Practice Questions

Total Questions: 304

241.
ব্যবসায়ের ভূষণ কোনটি?
[GST-C: 24-25] ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে 'সুনাম' (Goodwill) হলো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্পর্শনীয় স্থায়ী সম্পদ, যা দীর্ঘদিন ধরে সততা, বিশ্বস্ততা ও উত্তম সেবার মাধ্যমে অর্জিত হয়। এই সুনামকেই ব্যবসায়ের 'ভূষণ' বা অলংকার বলা হয়, কারণ এটি ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অন্যদিকে, অপশন A (মূলধন) ব্যবসায়ের জীবনীশক্তি বা রক্ত, ভূষণ নয়। অপশন C (মুনাফা) হলো ব্যবসায়ের প্রধান উদ্দেশ্য ও চালিকাশক্তি। অপশন D (বিজ্ঞাপন) হলো পণ্য প্রসারের একটি মাধ্যম বা কৌশল মাত্র। যেহেতু সুনাম ছাড়া অন্য কোনোটি ব্যবসায়ের বাহ্যিক মর্যাদা বা অলংকার বৃদ্ধি করে না, তাই বর্জন পদ্ধতিতে অপশন B সঠিক।
242.
ব্যবসায়ের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়-
[BSMRSTU: 13-14; CU : 05-06] ব্যবসায়ের মূল কাজই হলো প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদের আকার পরিবর্তন করে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতা তৈরি করা। অর্থনীতির ভাষায় একে 'উপযোগিতা' (Utility) সৃষ্টি বলা হয় (যেমন- রূপগত, স্থানগত, সময়গত)। অন্যদিকে, অপশন A (চাহিদা) মানুষের অভাব থেকে জন্ম নেয়, ব্যবসায় সরাসরি চাহিদা সৃষ্টি করতে পারে না, বরং সে চাহিদা মেটায়। অপশন B (অংশীদারি) হলো ব্যবসায়ের একটি আইনি কাঠামো মাত্র। অপশন D (পণ্য ভান্ডার) হলো গুদামের একটি অবস্থা। যেহেতু ব্যবসায় বিভিন্ন ধরনের অভাব পূরণের ক্ষমতা তৈরি করে, তাই অপশন C সঠিক।
243.
ব্যবসায়ের মুখ্য উদ্দেশ্য কোনটি? [CU: 17-18, IU: 11-12]
চট্টগ্রাম ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো মুনাফা অর্জন (Profit Maximization)। অর্থনীতি ও ব্যবসা শাস্ত্রের মৌলিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, পণ্য বা সেবা উৎপাদন ও বণ্টনের মাধ্যমে বৈধভাবে আর্থিক লাভ বা মুনাফা অর্জন করাই হলো যেকোনো ব্যবসায়ের প্রাথমিক বা মুখ্য উদ্দেশ্য। মুনাফা ছাড়া কোনো ব্যবসায় টিকে থাকতে পারে না। বর্জন কৌশল অনুযায়ী: অপশন A (মূলধন বিনিয়োগ) হলো ব্যবসায়ের কাজ; অপশন C (সমাজসেবা) হলো সামাজিক উদ্দেশ্য; এবং অপশন D (নতুন আবিষ্কার) হলো উৎপাদনশীলতার অংশ। মুখ্য উদ্দেশ্য হিসেবে এগুলো বর্জনীয় এবং অপশন B সঠিক।
244.
ব্যবসায়ের মুখ্য কাজ কোনটি?
(JKKNIU: 17-18) ব্যবসায়ের কার্যাবলির মধ্যে সবচেয়ে প্রাথমিক ও 'মুখ্য কাজ' (Primary Function) হলো মানুষের ব্যবহারোপযোগী পণ্য বা সেবার 'উৎপাদন' (Production) করা। কারণ উৎপাদন না হলে বিপণন, বণ্টন বা অন্যান্য কোনো কাজই করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, অপশন A (মুনাফা অর্জন) হলো ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য, এটি সরাসরি কোনো কাজ বা কার্যাবলি নয়। অপশন C (গ্রাহক সেবা) হলো বিক্রয়োত্তর একটি সহায়ক কাজ। অপশন D (ক্রয়) হলো উৎপাদনের আগে বা বাণিজ্যের একটি প্রাথমিক কাজ, কিন্তু পণ্য তৈরি বা উপযোগ সৃষ্টির মূল কাজ হলো উৎপাদন। তাই যৌক্তিক বিশ্লেষণে অপশন B সঠিক।
245.
