Practice Questions

Total Questions: 304

181.
ফি' এর বিনিময়ে ডাক্তার রোগীর চিকিৎসা করছেন, এটি- [HSTU-C: 18-19]
[HSTU-C: 18-19] সালের এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো প্রত্যক্ষ সেবা। যখন কোনো পেশাজীবী ব্যক্তি তার অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার সাহায্যে অর্থের বিনিময়ে সরাসরি গ্রাহককে অবস্তুগত বা অদৃশ্য সেবা প্রদান করেন, তখন তাকে প্রত্যক্ষ সেবা (Direct Service) বলা হয়। ডাক্তারের চিকিৎসা বা আইনজীবীর পরামর্শ এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বর্জন কৌশল অনুযায়ী: অপশন B (শিল্প) বলতে কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাত করে বস্তুগত পণ্য তৈরি করাকে বোঝায়। অপশন C (ট্রেড) বলতে দৃশ্যমান পণ্য অর্থের বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয়কে বোঝায়। ডাক্তারের কাজ কোনো বস্তুগত পণ্য তৈরি বা বেচাকেনা করা নয়, বরং সরাসরি অদৃশ্য সেবা প্রদান করা। তাই অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল এবং A সঠিক।
182.
ফেয়লের মতে ব্যবস্থাপকদের টি ব্যবস্থাপকীয় কার্য সম্পাদন করতে হয়। [CU-C: 21-22]
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার [CU-C: 21-22] এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ৫টি। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, আধুনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার জনক হেনরি ফেয়ল (Henry Fayol) ১৯১৬ সালে তাঁর তত্ত্বে ব্যবস্থাপকদের মূল কাজকে ৫টি সুনির্দিষ্ট ভাগে বিভক্ত করেছেন। এগুলো হলো: পূর্বানুমান ও পরিকল্পনা (Planning), সংগঠন (Organizing), নির্দেশনা (Commanding), সমন্বয়সাধন (Coordinating), এবং নিয়ন্ত্রণ (Controlling)। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে দেখা যায়: অপশন A (৩), অপশন B (৪), অপশন C (৬) এবং অপশন E (৭) হলো ফেয়লের প্রদত্ত ব্যবস্থাপকীয় কার্যাবলির আনুষ্ঠানিক তাত্ত্বিক সংখ্যার পরিপন্থী। যেহেতু ব্যবস্থাপনার কাজ নিয়ে বিভিন্ন চিন্তাবিদ ভিন্ন ভিন্ন মত দিলেও ফেয়লের মতে তা সুনির্দিষ্টভাবে ৫টি, তাই অন্য সংখ্যাগুলো যৌক্তিকভাবে বর্জনীয়।
183.
ফ্র্যাঞ্চাইজিং কী? [RU-B: 24-25]
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার (২০২৪-২৫) এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো 'নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের অধীনে ব্যবসায়' (Franchising)। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, ফ্র্যাঞ্চাইজিং হলো এমন একটি ব্যবসায়িক চুক্তি যেখানে এক পক্ষ (Franchisor) অন্য পক্ষকে (Franchisee) নির্দিষ্ট ফি ও রয়্যালটির বিনিময়ে তার বিখ্যাত ব্র্যান্ড নাম, ট্রেডমার্ক এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা বিক্রির আইনি অধিকার প্রদান করে (যেমন: কেএফসি বা পিজ্জা হাট)। অন্যদিকে বর্জন কৌশল অনুযায়ী: অপশন A (অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়) ভুল, কারণ ফ্র্যাঞ্চাইজিং আন্তর্জাতিকভাবেও ব্যাপকভাবে প্রচলিত; অপশন C (ব্যক্তিগত মালিকানা) আংশিক সত্য হলেও ব্র্যান্ডের মূল মালিকানা প্রতিষ্ঠাতার হাতেই থাকে; এবং অপশন D (শুধু সেবা খাত) বর্জনীয়, কারণ এটি উৎপাদন বা পণ্য খাতেও (যেমন: বাটা জুতা) হতে পারে।
184.
