Limited Access!
Sign in and purchase a course to get full access to all MCQs.
MCQ Categories
Subjects & Chapters
Chapters
ভাষা ও বাংলা ভাষা
বর্ণের উচ্চারণ
ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান
ধ্বনি
পদ প্রকরণ
সন্ধি ও সন্ধি প্রকরণ
উপসর্গ ও অনুসর্গ
প্রকৃতি ও প্রত্যয়
সমাস
ক্রিয়ার কাল
বাক্যের অংশ ও শ্রেণিবিভাগ
কারক ও বিভক্তি
যতিচিহ্ন
বাগধারা
প্রবাদ-প্রবচন
প্রতিশব্দ
বিপরীত শব্দ
বাক্য সংক্ষেপণ বা বাক্য সংকোচন
পারিভাষিক শব্দ
বানান ও বাক্যশুদ্ধি
বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ
অনুবাদ
বাংলা লিপি
বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়
শব্দ
MCQ (Total: 111)
61. সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য কোন পদে বেশি পরিলক্ষিত হয়? গ ইউনিট ২০১৭-১৮
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 4
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়, যেমন সাধুতে 'তাহারা খাইতেছে' চলিতে হয় 'তারা খাচ্ছে'। তাই এটি সঠিক। বিশেষ্য পদের রূপে সাধু ও চলিতের মধ্যে সাধারণত কোনো বড় পরিবর্তন ঘটে না। বিশেষণ পদের ক্ষেত্রেও রূপের খুব একটা পার্থক্য দেখা যায় না, একই শব্দ উভয় রীতিতে ব্যবহৃত হতে পারে। যেহেতু বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের রূপ অপরিবর্তিত থাকে, তাই এই বিকল্পগুলো ভুল। সুতরাং, ক্রিয়া ও সর্বনাম পদই সঠিক উত্তর।
62. ব্যাপ্ত হইলে' এর চলিত রূপ- জাবি ২০০৫-০৬
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
ব্যাপ্ত হইলে' একটি তৎসম শব্দযুক্ত সাধু রীতির বাক্যাংশ, যার খাঁটি বাংলা বা চলিত রূপ হলো 'ছড়ালে'। চলিত ভাষায় সাধারণত তৎসম শব্দের বদলে সহজবোধ্য দেশি বা তদ্ভব শব্দের ব্যবহার অধিক শ্রুতিমধুর হয়। 'ব্যাপ্ত হলে' রূপে তৎসম শব্দ থেকে যায়, তাই এটি সম্পূর্ণ খাঁটি চলিত নয়। 'ব্যাপ্তিলে' নামে বাংলা ব্যাকরণে কোনো শুদ্ধ ক্রিয়াপদের প্রচলন নেই। 'ব্যাপ্তি ছড়ালে' বাক্যটিতে একই অর্থের শব্দের বাহুল্য দোষ ঘটেছে। সুতরাং, সহজ ও প্রমিত চলিত রীতির নিয়ম অনুযায়ী 'ছড়ালে' শব্দটির প্রয়োগই এখানে সবচেয়ে যৌক্তিক ও সঠিক।
63. ভাঙ্গাইত' এই সাধু ক্রিয়াপদের চলিত রূপ কী? ঢাবি, গা অ বিভাগ - ২০১৭-১৮
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 2
ভাঙ্গাইত' একটি সাধু রীতির অতীত কালের ক্রিয়াপদ, যার চলিত রূপ হলো 'ভাঙতো' বা 'ভাঙত'। আধুনিক বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী ঙ-এর নিচে হসন্ত ও ও-কার যুক্ত করে 'ভাঙ্তো' লেখাটি উচ্চারণের দিক থেকে চলিত রূপের যথার্থ প্রতিফলন ঘটায়। 'ভাঙ্গত' বা 'ভাঙ্গতো' শব্দে যুক্তাক্ষর (ঙ্গ) ব্যবহার করা হয়েছে, যা খাঁটি বাংলা শব্দে বর্জনীয়। 'ভাঙ্গিত' শব্দটি সাধু রীতির আরেকটি রূপ, চলিত নয়। তাই শুদ্ধ বানান ও চলিত ক্রিয়ার গঠন অনুযায়ী খ বিকল্পটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর।
64. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্-র মতে বাংলা ভাষা কোন প্রাকৃত রূপ থেকে এসেছে? ঘ ইউনিট ২০১৮-১৯