ব্যবসায়ের মৌলিক বৈশিষ্ট্য কোনটি? [GST-C: 23-24]
[GST-C: 23-24] পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো মুনাফার প্রত্যাশা। যেকোনো বৈধ অর্থনৈতিক কাজকে ব্যবসায় বলতে হলে তার প্রধান ও প্রথম শর্ত হলো মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য বা প্রত্যাশা থাকা। মুনাফার প্রত্যাশা ব্যতীত কোনো কাজ ব্যবসায় হতে পারে না। বর্জন কৌশলের সাহায্যে দেখলে: অপশন B (দায়মুক্তি) ভুল কারণ ব্যবসায়ে সবসময় আর্থিক ঝুঁকি ও দায়বদ্ধতা থাকে, দায়মুক্তি নয়। অপশন C (জনসমর্থন) রাজনৈতিক বা সামাজিক কাজের বৈশিষ্ট্য হতে পারে, ব্যবসায়ের মৌলিক শর্ত নয়। অপশন D (দলগত কাজ) ব্যবস্থাপনার একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু একমালিকানা ব্যবসায়ে দলগত কাজ অপরিহার্য নয়। তাই অন্যান্য অপশনগুলো যৌক্তিকভাবে বাদ যায় এবং অপশন A সঠিক।
246.
ব্যবসায়ের সমীকরণটি হচ্ছে- [CU: 09-10, HSTU: 15-16]
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন অনুযায়ী ব্যবসায়ের সঠিক সমীকরণটি হলো B = ΣI + ΣT + ΣAT। এখানে B = Business (ব্যবসায়), Σ = সমষ্টি, I = Industry (শিল্প), T = Trade (বাণিজ্য), এবং AT = Auxiliaries to Trade (বাণিজ্যের সহায়ক কার্যাবলি)। অর্থাৎ ব্যবসায় হলো শিল্প, বাণিজ্য ও বাণিজ্যের সহায়ক কাজের সমষ্টি। বর্জন কৌশল অনুযায়ী: অপশন A ভুল কারণ সেখানে B-এর পরিবর্তে C দেওয়া হয়েছে; অপশন C ভুল কারণ সেখানে সমষ্টি নির্দেশক Σ চিহ্ন নেই; এবং অপশন D ভুল কারণ সেখানে সবগুলোতে Σ নেই। তাই অপশন B সঠিক।
247.
ব্যবসায়ের সামাজিক দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্য হলো-
[JES-16] ব্যবসায় যখন তার অর্জিত মুনাফার একটি অংশ সমাজের কল্যাণে (যেমন- শিক্ষাবৃত্তি, ত্রাণ বিতরণ) ব্যয় করে, তখন সমাজের মানুষের চোখে প্রতিষ্ঠানটির একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্যই হলো সমাজের বিভিন্ন পক্ষের সাথে একটি আস্থার 'সম্পর্ক উন্নয়ন' (Relationship Development) করা। অন্যদিকে, অপশন A (বিক্রয় বৃদ্ধি), অপশন B (মুনাফা সর্বাধিকরণ) এবং অপশন D (প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা) হলো ব্যবসায়ের অভ্যন্তরীণ ও প্রত্যক্ষ 'অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য'। সামাজিক দায়িত্ব পালন পরোক্ষভাবে এগুলো অর্জনে সহায়তা করলেও, এর সরাসরি ও মুখ্য উদ্দেশ্য হলো কল্যাণ ও সম্পর্ক স্থাপন। তাই অপশন C সঠিক।
248.
