MCQ (Total: 50)
21. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী? চবি B ইউনিট (২০২১-২২)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭২ সালে 'বঙ্গদর্শন' নামক বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ শুরু করেন, যা বাংলা সাহিত্যের বিকাশে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে, 'কল্লোল' হলো ১৯২৩ সালে প্রকাশিত একটি পত্রিকা, যা গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত। 'ধূমকেতু' হলো কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি বিপ্লবী পত্রিকা। আর 'সংবাদ প্রভাকর' ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত একটি আদি যুগের পত্রিকা, যেখানে বঙ্কিমচন্দ্র প্রথম জীবনে লেখালেখি করেছিলেন, কিন্তু তিনি এর সম্পাদক ছিলেন না। তাই বাকি অপশনগুলো ভুল।
22. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম-মৃত্যু সাল কোনটি? NU-B (২০১১-১২)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
ঐতিহাসিক ও জীবনীমূলক তথ্য অনুসারে, বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯৪ সালের ৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। তাই ১৮৩৮-১৮৯৪ সালটি সঠিক। অন্যদিকে, ১৮৬৮-১৯৪১ সালটি সম্ভবত অন্য কোনো ব্যক্তির, বঙ্কিমের নয়। ১৮২৪-১৮৭৩ হলো মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনকাল। এবং ১৮১৫-১৮৮৯ সালটিও বঙ্কিমের জন্ম-মৃত্যু সাল নয়। যেহেতু জন্ম-মৃত্যুর সাল একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সত্য, তাই অন্য তিনটি বিকল্পের সালগুলো নিশ্চিতভাবে ভুল।
23. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি? রাবি ক ইউনিট (২০১৭-১৮)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস হলো 'দুর্গেশনন্দিনী', যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। এটিই তাঁর প্রথম বাংলা উপন্যাস। অন্যদিকে, 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস, যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। 'বিষবৃক্ষ' (১৮৭৩) এবং 'আনন্দমঠ' (১৮৮২) অনেক পরে রচিত উপন্যাস। সাল ও কালানুক্রমিক সাহিত্য ইতিহাসের তথ্যের ভিত্তিতে বিচার করলে অন্য তিনটি উপন্যাস বঙ্কিমচন্দ্রের পরবর্তী সৃষ্টি, প্রথম নয়। তাই যৌক্তিকভাবে অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল বলে প্রমাণিত।
24. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে শ্রেষ্ঠ অলংকার কোনটি? চবি D-1 ইউনিট (২০২৪-২৫)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 4
বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্যতত্ত্ব অনুযায়ী, ভাষার কৃত্রিম চাকচিক্য বা বাহ্যিক সজ্জার চেয়ে ভাষার 'সরলতা' এবং স্পষ্টতাই হলো শ্রেষ্ঠ অলংকার। সরল ভাষায় মনের ভাব সহজে প্রকাশ করা যায়। অন্যদিকে, 'উপমা' হলো দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে সাদৃশ্য দেখানোর একটি নির্দিষ্ট সাহিত্যিক অলংকার, যা সবসময় শ্রেষ্ঠ হতে পারে না। 'অনুপ্রাস' হলো কেবল একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি, যা রচনার মূল উদ্দেশ্য পূরণে অপরিহার্য নয়। 'মাধুর্য' রচনার একটি গুণ হতে পারে, কিন্তু এটি সরলতার মতো সর্বজনীন শ্রেষ্ঠ অলংকার হিসেবে প্রবন্ধকার কর্তৃক স্বীকৃত নয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
25. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে সাহিত্যধর্মী রচনা কত বছর ফেলে রেখে সংশোধন করলে উৎকর্ষ লাভ করে? জাবি C ইউনিট (২০২৪-২৫)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
প্রবন্ধকারের সুস্পষ্ট নির্দেশ অনুযায়ী, সাময়িক সাহিত্য বাদে অন্যান্য সাহিত্যধর্মী রচনা লিখে তৎক্ষণাৎ ছাপানো উচিত নয়; বরং দুই-এক বছর ফেলে রেখে সংশোধন করলে রচনার চমৎকার উৎকর্ষ লাভ হয়। লেখার পর কিছু সময় অতিবাহিত হলে লেখকের নিজেরই ভুল-ত্রুটিগুলো চোখে পড়ে। অন্যদিকে, 'দুই-তিন বছর', 'তিন-চার বছর' বা 'চার-পাঁচ বছর' সময়কালগুলো মূল প্রবন্ধের নির্দেশনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বঙ্কিমচন্দ্র সুনির্দিষ্টভাবে 'দুই-এক বছর' সময়ের কথাই উল্লেখ করেছেন। তাই পাঠ্যভিত্তিক প্রমাণের অভাবে অন্য তিনটি বিকল্প সরাসরি বাতিলযোগ্য।
26. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, লেখকের কোন বৈশিষ্ট্য পাঠকের কাছে অতিশয় বিরক্তিকর? JU C-9 (২০২৪-২৫)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, লেখায় অহেতুক 'বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা' পাঠকের কাছে অতিশয় বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়ায়। পাণ্ডিত্য জাহির করার জন্য অপ্রয়োজনীয় সংস্কৃত বা কঠিন শব্দ ব্যবহার করলে সাহিত্যের সাবলীলতা নষ্ট হয় এবং পাঠক বিরক্তি বোধ করেন। অন্যদিকে, উদ্ধৃতি দান, অহেতুক রসিকতা বা অলংকারের অপপ্রয়োগ সবই রচনার ত্রুটি হলেও, প্রবন্ধকার সুস্পষ্ট ভাষায় 'বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা'কেই সবচেয়ে বিরক্তিকর বলে উল্লেখ করেছেন। তাই পাঠ্যভিত্তিক সরাসরি উক্তির কারণে অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
27. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, লেখকের পক্ষে অবনতির কোনটি? JU C-6 (২০২৪-২৫)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, 'সাময়িক সাহিত্য' অর্থাৎ শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সময়ের উত্তেজনায় দ্রুত লিখে দ্রুত ছাপানো সাহিত্য লেখকের জন্য অবনতি বা ক্ষতিকর, কারণ এতে রচনার গভীরতা ও উৎকর্ষের অভাব থাকে। প্রবন্ধকার এ কারণে রচনা কিছুদিন ফেলে রাখতে বলেছেন। অন্যদিকে, 'লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি', 'যশাকাঙ্ক্ষা' বা 'অনুকরণ' সবই লেখকের জন্য নেতিবাচক হলেও, দ্রুত ছাপানোর তাগিদে লেখা 'সাময়িক সাহিত্য'কেই তিনি এখানে সুনির্দিষ্ট অবনতির একটি বড় কারণ হিসেবে নির্দেশ করেছেন পাঠ্যের আলোতে। তাই উত্তরের সাপেক্ষে অন্যগুলো গৌণ বা ভুল।
28. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার কোনটি? JU C-3 (২০২৪-২৫)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 4
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধের সুস্পষ্ট বক্তব্য অনুযায়ী, সাহিত্যের ভাষা ও রচনারীতির সকল অলংকারের মধ্যে 'সরলতা' হলো শ্রেষ্ঠ অলংকার। সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করতে পারাই শ্রেষ্ঠ লেখকের গুণ। অন্যদিকে, 'রচনার পরিপাট্যধর্ম' বা কৃত্রিম সাজানো গোছানো ভাব শ্রেষ্ঠত্ব আনে না। 'ধর্ম' সাহিত্যের উদ্দেশ্য হতে পারে, অলংকার নয়। আর অহেতুক 'রসিকতা' করাকে লেখক বরং সাহিত্যের অবনতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাই প্রবন্ধের মূল চেতনার বিচারে অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
29. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, সাহিত্যধর্মী রচনা কত বছর ফেলে রেখে সংশোধন করলে উৎকর্ষ লাভ করে? JU C-7 (২০২৪-২৫)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
প্রবন্ধকার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নতুন লেখকদের উপদেশ দিয়েছেন যে, যেকোনো সাহিত্যধর্মী রচনা লেখার পর তৎক্ষণাৎ প্রকাশ না করে 'দুই-এক বছর' ফেলে রাখা উচিত। এই সময়ের পরে নিজের রচনা পুনরায় পড়লে এর ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো ধরা পড়ে এবং সংশোধন করে উৎকর্ষ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়। অন্যদিকে, মূল পাঠ্যে 'দুই-তিন বছর', 'তিন-চার বছর' বা 'চার-পাঁচ বছর'-এর মতো কোনো নির্দিষ্ট দীর্ঘ সময়ের উল্লেখ নেই। তাই প্রবন্ধের হুবহু তথ্যের ভিত্তিতে অন্য বিকল্পগুলো নিশ্চিতভাবে ভুল।
30. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হলো- JU C-11 (২০২৪-২৫)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর প্রবন্ধে খুব স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, সত্য ও ধর্মের উপর ভিত্তি করে মানুষের 'মঙ্গল ও সৌন্দর্য' সৃষ্টি করাই সাহিত্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য। যে লেখায় এই উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়, তা সাহিত্যপদবাচ্য নয়। অন্যদিকে, আনন্দ প্রদান, নীতিশিক্ষা, রুচি গঠন বা কেবল সত্য ও ধর্ম প্রচার সাহিত্যের সহযোগী উপাদান হতে পারে, কিন্তু প্রবন্ধের আক্ষরিক নির্দেশ অনুযায়ী বঙ্কিমচন্দ্রের নির্ধারিত মূল উদ্দেশ্য হলো 'মঙ্গল ও সৌন্দর্য'। তাই পাঠ্য বহির্ভূত হওয়ায় অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
31. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্য চর্চার সূত্রপাত হয় কী দিয়ে? চবি D-ইউনিট (২০২০-২১)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যজীবন শুরু হয়েছিল পদ্য বা কবিতা রচনার মাধ্যমে। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকায় তিনি প্রথম দিকে কবিতা লিখতেন। অন্যদিকে, তিনি উপন্যাস দিয়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করলেও, তাঁর সাহিত্যিক হাতেখড়ি উপন্যাসের মাধ্যমে হয়নি। তিনি গল্প বা ছোটগল্প রচনায় সেভাবে হাত দেননি, কারণ তখন ছোটগল্পের আধুনিক ধারা সৃষ্টি হয়নি। তিনি নাটকও রচনা করেননি, মূলত তাঁর উপন্যাসগুলোরই পরে নাট্যরূপ দেওয়া হয়েছে। তাই সাহিত্য চর্চার সূচনার ক্ষেত্রে অন্য বিকল্পগুলো সম্পূর্ণ ভুল।
32. বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী? ঢাবি ঘ ইউনিট (২০১৩-১৪)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নিজ সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা 'বঙ্গদর্শন' প্রকাশ করেন, যা বাংলা সাহিত্যে নবযুগের সূচনা করে। অন্যদিকে, 'সাধনা' পত্রিকাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে সম্পর্কিত। 'কালি ও কলম' কল্লোল যুগের সমসাময়িক একটি আধুনিক পত্রিকা, যা প্রেমেন্দ্র মিত্র প্রমুখের সাথে যুক্ত। 'বঙ্গভারতী' নামে বঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদিত কোনো পত্রিকার অস্তিত্ব ঐতিহাসিক প্রমাণে পাওয়া যায় না। তাই সম্পাদনার ইতিহাসের ভিত্তিতে অন্য পত্রিকাগুলোর নাম ভুল।
33. বঙ্কিমচন্দ্রের পেশাগত পদবি কী ছিল? চবি B-1 ইউনিট (২০১৬-১৭)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 4
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্মজীবনে ব্রিটিশ সরকারের অধীনে 'ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট' এবং 'ডেপুটি কালেক্টর' পদে দীর্ঘ সময় অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে চাকরি করেছেন। এটি ঐতিহাসিক সত্য। অন্যদিকে, তিনি কখনো 'ডেপুটি কাউন্সিলর' ছিলেন না, এটি জনপ্রতিনিধিত্বমূলক পদ। তিনি 'ডেপুটি কমিশনার' পদেও অধিষ্ঠিত হননি, কারণ তৎকালীন সময়ে এই পদটি ভিন্ন প্রকৃতির ছিল। তিনি 'ডেপুটি রেজিস্ট্রার' হিসেবেও কাজ করেননি। তাই ঐতিহাসিক জীবনী ও দাপ্তরিক নথির ভিত্তিতে বাকি তিনটি পদবি সম্পূর্ণ ভুল।
34. বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্য চর্চার শুরু কোন পত্রিকার মাধ্যমে? চবি F ইউনিট (২০১৬-১৭)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক জীবনের হাতেখড়ি হয়েছিল ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত বিখ্যাত 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে। এখানেই তিনি প্রথম লেখালেখি শুরু করেন। অন্যদিকে, 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে প্রকাশিত হতো, যেখানে বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্য চর্চার শুরু হয়নি। 'আমার পথ' কোনো পত্রিকার নাম নয়, এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি প্রবন্ধ। এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' হলো মোতাহের হোসেন চৌধুরীর লেখা প্রবন্ধ, কোনো পত্রিকা নয়। তাই বাকি বিকল্পগুলো তথ্যগতভাবে ভিত্তিহীন ও ভুল।
35. বাংলা উপন্যাসের জনক কে? চবি গ ইউনিট (২০১৫-১৬)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫) রচনার মধ্য দিয়ে উপন্যাসের প্রকৃত ধারা ও গঠনশৈলী প্রবর্তন করার জন্য বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'বাংলা উপন্যাসের জনক' বলা হয়। অন্যদিকে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ছোটগল্পের জনক বলা হয়, উপন্যাসের নয়। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হলেও তিনি উপন্যাসের জনক নন, তাঁর আবির্ভাব অনেক পরে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কল্লোল যুগের পরের একজন শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক, তিনিও উপন্যাসের প্রতিষ্ঠাতা নন। সাহিত্যের কালক্রম অনুসারে তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
36. বাংলা সাহিত্যে 'সাহিত্য সম্রাট' উপাধিতে কে ভূষিত হন? ঢাবি গ ইউনিট (২০ ২০১৬-১৭)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 2