ফ্লাইওভার কোন ধরনের শিল্প? [JES-19]
এইচএসসি বোর্ড পরীক্ষার (যশোর বোর্ড-১৯) প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো 'নির্মাণ' (Construction) শিল্প। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, অর্থনীতিতে যে শিল্পের মাধ্যমে দেশের ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়, অর্থাৎ রাস্তাঘাট, সেতু, ফ্লাইওভার, বাঁধ, বা বৃহদায়তন দালানকোঠা স্থায়ীভাবে 'নির্মাণ' বা স্থাপন করা হয়, তাকে সরাসরি নির্মাণ শিল্প বলে। মানুষের যাতায়াত সহজ করার জন্য ফ্লাইওভার হলো একটি বিশাল ভৌত স্থাপনা। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন A (সেবা) শিল্প মানুষকে অদৃশ্য পরিসেবা দেয়; অপশন B (যৌগিক) শিল্প একাধিক রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে পণ্য বানায়; এবং অপশন D (সংযোজন) শিল্পে গাড়ির মতো যন্ত্রাংশ জোড়া দেওয়া হয়। ভৌত অবকাঠামো তৈরির বৈশিষ্ট্যের কারণে অন্যান্য অপশনগুলো যৌক্তিকভাবে সম্পূর্ণ বর্জনীয়।
185.
বন থেকে কাঠ সংগ্রহ কোন ধরনের শিল্প? [DU 7 College: 20-21]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো 'নিষ্কাশন' বা উত্তোলন শিল্প (Extractive Industry)। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, ভূগর্ভ, সাগর বা বনভূমির মতো প্রাকৃতিক উৎস থেকে যখন প্রকৃতি প্রদত্ত ও প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা সম্পদ মানুষের শ্রম ও চেষ্টার মাধ্যমে সরাসরি আহরণ বা সংগ্রহ করা হয়, তখন তাকে নিষ্কাশন শিল্প বলে। বন থেকে কাঠ সংগ্রহ এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন A (প্রজনন) শিল্প হলো উদ্ভিদ বা প্রাণীর বাণিজ্যিকভাবে বংশবিস্তার করা (যেমন- নার্সারি); অপশন C (প্রক্রিয়াভিত্তিক) শিল্প এবং অপশন D (উৎপাদন) শিল্প হলো কারখানায় কাঁচামাল রূপান্তর করা। প্রকৃতি থেকে সরাসরি সংগ্রহের কাজ নিষ্কাশনের অন্তর্গত হওয়ায় অন্যগুলো বর্জনীয়।
186.
বন থেকে কাঠ সংগ্রহ কোন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত?
[NU-Business: 14-15] যে শিল্পের মাধ্যমে ভূগর্ভ, পানি বা বায়ু থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন বা সংগ্রহ করা হয়, তাকে 'নিষ্কাশন শিল্প' (Extractive Industry) বলে। বন থেকে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া গাছ কেটে কাঠ সংগ্রহ করা সরাসরি নিষ্কাশন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এখানে প্রকৃতির সম্পদ আহরণ করা হচ্ছে। অপরদিকে, অপশন A (প্রজনন) হলো উদ্ভিদ বা প্রাণীর বংশবিস্তার (যেমন- নার্সারি)। অপশন C (উৎপাদন) হলো কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাত করে নতুন পণ্য তৈরি (যেমন- কাপড়)। অপশন D (নির্মাণ) হলো রাস্তা বা বিল্ডিং তৈরি। তাই তাত্ত্বিক সংজ্ঞার ভিত্তিতে অপশন B সঠিক।
187.
বন থেকে কাঠ সংগ্রহ কোন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত?[CoU: 19-20; IU: 16-17]
কুমিল্লা ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের আলোকে সঠিক উত্তর হলো 'নিষ্কাশন' বা উত্তোলন শিল্প (Extractive Industry)। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, ভূগর্ভ, সাগর বা বনভূমির মতো প্রাকৃতিক উৎস থেকে যখন প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ (যেমন- প্রাকৃতিক বনের কাঠ, খনিজ সম্পদ বা মাছ) সরাসরি মানুষের চেষ্টার মাধ্যমে আহরণ বা সংগ্রহ করা হয়, তখন তাকে নিষ্কাশন শিল্প বলে। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন A (প্রজনন) শিল্প হলো উদ্ভিদ বা প্রাণীর বাণিজ্যিকভাবে বংশবিস্তার করা (যেমন- নার্সারি বা পোল্ট্রি); অপশন C (উৎপাদন) শিল্প হলো কারখানায় কাঁচামাল রূপান্তর করা; এবং অপশন D (নির্মাণ) শিল্প হলো অবকাঠামো তৈরি করা। বন থেকে সরাসরি সংগ্রহের কাজ নিষ্কাশনের অন্তর্গত হওয়ায় অন্যগুলো বর্জনীয়।
188.