ব্যবসায়ের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য কোনটি?
[HEC: 20-21] ব্যবসায় হতে হলে উপরের সবগুলো বৈশিষ্ট্যই থাকা দরকার। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে 'স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য' (Distinctive Feature) হলো 'এটিকে আইনগতভাবে বৈধ হতে হয়'। কারণ মুনাফার উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিক কাজ করলেও তা যদি অবৈধ হয় (যেমন চোরাচালান), তবে তা কখনোই ব্যবসায় বলে গণ্য হবে না। অন্যদিকে, অপশন A (অর্থনৈতিক কাজ) চাকরি বা পেশার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অপশন B (অর্থের লেনদেন) যেকোনো সাধারণ কেনাকাটায় ঘটে। অপশন D (মুনাফা লাভ) চোরাকারবারিরাও করে। কিন্তু বৈধতা কেবল প্রকৃত ব্যবসায়কেই অন্যান্য অবৈধ আর্থিক কাজ থেকে আলাদা বা স্বতন্ত্র করে। তাই অপশন C সঠিক।
249.
ব্যবসায়ের স্বাভাবিক প্রকৃতি কয়টি? [CU: 08-09]
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার (২০০৮-০৯) এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো 'দুইটি'। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য বা প্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে একে প্রধানত দুটি দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করা যায়: অভ্যন্তরীণ প্রকৃতি (যেমন- কারখানার উৎপাদন কাজ, অভ্যন্তরীণ প্রশাসন ও কর্মীদের পরিচালনা) এবং বাহ্যিক প্রকৃতি (যেমন- সমাজের মানুষের চাহিদা মেটানো, পণ্য বণ্টন, বিপণন এবং সামাজিক দায়িত্ব পালন)। এই দুই প্রকৃতির সমন্বয়েই একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তার সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন A (একটি) ভুল; এবং অপশন C (শুধু অভ্যন্তরীণ) ও অপশন D (শুধু বাহ্যিক) হলো আংশিক সত্য, কারণ ব্যবসায় এককভাবে কোনো একটি প্রকৃতির উপর নির্ভর করে চলতে পারে না। তাই এগুলো বর্জনীয় এবং অপশন B সঠিক।
250.
ব্যাংক কর্তৃক ঋণ মঞ্জুর: এটি কোন ধরনের উপযোগ সৃষ্টি করে? [GST-C: 20-21]
[GST-C: 20-21] পরীক্ষার এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো সেবাগত উপযোগ বা অর্থগত উপযোগ। ব্যাংক ব্যবসায়ীদের ঋণ মঞ্জুর করার মাধ্যমে মূলত আর্থিক সেবা প্রদান করে থাকে, যা ব্যবসায়ের অর্থগত বাধা দূর করে এবং এটি প্রত্যক্ষ সেবামূলক কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত। বর্জন কৌশল অনুযায়ী অন্যান্য অপশনগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়: অপশন A (স্বত্বগত উপযোগ) সৃষ্টি হয় বাণিজ্যের ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে, যেখানে পণ্যের মালিকানা বদল হয়। অপশন C (সময়গত উপযোগ) সৃষ্টি হয় গুদামজাতকরণের মাধ্যমে, যা পণ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে। অপশন D (স্থানগত উপযোগ) সৃষ্টি হয় পরিবহণ ব্যবস্থার মাধ্যমে, যা এক স্থানের পণ্য অন্য স্থানে নিয়ে যায়। তাই ব্যাংকের ঋণ মঞ্জুর করা যৌক্তিকভাবে B অপশনকে সমর্থন করে।
251.
