mortgage বলা হয়।
54.
বাণিজ্যিক ব্যাংকের আয়ের উৎস কী?
বাণিজ্যিক ব্যাংকের আয়ের প্রধান এবং সবচেয়ে বড় উৎস হলো 'ঋণের সুদ' (Interest on Loans)। ব্যাংক আমানতকারীদের কম সুদ দেয় এবং ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে বেশি সুদ আদায় করে। এই দুই সুদের পার্থক্যই হলো ব্যাংকের মুনাফা বা আয়ের জীবনশোণিত।
55.
সুদের হার বৃদ্ধি হলে -
ব্যাংকে ঋণের সুদের হার বৃদ্ধি পেলে ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ নেওয়া ব্যয়বহুল হয়ে যায়। ফলে মূলধনের অভাবে দেশে নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন বাধাগ্রস্ত হয় এবং 'বিনিয়োগ হ্রাস পায়'।