বরিশালের ইলিশ মাছ ঢাকায় আনয়নের মাধ্যমে যে উপযোগ সৃষ্টি হয়-
[BU: 13-14] যেকোনো উৎপাদিত কৃষিজ বা প্রাকৃতিক পণ্যকে যখন তার ভৌগোলিক উৎপত্তিস্থল (বরিশাল) থেকে ভোক্তা বা ক্রেতার কাছে (ঢাকা) পরিবহনের মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়, তখন দূরত্বের বাধা দূর হয়ে পণ্যের যে উপযোগ বা অভাব পূরণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, তাকে 'স্থানগত উপযোগ' (Place Utility) বলে। অন্যদিকে, অপশন A (সময়গত উপযোগ) সৃষ্টি করে গুদামজাতকরণ ব্যবস্থা। অপশন B (রূপগত উপযোগ) সৃষ্টি করে শিল্প বা উৎপাদন খাত। অপশন D (স্বত্বগত উপযোগ) সৃষ্টি করে মালিকানা পরিবর্তনের কাজ বা ট্রেড। তাই যৌক্তিক বর্জন পদ্ধতিতে অপশন C-ই হলো একমাত্র সঠিক উত্তর।
189.
বরিশালের চাউল ঢাকা আনলে কোন উপযোগ সৃষ্টি হয়?
[CoU-C: 24-25] যখন একটি ভৌগোলিক স্থান (বরিশাল) থেকে উদ্বৃত্ত বা উৎপাদিত পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে অন্য একটি স্থানে (ঢাকা) ভোক্তাদের অভাব পূরণের জন্য নিয়ে আসা হয়, তখন সেই স্থানান্তরের ফলে যে উপযোগের সৃষ্টি হয়, তাকে 'স্থানগত উপযোগ' (Place Utility) বলে। অন্যদিকে, অপশন A (সময়গত) উপযোগ সৃষ্টি হয় গুদামে সংরক্ষণের মাধ্যমে, তাই এটি ভুল। অপশন C (স্বত্বগত) উপযোগ সৃষ্টি হয় পণ্য কেনাবেচার মাধ্যমে। অপশন D (আকৃতিগত) উপযোগ সৃষ্টি হয় শিল্পে আকার পরিবর্তনের মাধ্যমে। ভৌগোলিক স্থান পরিবর্তনের যৌক্তিকতায় অপশন B সম্পূর্ণ সঠিক।
190.
বরিশালের বালাম চাউল ঢাকায় আনলে যে উপযোগ সৃষ্টি হয়-
[DU-C: 00-01] যখন কোনো পণ্য তার উৎপত্তিস্থল (যেমন- বরিশাল) থেকে পরিবহনের মাধ্যমে অন্য কোনো স্থানে (যেমন- ঢাকা) নিয়ে গিয়ে ভোক্তার অভাব পূরণ করা হয়, তখন পণ্যের যে উপযোগ সৃষ্টি হয় তাকে 'স্থানগত উপযোগ' (Place Utility) বলে। এই স্থানান্তর মূলত পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। অন্যদিকে, অপশন B (আকৃতিগত বা রূপগত) উপযোগ সৃষ্টি করে কারখানায় উৎপাদন প্রক্রিয়া। অপশন C (সময়গত) উপযোগ সৃষ্টি করে গুদামজাতকরণ। যেহেতু এখানে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পণ্যের ভৌগোলিক স্থানান্তরের কথা বলা হয়েছে, তাই অপশন A-ই হলো যৌক্তিক ও সঠিক উত্তর।
191.
বর্তমানে দেশের সকল পর্যায়ের ব্যবসায়ে অভাব পরিলক্ষিত হয়-
[BAR-16] বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে ব্যবসায়িক পরিবেশে মূলধন বা সস্তাশ্রম থাকলেও সবচেয়ে বড় যে ঘাটতি দেখা যায় তা হলো 'দক্ষ ও যোগ্য উদ্যোক্তার' (Skilled and competent entrepreneurs)। ঝুঁকি নিয়ে নতুন কিছু উদ্ভাবন করার মতো সৃজনশীল ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষের অভাবে অনেক সম্ভাবনা কাজে লাগানো যায় না। অন্যদিকে, অপশন A (প্রাকৃতিক সম্পদ) আমাদের দেশে যথেষ্ট আছে (যেমন- উর্বর ভূমি, গ্যাস)। অপশন C (বিনিয়োগ পরিবেশ) এবং অপশন D (উৎপাদন ব্যবস্থা) উদ্যোক্তা দ্বারাই সৃষ্ট হয়, উদ্যোক্তা না থাকলে এগুলো কাজ করে না। তাই মূল সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে অপশন B সঠিক।
192.