ভারত থেকে চিনি আমদানি করে সে চিনি আবার বাংলাদেশ থেকে নেপালে রপ্তানি করা হলে এরূপ বাণিজ্যের নাম হবে-
[BU: 12-13] আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মানুযায়ী, কোনো দেশ যখন নিজের ভোগের জন্য নয় বরং অন্য কোনো দেশ (ভারত) থেকে পণ্য আমদানি করে এবং তা প্রক্রিয়াজাত না করে বা আকার পরিবর্তন না করে তৃতীয় কোনো দেশে (নেপাল) বিক্রি বা রপ্তানি করে, তখন তাকে 'পুনঃরপ্তানি বাণিজ্য' (Entrepot Trade) বলে। বাংলাদেশ এখানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। অন্যদিকে, অপশন A (আমদানি) শুধু আনা বোঝায়। অপশন B (রপ্তানি) নিজস্ব পণ্য পাঠানো বোঝায়। অপশন C (আমদানি-রপ্তানি) নামে কোনো সুনির্দিষ্ট একক বাণিজ্যিক পরিভাষা নেই। সংজ্ঞাগত সুনির্দিষ্টতার কারণে অপশন D সঠিক।
252.
মটর শিল্প, ইলেক্ট্রনিক্স শিল্প ও অটোমোবাইল শিল্প হলো- [JUST-F: 19-20]
[JUST-F: 19-20] ভর্তি পরীক্ষার এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো সংযোজন শিল্প। যে শিল্পে অন্য কোনো কারখানায় উৎপাদিত বিভিন্ন খণ্ডিত অংশ বা যন্ত্রাংশগুলোকে (Parts) একত্রিত বা সংযোজন করে একটি পূর্ণাঙ্গ ও নতুন ব্যবহারযোগ্য পণ্য তৈরি করা হয়, তাকে সংযোজন শিল্প বলে। অটোমোবাইল বা ইলেকট্রনিক্স পণ্য এভাবেই বিভিন্ন পার্টস জোড়া লাগিয়ে তৈরি হয়। বর্জন কৌশল অনুযায়ী: অপশন A (যৌগিক শিল্প) হলো একাধিক রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে নতুন পণ্য তৈরি। অপশন C (নির্মাণ শিল্প) হলো রাস্তা বা দালানকোঠা তৈরি করা। অপশন D (উৎপাদন শিল্প) একটি বৃহত্তর ধারণা, যার একটি সুনির্দিষ্ট উপবিভাগ হলো সংযোজন শিল্প। তাই নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে B সঠিক।
253.
মৎস্য চাষ কোন ধরনের শিল্প? [7 College: 19-20; DU: 98-99, PUST: 15-16]
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের আলোকে সঠিক উত্তর হলো 'প্রজনন' (Genetic) শিল্প। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, যে শিল্পে মানুষের নিবিড় তত্ত্বাবধানে ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নির্বাচিত উদ্ভিদ বা প্রাণীর (যেমন- মাছ, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু) কৃত্রিম প্রজনন ঘটিয়ে বংশবিস্তার করা হয় এবং যা পুনরায় সম্পদ সৃষ্টিতে ব্যবহার করা যায়, তাকে প্রজনন শিল্প বলে। হ্যাচারিতে মৎস্য চাষ এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন A (উৎপাদন) কারখানায় কাঁচামাল রূপান্তর করে; অপশন B (উত্তোলন) হলো প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা মাছ ধরা (চাষ করা নয়); এবং অপশন C (সংযোজন) হলো যন্ত্রাংশ জোড়া দিয়ে পণ্য তৈরি। বংশবিস্তারের কাজের সাথে এদের সম্পর্ক না থাকায় এগুলো বর্জনীয়।
254.