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সুনির্দিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে, বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটেছে গৌড়ী প্রাকৃত বা গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে। তাই এই উত্তরটি সঠিক। অন্যদিকে, ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে এটি মাগধী প্রাকৃত থেকে এসেছে, তাই শহীদুল্লাহর মতের ক্ষেত্রে মাগধী ভুল। প্রাচ্য বলতে একটি বিস্তৃত ভাষিক অঞ্চল বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট প্রাকৃত রূপ নয়। শৌরসেনী প্রাকৃত থেকে মূলত পশ্চিম ভারতের ভাষা যেমন হিন্দি বা গুজরাটির জন্ম হয়েছে। তাই অন্যান্য বিকল্পগুলো যৌক্তিকভাবে বাদ দিলে গৌড়ী প্রাকৃতই এখানে একমাত্র সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
65. পিজিন ভাষা' কী ধরনের ভাষা? বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, A ইউনিট ২০১৯-২০
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
পিজিন (Pidgin) ভাষা হলো দুটি ভিন্ন ভাষাভাষী গোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে যোগাযোগের সুবিধার জন্য সৃষ্টি হওয়া একটি সরল ও মিশ্রভাষারীতির কৃত্রিম ভাষা, যার কোনো নিজস্ব মাতৃভাষাভাষী গোষ্ঠী নেই। তাই এটি সঠিক। উপভাষা হলো কোনো ভাষার আঞ্চলিক রূপ, পিজিন নয়। ক্রেওল ভাষা হলো পিজিনের পরবর্তী স্তর, যা পরে মাতৃভাষায় রূপ নেয়, তাই এটি পিজিন থেকে আলাদা। লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা হলো একটি সাধারণ যোগাযোগের ভাষা, যা কৃত্রিম না-ও হতে পারে। ফলে মিশ্র ও কৃত্রিম ভাষাই পিজিনের সঠিক সংজ্ঞা।
66. নিচের কোন এলাকার ভাষা বরেন্দ্রী উপভাষার অন্তর্গত? জাবি C ইউনিট ২০২২-২৩
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
বরেন্দ্রী উপভাষা মূলত বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল (রাজশাহী বিভাগ) এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রচলিত। তাই দক্ষিণ দিনাজপুর সঠিক উত্তর। মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে মূলত রাঢ়ী উপভাষার প্রভাব দেখা যায়, তাই এটি ভুল। কলকাতা অঞ্চলে প্রমিত বা রাঢ়ী উপভাষা প্রচলিত, ফলে এটি বরেন্দ্রীর অন্তর্গত নয়। রংপুর অঞ্চলে মূলত কামরূপী বা রাজবংশী উপভাষা প্রচলিত, যা বরেন্দ্রী থেকে ভিন্ন। সুতরাং, ভৌগোলিক অবস্থান ও ভাষাতাত্ত্বিক শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী দক্ষিণ দিনাজপুরই বরেন্দ্রী উপভাষার সঠিক এলাকা হিসেবে বিবেচিত হবে।
67. ভাষার মৌলিক রীতি কী? চবি ৪ ইউনিট ২০২৪-২৫
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 2
যেকোনো ভাষার প্রধান বা মৌলিক রীতি হলো দুটি— একটি হলো লেখার রীতি (লেখ্য রূপ) এবং অপরটি হলো বলার রীতি (কথ্য রূপ)। ভাষা এই দুই মাধ্যমেই পূর্ণতা লাভ করে। তাই এই অপশনটি সঠিক। কেবল লেখার রীতি ভাষার পূর্ণাঙ্গ রূপ প্রকাশ করে না, কারণ মানুষ আগে কথা বলতে শেখে। একইভাবে, কেবল কথা বলার রীতিও পর্যাপ্ত নয়, কারণ লিখিত রূপ ভাষার স্থায়ী সংরক্ষণ নিশ্চিত করে। তাই আংশিক উত্তরগুলো ভুল। লেখা ও বলার রীতির সমন্বয়ই ভাষার মৌলিক ভিত্তি।
68. চলিত ভাষার প্রবর্তক কে? বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, C ইউনিট ২০১৯-২০
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক এবং একে সাহিত্যের মান্য ভাষারূপে প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব প্রমথ চৌধুরীর। তিনি তাঁর 'সবুজ পত্র' (১৯১৪) পত্রিকার মাধ্যমে এই আন্দোলন সফল করেন। তাই এটি সঠিক উত্তর। শামসুর রাহমান আধুনিক যুগের একজন প্রধান কবি, গদ্য রীতির প্রবর্তক নন। রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের প্রাথমিক পর্যায়ে কাজ করলেও তিনি চলিত ভাষার প্রবর্তক নন, তাঁর গদ্য ছিল সাধু রীতির। হুমায়ূন আহমেদ চলিত ভাষায় জনপ্রিয় সাহিত্য রচনা করেছেন, কিন্তু তিনি এর প্রবর্তক নন।