বাংলা উপন্যাসের সার্থক রূপকার এবং গদ্যরীতির অসাধারণ শিল্পের কারণে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সর্বসম্মতিক্রমে 'সাহিত্য সম্রাট' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। অন্যদিকে, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বলা হয় 'বাংলা গদ্যের জনক', সাহিত্য সম্রাট নয়। সৈয়দ মুজতবা আলী রম্য সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত, তাঁর এমন কোনো রাজকীয় উপাধি নেই। প্রমথ চৌধুরী 'বীরবল' ছদ্মনামে পরিচিত এবং তিনি চলিত রীতির প্রবর্তক। যেহেতু সাহিত্যের ইতিহাস কেবলমাত্র বঙ্কিমচন্দ্রকেই এই উপাধি দিয়েছে, তাই অন্য সকল বিকল্প যৌক্তিকভাবে এবং তথ্যগতভাবে ভুল।
37. বাংলা সাহিত্যে 'সাহিত্য সম্রাট' উপাধিতে ভূষিত হন- হাবিপ্রবি C ইউনিট (২০২৪-২৫)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 4
বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের ধারা প্রবর্তন এবং প্রবন্ধ সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'সাহিত্য সম্রাট' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। অন্যদিকে, প্রমথ চৌধুরী হলেন 'বীরবল' ছদ্মনামের অধিকারী এবং চলিত রীতির প্রবর্তক। সৈয়দ মুজতবা আলী রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনির জন্য বিখ্যাত, তাকে সাহিত্য সম্রাট বলা হয় না। আর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক। যেহেতু এই তিনজনের কেউই 'সাহিত্য সম্রাট' উপাধি পাননি, তাই ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে এই বিকল্পগুলো ভুল।
38. বাংলা সাহিত্যের প্রথম পাশ্চাত্যরীতির সার্থক উপন্যাস কোনটি? NSTU F (২০১৮-১৯)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এবং ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত 'দুর্গেশনন্দিনী' হলো বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে পাশ্চাত্য রীতিতে রচিত প্রথম সার্থক উপন্যাস। এটি ইংরেজি রোমান্স উপন্যাসের আঙ্গিকে লেখা। অন্যদিকে, প্যারিচাঁদ মিত্রের 'আলালের ঘরের দুলাল' হলো প্রথম উপন্যাস প্রচেষ্টার রূপ, তবে তা শিল্পবিচারে সার্থক উপন্যাস হতে পারেনি। রবীন্দ্রনাথের 'চোখের বালি' হলো প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, এবং 'কপালকুণ্ডলা' হলো বঙ্কিমের লেখা দ্বিতীয় উপন্যাস। সাহিত্য ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় দুর্গেশনন্দিনীই প্রথম, তাই অন্য বিকল্পগুলো যৌক্তিকভাবে ভুল।
39. বাংলা সাহিত্যের সার্থক উপন্যাস কোনটি? ঢাবি চ ইউনিট (২০২১-২২)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
১৮৬৫ সালে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দুর্গেশনন্দিনী' বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। এর মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের আধুনিক গঠনশৈলীর ভিত্তি স্থাপিত হয়। অন্যদিকে, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'চরিত্রহীন' অনেক পরে ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চোখের বালি' (১৯০৩) হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, প্রথম সার্থক উপন্যাস নয়। 'বিষবৃক্ষ' বঙ্কিমচন্দ্রেরই আরেকটি উপন্যাস, তবে এটি দুর্গেশনন্দিনীর পরে রচিত। তাই কালানুক্রম ও সাহিত্যের ঐতিহাসিক মূল্যায়নে অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
40. বাংলার ওয়াল্টার স্কট' বলা হয় কাকে? বেরোবি খ ইউনিট (২০১৭-১৮)
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
স্কটল্যান্ডের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক স্যার ওয়াল্টার স্কট যেমন ঐতিহাসিক রোমান্স রচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ও বাংলা সাহিত্যে একইভাবে ঐতিহাসিক ও রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাস (যেমন: দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা) রচনা করে খ্যাতি পান। তাই তাঁকে 'বাংলার ওয়াল্টার স্কট' বলা হয়। অন্যদিকে, প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতির প্রবর্তক প্রাবন্ধিক। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ একজন প্রাচীন পুঁথি সংগ্রাহক ও গবেষক। এবং মোহাম্মদ নজিবর রহমান ছিলেন সামাজিক ঔপন্যাসিক। তাই সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে অন্য লেখকদের এই উপাধি দেওয়া যায় না।