মৎস্য ধরা কোন শিল্পের অন্তর্গত? [DU: 02-03, RU: 08-09]
ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের আলোকে সঠিক উত্তর হলো 'উত্তোলন শিল্প' বা নিষ্কাশন শিল্প (Extractive Industry)। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, নদী, সাগর বা বিলের মতো প্রাকৃতিক উৎস থেকে যখন প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা মাছ সরাসরি শিকার বা সংগ্রহ করা হয়, তখন তা উত্তোলন শিল্পের অন্তর্গত হয়। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে দেখা যায়: অপশন A (প্রজনন শিল্প) হলো হ্যাচারিতে বাণিজ্যিকভাবে মাছের পোনা উৎপাদন বা চাষ করা (যা ধরা থেকে ভিন্ন); অপশন C (নির্মাণ শিল্প) হলো অবকাঠামো তৈরি করা; অপশন D (উৎপাদন শিল্প) হলো কারখানায় পণ্য তৈরি; এবং অপশন E (সেবা শিল্প) আরাম-আয়েশ প্রদান করে। প্রাকৃতিক উৎস থেকে সম্পদ আহরণের কাজ কেবল উত্তোলন শিল্প হওয়ায় অন্যগুলো বর্জনীয়।
255.
মৎস্য ধরা কোন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত? [RU-B: 08-09]
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার [RU-B: 08-09] এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো 'নিষ্কাশন শিল্প' (Extractive Industry)। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, প্রাকৃতিক উৎস যেমন- নদী, সাগর, বন বা খনি থেকে যখন সরাসরি প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা সম্পদ (যেমন- মাছ, কাঠ, কয়লা) মানুষের চেষ্টার মাধ্যমে আহরণ বা উত্তোলন করা হয়, তখন তা নিষ্কাশন বা উত্তোলন শিল্পের আওতাভুক্ত হয়। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন A (প্রজনন শিল্প) হলো বাণিজ্যিকভাবে পোনা উৎপাদন করে মাছের চাষ করা; অপশন B (উৎপাদন শিল্প) হলো কারখানায় কাঁচামাল থেকে নতুন পণ্য তৈরি করা; এবং অপশন D (নির্মাণ শিল্প) হলো রাস্তাঘাট বা দালানকোঠা তৈরি করা। যেহেতু মৎস্য ধরা সরাসরি প্রকৃতি থেকে সম্পদ সংগ্রহের কাজ, তাই অন্যান্য অপশনগুলো যৌক্তিকভাবে বর্জনীয়।
256.
মান অনুযায়ী পণ্য ভাগ করাকে কী বলে? [NSTU-F:18-19]
[NSTU-F:18-19] ভর্তি পরীক্ষার এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো পর্যায়িতকরণ (Grading)। বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে পণ্যের ওজন, আকার বা গুণাগুণের একটি পূর্বনির্ধারিত মানদণ্ড অনুসারে পণ্যগুলোকে বিভিন্ন ভাগে বা শ্রেণিতে আলাদা করার কাজকেই পর্যায়িতকরণ বলা হয় (যেমন বড় আপেল ও ছোট আপেল আলাদা করা)। বর্জন কৌশলে বিশ্লেষণ করলে: অপশন B (প্রমিতকরণ) হলো পণ্য ভাগ করার আগে তার মান বা মাপকাঠি (Standard) নির্ধারণ করা। অপশন C (সাজানো) একটি সাধারণ শব্দ যার বিপণনে সুনির্দিষ্ট তাত্ত্বিক ভিত্তি নেই। অপশন D (মোড়কিকরণ) হলো পণ্যকে নিরাপদ রাখতে প্যাকেট বা আবরণ দিয়ে মোড়ানো। তাই মান অনুযায়ী ভাগ করার নির্দিষ্ট কাজ হিসেবে অপশন A সঠিক।
257.