--বলেন মানুষ যেমন একমাত্র খাবারের উদ্দেশ্যই পৃথিবীতে বেঁচে থাকে না তেমনি মুনাফা অর্জনই ব্যবসায়ের একমাত্র উদ্দেশ্য হতে পারে না।
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো L.F. Urwick (লান্ডাল এফ. উরউইক)। ব্রিটিশ ব্যবস্থাপনা তাত্ত্বিক উরউইক ব্যবসায়ের কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্বের (CSR) উপর জোর দিয়ে এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন। তাঁর মতে, মুনাফা অর্জন ব্যবসায়ের টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হলেও কেবল মুনাফাই ব্যবসায়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে পারে না; সমাজকে সেবা প্রদান করাও এর সমান্তরাল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন B (H. Simon) সিদ্ধান্ত গ্রহণ তত্ত্বের প্রবর্তক। অপশন C (P.F. Drucker) আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক, যিনি উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনার ধারণা দিয়েছেন। অপশন D (A. Maslow) প্রেষণার চাহিদা সোপান তত্ত্ব দিয়েছেন। উক্তিটি সরাসরি উরউইকের হওয়ায় অন্যান্য চিন্তাবিদদের নাম যৌক্তিকভাবে সম্পূর্ণ বর্জনীয়।
193.
বস্ত্রশিল্প নিচের কোন ধরনের শিল্পের উদাহরণ? [DU 7 College: 21-22]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো 'প্রক্রিয়াকরণ' (Processing) শিল্প। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, যে শিল্পে কাঁচামালকে বিভিন্ন ধারাবাহিক পর্যায় বা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করিয়ে চূড়ান্ত পণ্যে রূপান্তর করা হয়, তাকে প্রক্রিয়াকরণ শিল্প বলে। বস্ত্রশিল্পে তুলা থেকে সুতা এবং সুতা থেকে কাপড় বোনা পর্যন্ত একটি সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিক পর্যায় অনুসরণ করতে হয়। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন A (বিশ্লেষণাত্মক) শিল্পে একটি কাঁচামাল ভাঙা হয় (যেমন খনিজ তেল); অপশন B (সাংশ্লেষিক বা যৌগিক) শিল্পে একাধিক পদার্থ মেশানো হয় (যেমন সাবান); এবং অপশন D (সংযোজন) শিল্পে যন্ত্রাংশ জোড়া দেওয়া হয়। ধারাবাহিকতা থাকায় অন্যান্য অপশনগুলো যৌক্তিকভাবে সম্পূর্ণ বর্জনীয়।
194.
বাংলাদেশ সরকার কবে নতুন "Export Policy 2015-2018" প্রকাশ করে? [HSTU-C: 17-18]
[HSTU-C: 17-18] ভর্তি পরীক্ষার এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ৩১ জুলাই ২০১৫। বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসার, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য রপ্তানি নীতি বা Export Policy প্রণয়ন করে। ২০১৫-২০১৮ মেয়াদের এই নীতিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ৩১ জুলাই ২০১৫ তারিখে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছিল। বর্জন কৌশলে বিশ্লেষণ করলে: অপশন A (১৪ ফেব্রুয়ারি), C (১ জুলাই), এবং D (১৪ সেপ্টেম্বর) হলো ভুল তারিখ। এ ধরনের সরকারি নীতির গেজেট প্রকাশের একটি সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক তারিখ থাকে, যা পরিবর্তনযোগ্য নয়। তাই অনুমাননির্ভর অন্যান্য তারিখগুলো যৌক্তিকভাবে সম্পূর্ণ বর্জনীয় এবং B সঠিক।
195.
বাংলাদেশে VAT চালু হয় কখন?
[IU: 10-11] বাংলাদেশে কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার ১ জুলাই '১৯৯১' সালে সর্বপ্রথম 'মূল্য সংযোজন কর' বা VAT (Value Added Tax) ব্যবস্থা চালু করে। এটি দেশের পরোক্ষ কর ব্যবস্থায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে। অন্যদিকে, অপশন A (১৯৯০) সালে এই আইন পাস হয়নি। অপশন C (১৯৯২) এবং অপশন D (১৯৯৪) সালগুলো ভ্যাট প্রবর্তনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুল। বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ও কার্যকর হওয়ার সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সালের ওপর ভিত্তি করে যৌক্তিক বর্জন পদ্ধতিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে অপশন B সঠিক।
196.
বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের তুলনামূলক সুবিধা হলো- [HSTU: 13-14]
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো 'সস্তা শ্রম' (Cheap Labor)। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, জাহাজ নির্মাণ একটি অত্যন্ত ভারী ও শ্রমঘন শিল্প। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বিশাল জনসংখ্যা থাকার কারণে খুব অল্প মজুরিতে পর্যাপ্ত ও দক্ষ শ্রমিক পাওয়া যায়। এই সস্তা শ্রমের কারণেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে কম খরচে জাহাজ নির্মাণ করে তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা (Comparative Advantage) অর্জন করেছে। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন A (বাজার সুবিধা) বিশ্বব্যাপী সবার জন্যই উন্মুক্ত; অপশন B (সস্তা মেশিন) এবং অপশন D (সস্তা মূলধন) বাংলাদেশে নেই, কারণ ভারী যন্ত্রপাতি ও মূলধন বিদেশ থেকে উচ্চমূল্যে বা চড়া সুদে আনতে হয়। তাই অন্যগুলো বর্জনীয়।
197.
বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের ব্যাপকভাবে বেড়ে উঠার প্রধান কারণ কী? DU 7 College: 17-18]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো 'সস্তা শ্রম' (Cheap Labor)। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, তৈরি পোশাক একটি অত্যন্ত শ্রমঘন (Labor-intensive) শিল্প। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বিশাল জনসংখ্যা এবং বেকারত্বের কারণে খুব অল্প মজুরিতে প্রচুর পরিমাণে দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক (বিশেষ করে নারী শ্রমিক) পাওয়া যায়। এই সস্তা শ্রমের কারণেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে কম খরচে পোশাক তৈরি করে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন B (উন্নত প্রযুক্তি), অপশন C (নিজস্ব কাঁচামাল বা তুলা), এবং অপশন D (মূলধনের সহজ প্রাপ্যতা) বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে কম। এগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তাই অন্যান্য অপশনগুলো যৌক্তিকভাবে বর্জনীয়।
198.
বাংলাদেশে মুক্ত বাজার অর্থনীতি চালু হয়-
[JKKNIU: 12-13] বাংলাদেশে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার পর অর্থনীতির কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে '১৯৯১ সালে' আনুষ্ঠানিকভাবে 'মুক্ত বাজার অর্থনীতি' (Free Market Economy) চালু হয়। এর মাধ্যমে বাণিজ্যে উদারীকরণ ও বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হয়। অন্যদিকে, অপশন A (১৯৯০) সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলছিল, বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংস্কার হয়নি। অপশন C (১৯৯৬) এবং অপশন D (২০০১) সালগুলো পরবর্তী সরকার গঠনের সময়কাল, তবে মুক্তবাজারের নীতি তার আগেই গৃহীত হয়েছিল। ঐতিহাসিক তথ্যের এই সুনির্দিষ্টতার কারণে অন্য বিকল্পগুলো বর্জনীয় এবং অপশন B সম্পূর্ণ সঠিক।
199.
বাংলাদেশে রপ্তানি বাণিজ্যে সবচেয়ে বেশি অবদান কোন শিল্পের? [MBSTU-D: 18-19]
[MBSTU-D: 18-19] সালের এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো তৈরি পোশাক শিল্প (RMG)। বিগত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক রপ্তানি বাণিজ্যের সিংহভাগই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই এককভাবে এই খাত থেকে অর্জিত হয়। বর্জন কৌশল অনুযায়ী: অপশন A (পাট) একসময় সোনালী আঁশ হিসেবে শীর্ষে থাকলেও বর্তমানে এর অবদান অনেক কমেছে। অপশন B (চামড়া) এবং অপশন C (ঔষধ) বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত হলেও আয়ের পরিমাণের দিক থেকে এগুলো তৈরি পোশাক শিল্পের ধারেকাছেও নেই। তাই পরিসংখ্যানগত দিক থেকে অন্যান্য অপশনগুলো ভুল এবং D সঠিক।
200.
বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল প্রতিবছর বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্ব পালনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। এই অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি নিচের কোন দায়িত্ব পালন করে? [CoU-C: 19-20]
[CoU-C: 19-20] পরীক্ষার এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব (CSR)। কোনো বৃহৎ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান যখন তাদের দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও আইনি বাধ্যবাধকতার বাইরে গিয়ে স্বেচ্ছায় সমাজের মানুষের কল্যাণ, পরিবেশ রক্ষা বা জনহিতকর কাজে অর্থ ব্যয় করে, তখন তাকে কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (CSR) বলে। বর্জন কৌশল অনুযায়ী: অপশন A (নৈতিক দায়িত্ব) বৃহত্তর ধারণার অংশ হলেও তাত্ত্বিকভাবে এটি CSR নামেই পরিচিত। অপশন C (ভোক্তাদের প্রতি) হলো শুধু ভালো পণ্য দেওয়া এবং অপশন D (কর্মীদের প্রতি) হলো ন্যায্য বেতন দেওয়া। যেহেতু এখানে সামগ্রিক সমাজের কল্যাণের কথা বলা হয়েছে, তাই যৌক্তিকভাবে B সঠিক।