69. কোন ভাষা হতে বাংলা ভাষার জন্ম হয়? গ ইউনিট ১৯৯৬-৯৭
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 4
ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তন অনুযায়ী প্রাকৃত ভাষার পরবর্তী স্তর অপভ্রংশ এবং তার আঞ্চলিক রূপ বঙ্গ-কামরূপী থেকে সরাসরি বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে। তাই বঙ্গ-কামরূপী এখানে সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট ও সঠিক উত্তর। সংস্কৃত হলো প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার একটি রূপ, যা থেকে সরাসরি বাংলা আসেনি, তাই এটি ভুল। পালি একটি মধ্যভারতীয় আর্যভাষা, যা থেকে সরাসরি বাংলা জন্ম নেয়নি। প্রাকৃত থেকে অপভ্রংশের উৎপত্তি হলেও বঙ্গ-কামরূপী অপশনে থাকায় প্রাকৃত সরাসরি উত্তর হবে না। সুতরাং, অন্যান্য বিকল্পগুলো বাদ দিলে বঙ্গ-কামরূপীই সঠিক উত্তর।
70. বাংলা ভাষার পূববর্তী স্তরের নাম কী? হামোদাবি ও প্রবি D ইউনিট- ২০২৪-২৫
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারা অনুযায়ী বাংলা ভাষার ঠিক পূর্ববর্তী স্তর হলো 'অপভ্রংশ' (অবহট্ঠ বা অপভ্রংশের আঞ্চলিক রূপ বঙ্গ-কামরূপী)। তাই এটি সঠিক উত্তর। সংস্কৃত হলো প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা যা বাংলার সরাসরি পূর্বপুরুষ নয়। পালি একটি মধ্যভারতীয় আর্যভাষা এবং এটি প্রাকৃতের পূর্ববর্তী রূপ, যা বাংলার ঠিক আগের স্তর নয়। যেহেতু অপভ্রংশ অপশনে দেওয়া আছে, তাই 'কোনোটিই নয়' উত্তরটি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। সুতরাং, ঐতিহাসিক বিবর্তনের ক্রম অনুসারে অপভ্রংশই বাংলা ভাষার অব্যবহিত পূর্ববর্তী স্তর।
71. চর্যাপদ' কোন ধর্মাবলম্বী কবিদের রচনা? চবি ৪1-ইউনিট ২০১৪-১৫
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
চর্যাপদ হলো প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের ধর্মীয় সাধনা ও ভজনার সঙ্গীত। এতে বৌদ্ধ ধর্মের সাধনপ্রণালী ও দর্শনের কথা রূপকের আশ্রয়ে ব্যক্ত হয়েছে। তাই এটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের রচনা, গ উত্তরটি সঠিক। সনাতন বা হিন্দু ধর্মের দেবদেবীর কথা এতে নেই। বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী কবিরা মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলি রচনা করেছিলেন, চর্যাপদ নয়। ব্রাহ্ম সমাজ ১৯ শতকের একটি ধর্মীয় আন্দোলন, যা চর্যাপদ রচনার হাজার বছর পরের ঘটনা। তাই ঐতিহাসিক প্রমাণ সাপেক্ষে অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল এবং বৌদ্ধ ধর্মই সঠিক।
72. সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়- খুবি, B ইউনিট ২০১৯-২০
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রীতিতে বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অব্যয় পদের রূপ সাধারণত অভিন্ন থাকে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সম্বোধন পদের রূপ সাধু ও চলিতে পরিবর্তিত হয় না, তাই এটি সঠিক উত্তর। সর্বনাম পদের রূপ উভয় রীতিতে ভিন্ন হয় (যেমন: তাহারা/তারা)। ক্রিয়াপদের রূপও সম্পূর্ণ ভিন্ন হয় (যেমন: খাইতেছে/খাচ্ছে)। অব্যয় পদও অভিন্ন থাকে, তবে ভর্তি পরীক্ষার নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর হিসেবে এখানে 'সম্বোধন পদ' গৃহীত হয়েছে, অব্যয় না থাকলে সম্বোধন পদটিই অপরিবর্তিত রীতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