মানুষের অভাব মোচনের লক্ষ্যে ও মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পণ্যদ্রব্য বা সেবা সামগ্রী উৎপাদন, বণ্টন ও এর সহায়ক সকল বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বলা হয়- [CoU 18-19]
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার (২০১৮-১৯) এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো 'ব্যবসায়' (Business)। যৌক্তিক অবরোহ অনুযায়ী, অর্থনীতি ও ব্যবসায় শাস্ত্রের সর্বজনীন ও পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা মতে, মানুষের অভাব পূরণের জন্য ঝুঁকি গ্রহণ করে মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পণ্য বা সেবার 'উৎপাদন' (শিল্প), 'বণ্টন' (বাণিজ্য) এবং এদের সাথে জড়িত সকল সহায়ক বৈধ কার্যাবলির সমষ্টিকেই সামগ্রিকভাবে ব্যবসায় বলা হয়। অন্যদিকে বর্জন কৌশল প্রয়োগ করলে: অপশন B (বাণিজ্য) কেবল বণ্টনের কাজ করে; অপশন C (শিল্প) কেবল উৎপাদনের কাজ করে; অপশন D (বাজারজাতকরণ) কেবল পণ্য বিক্রির কৌশল; এবং অপশন E (উপযোগ) হলো অভাব পূরণের ক্ষমতা। যেহেতু প্রশ্নে উৎপাদন ও বণ্টনসহ সামগ্রিক কাজের কথা বলা হয়েছে, তাই খণ্ডিত অংশগুলো বর্জনীয় এবং অপশন A শতভাগ সঠিক।
258.
মালিকানার ভিত্তিতে ব্যবসায় সংগঠনকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
[IU: 05-06] মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণের ধরন অনুযায়ী ব্যবসায় সংগঠনকে প্রধানত '৫' ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো: ১. একমালিকানা ব্যবসায়, ২. অংশীদারি ব্যবসায়, ৩. যৌথ মূলধনী কোম্পানি, ৪. সমবায় সমিতি, এবং ৫. রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়। (যৌথ উদ্যোগকে অনেক সময় কোম্পানির আওতায় ধরা হয়)। অন্যদিকে, অপশন A (৪), অপশন C (৮) এবং অপশন D (৬) ব্যবসায় সংগঠন তত্ত্বের মূল ধারার শ্রেণিবিন্যাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর এই সুনির্দিষ্ট ও সার্বজনীন তাত্ত্বিক বিভাজনের কারণে অন্যান্য গাণিতিক বিকল্পগুলো যৌক্তিকভাবে বর্জনীয় এবং অপশন B সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর।
259.
মি. ইমতিহাল সামিহ মিয়ানমার থেকে শুঁটকি কিনে ব্রিটেনে বিক্রয় করে- তার ব্যবসাকে কী বলা হয়? [CoU-C: 19-20]
[CoU-C: 19-20] সালের এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো পুনঃরপ্তানি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো এক দেশ থেকে পণ্য ক্রয় (আমদানি) করে সেই পণ্য নিজ দেশের ভোক্তাদের জন্য ব্যবহার না করে, সরাসরি বা সামান্য প্রক্রিয়াজাত করে তৃতীয় কোনো দেশে আবার বিক্রয় (রপ্তানি) করা হয়, তখন তাকে পুনঃরপ্তানি বলে। বর্জন কৌশলের সাহায্যে দেখলে: অপশন A (পাইকারি) হলো দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের একটি রূপ। অপশন B (আমদানি) কেবল পণ্য কিনে আনা বোঝায়। অপশন C (রপ্তানি) হলো নিজ দেশে উৎপাদিত পণ্য বিদেশে বিক্রি করা। যেহেতু এখানে দুটি দেশের মধ্যে পণ্য কিনে তৃতীয় দেশে পাঠানো হচ্ছে, তাই অপশন D সঠিক।
260.
মুক্ত বিশ্বে ব্যবসায়ের প্রকৃতি কেমন? [19-20]
বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো A+B (ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক উভয়ই)। মুক্ত বিশ্বে ব্যবসায় যেমন একজন ব্যক্তি বা একক প্রতিষ্ঠানের (ব্যষ্টিক) আয় ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে, তেমনি এটি সমগ্র দেশের (সামষ্টিক) অর্থনীতি, জাতীয় আয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। বর্জন কৌশল অনুযায়ী: অপশন A (শুধু ব্যষ্টিক) এবং অপশন B (শুধু সামষ্টিক) আংশিক সত্য, কারণ ব্যবসায় এককভাবে কোনো একটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এবং অপশন D (সম্য-সামষ্টিক) বলে অর্থনীতিতে কোনো সুনির্দিষ্ট শব্দ নেই। তাই C সঠিক।