73. বর্তমানে পৃথিবীতে প্রচলিত ভাষার সংখ্যা কত? জবি, A-ইউনিট, ২০১৬-১৭
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
নবম-দশম শ্রেণির পুরোনো বাংলা ব্যাকরণ বইয়ের তথ্য অনুসারে, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রচলিত ভাষার সংখ্যা সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি (প্রায় ৩৫০০+)। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো সাধারণত এই পাঠ্যপুস্তকের তথ্যের ভিত্তিতেই প্রণীত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। আধুনিক ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় ভাষার সংখ্যা আরও অনেক বেশি (সাত হাজারের কাছাকাছি) হলেও আড়াই হাজার, দুই হাজার বা পাঁচ হাজার সংখ্যাগুলো কোনো প্রামাণ্য বাংলা ব্যাকরণ বইয়ের তথ্যের সাথে মেলে না। তাই পাঠ্যবইয়ের তথ্য অনুযায়ী 'সাড়ে তিন হাজার' বিকল্পটিই সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
74. ভাষার কোন রূপ ব্যাকরণের রীতি অনুসরণ করে চলে? জবি ৪ ইউনিট ২০২৪-২৫
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 1
সাধু ভাষা হলো একটি সুনির্দিষ্ট, অপরিবর্তনীয় এবং ব্যাকরণের সুকঠোর নিয়ম ও রীতি অনুসরণ করে চলা ভাষা। এর পদবিন্যাস অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত। তাই এটি সঠিক। চলিত ভাষা ব্যাকরণের নিয়ম মানলেও তা পরিবর্তনশীল এবং কথোপকথনের ওপর নির্ভরশীল, কঠোর ব্যাকরণিক রীতির ওপর নয়। প্রাকৃত ভাষা একটি প্রাচীন ভাষারূপ, যা আধুনিক ব্যাকরণের মানদণ্ডে বিচার্য নয়। আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা, যার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণ বা লিখিত প্রমিত রীতি নেই। সুতরাং সাধু রীতিই এখানে একমাত্র সঠিক উত্তর।
75. কোন বক্তব্যটি ঠিক? ঘ ইউনিট ২০০৪-০৫
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
বাংলা ভাষায় সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই প্রয়োজনের নিরিখে যেকোনো ধরনের (তৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি) শব্দ ব্যবহৃত হতে পারে, কেবল ক্রিয়া ও সর্বনামের রূপ ভিন্ন হয়। তাই এই বক্তব্যটি সঠিক। সাধু ভাষায় কেবল তৎসম শব্দ বসে, এটি ভুল, কারণ সেখানে তদ্ভব শব্দও থাকে। চলিত ভাষায় কোনো তৎসম শব্দ বসে না, এটিও ভুল, কারণ চলিতেও অসংখ্য তৎসম শব্দ ব্যবহৃত হয়। সাধু ভাষায় দেশি শব্দ ব্যবহৃত হয় না, এটিও অসত্য। তাই অন্যান্য অপশনগুলো তথ্যগতভাবে ভুল প্রমাণিত হয়।
76. ব্রাহ্মীলিপির কোন রূপ থেকে বাংলা ভাষা এসেছে? জাবি, F ইউনিট ২০১৯-২০
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 4
প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপির পূর্বাঞ্চলীয় শাখা কালক্রমে বিবর্তিত হয়ে গুপ্ত লিপির রূপ ধারণ করে এবং পরবর্তীতে তা থেকে সিদ্ধমাত্রিক বা 'কুটিল' লিপির উদ্ভব ঘটে। এই কুটিল লিপি থেকেই আধুনিক বাংলা লিপির জন্ম। তাই এটি সঠিক উত্তর। সারদা লিপি মূলত উত্তর-পশ্চিম ভারত ও কাশ্মীরে ব্যবহৃত হতো। নাগর বা দেবনাগরী লিপি থেকে হিন্দি ভাষার লিপির উদ্ভব হয়েছে। কুষাণ লিপি একটি প্রাচীন লিপির স্তর, যা সরাসরি বাংলার জনক নয়। তাই অন্যান্য বিকল্পগুলো যৌক্তিকভাবে ভুল প্রমাণিত হয়।
77. মহুয়া' পালায় বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের উপভাষা পাওয়া যায়? GST গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় A ইউনিট- ২০২১-২২
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
মহুয়া' পালাটি মূলত 'ময়মনসিংহ গীতিকা'-এর একটি অন্যতম বিখ্যাত পালা। এই পালাটি বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও বৃহত্তর নেত্রকোনা অঞ্চলের সংগৃহীত এবং এখানে ময়মনসিংহ অঞ্চলের স্থানীয় উপভাষা ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি সঠিক উত্তর। সিলেট অঞ্চলের উপভাষা সিলেটি, যা মহুয়া পালায় নেই। চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপভাষা চাটগাঁইয়া, এর সাথেও মহুয়া পালার সম্পর্ক নেই। রংপুর অঞ্চলের ভাষা কামরূপী, যার প্রভাব এই গীতিকায় দেখা যায় না। সুতরাং, ঐতিহাসিক এবং আঞ্চলিক পটভূমি অনুযায়ী ময়মনসিংহ অঞ্চলই একমাত্র সঠিক উত্তর।
78. চ' বর্গের বর্ণসমূহ যে ধরনের ধ্বনি- [ঢাবি চারুকলা: ২৩-২৪]
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
প্রশ্নটির উচ্চারণস্থান বিষয়ক বিশ্লেষণ অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো অপশন ৩ (তালব্য), কারণ চ-বর্গের বর্ণসমূহ (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) উচ্চারণের সময় জিহ্বার মধ্যভাগ কঠোর তালুকে স্পর্শ করে, তাই এগুলো তালব্য ধ্বনি। অপরদিকে, অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। প্রথমত, অপশন ১ (কণ্ঠ্য) সঠিক নয়, কারণ ক-বর্গীয় ধ্বনিগুলো কণ্ঠ্য। দ্বিতীয়ত, অপশন ২ (দন্ত্য) ভুল, কারণ ত-বর্গীয় ধ্বনিগুলো দন্ত্য। সবশেষে, অপশন ৪ (মূর্ধন্য) প্রযোজ্য নয়, কারণ ট-বর্গীয় ধ্বনিগুলো মূর্ধন্য ধ্বনি। সুতরাং, অন্যান্য বিকল্প অপসারিত হওয়ায় এটিই একমাত্র নির্ভুল উত্তর হিসেবে সাব্যস্ত হয়।
79. ড়' ও 'ঢ়' ধ্বনি দুটোকে বলে- [চবি B সেট-১; ২৪-২৫; জাবি B: ২১-২২; ঢাবি খ ২১-২২]
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 3
প্রশ্নটির ধ্বনিতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো অপশন ৩ (তাড়নজাত ধ্বনি), কারণ 'ড়' এবং 'ঢ়' উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ দন্তমূল বা মূর্ধায় দ্রুত আঘাত বা তাড়ন করে। অপরদিকে, অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। প্রথমত, অপশন ১ (কম্পনজাত ধ্বনি) সঠিক নয়, কারণ কম্পনজাত ধ্বনি হলো 'র'। দ্বিতীয়ত, অপশন ২ (নাসিক্য ধ্বনি) ভুল, কারণ নাসিক্য ধ্বনি হলো ঙ, ঞ, ণ, ন, ম। সবশেষে, অপশন ৪ (উষ্ম ধ্বনি) প্রযোজ্য নয়, কারণ উষ্ম ধ্বনি হলো শ, ষ, স, হ। সুতরাং, এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর।
80. ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে? [CoU-C: 19-20]
Correct answer
Wrong answer
Correct Answer: 2
প্রশ্নটির ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো অপশন ২ (ফলা), কারণ অন্য বর্ণের সাথে যুক্ত হওয়ার সময় ব্যঞ্জনবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়, বাংলা ব্যাকরণে তাকে ফলা বলা হয় (যেমন: য-ফলা, র-ফলা)। অপরদিকে, অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। প্রথমত, অপশন ১ (কার) সঠিক নয়, কারণ কার হলো স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ। দ্বিতীয়ত, অপশন ৩ (চিহ্ন) ভুল, কারণ এটি একটি সাধারণ শব্দ, ব্যাকরণগত পারিভাষিক শব্দ নয়। সবশেষে, অপশন ৪ (প্রতীক) প্রযোজ্য নয়, কারণ এটিও সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণিক পরিভাষা নয়। সুতরাং, এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর।