Practice Questions

Total Questions: 37

21.
বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে বিজ্ঞান কত প্রকার?
সঠিক উত্তর হলো 'দুই প্রকার'। বিষয়বস্তুর বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞানকে মূলত আকারগত বিজ্ঞান (Formal Science) এবং বস্তুগত বিজ্ঞান (Material Science)—এই দুটি প্রধান ও মৌলিক ভাগে ভাগ করা হয়। অন্যদিকে, তিন, চার বা পাঁচ প্রকারের বিভাজন বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে বিজ্ঞানের কোনো প্রামাণ্য দার্শনিক বা যৌক্তিক শ্রেণিবিভাগ হিসেবে স্বীকৃত নয়। তাই অপশন ২ (তিন প্রকার), অপশন ৩ (চার প্রকার) এবং অপশন ৪ (পাঁচ প্রকার) সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও তথ্যগতভাবে ভুল। লজিক্যাল এলিমিনেশনের মাধ্যমে সঠিক উত্তরটিই কেবল সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়।
22.
বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে বিজ্ঞানের রূপ হলো-
সঠিক উত্তর হলো 'i ও iii' অর্থাৎ আকারগত এবং বস্তুগত বিজ্ঞান। বিষয়বস্তুর দিক থেকে বিজ্ঞানকে কেবল আকারগত (Formal) এবং বস্তুগত (Material) এই দুটি নির্দিষ্ট ভাগে বিভক্ত করা হয়। আকারগত বিজ্ঞান চিন্তার অবৈষয়িক কাঠামো নিয়ে এবং বস্তুগত বিজ্ঞান বাস্তব জগতের সত্য নিয়ে কাজ করে। অন্যদিকে, আদর্শগত (Normative) বিজ্ঞান হলো লক্ষ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞানের একটি শ্রেণিবিভাগ, সরাসরি বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নয়। তাই 'ii' অন্তর্ভুক্ত আছে এমন সব অপশন (অপশন ১, অপশন ৩ এবং অপশন ৪) যৌক্তিকভাবে ভুল এবং বৈজ্ঞানিকভাবে বাতিলযোগ্য।
23.
বৈধ যুক্তি হতে অবৈধ যুক্তিকে পৃথক করার নীতি বা পদ্ধতিকে যুক্তিবিদ্যা বলে- উক্তিটি কার?
সঠিক উত্তর হলো 'আই. এম. কপি'। আধুনিককালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ যুক্তিবিদ আরভিং এম. কপি তাঁর 'Introduction to Logic' গ্রন্থে যুক্তিবিদ্যার এই সবচেয়ে নিখুঁত, গ্রহণযোগ্য এবং আধুনিক সংজ্ঞাটি প্রদান করেছেন। অন্যদিকে, অ্যারিস্টটল মূলত অবরোহ অনুমানের নিয়মাবলি নিয়ে কাজ করেছেন, এই সুনির্দিষ্ট আধুনিক সংজ্ঞাটি তাঁর নয়, তাই অপশন ১ ভুল। ওয়েলটন এবং যোসেফ যুক্তিবিদ্যাকে ব্যাপকভাবে চিন্তার বিজ্ঞান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন, সুনির্দিষ্ট বৈধ-অবৈধ পৃথকীকরণের নীতি হিসেবে নয়, ফলে অপশন ২ ও ৪ বাতিল। সুতরাং অন্যান্য বিকল্পগুলো তথ্যগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
24.
মিল যুক্তিবিদ্যাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন-
সঠিক উত্তর হলো 'i ও ii' অর্থাৎ বিজ্ঞান এবং কলা হিসেবে। প্রখ্যাত দার্শনিক জন স্টুয়ার্ট মিল তাঁর যুক্তিবিদ্যার আলোচনায় স্পষ্ট করেছেন যে যুক্তিবিদ্যা একই সাথে সঠিক চিন্তার নিয়মাবলি আবিষ্কার করে (যা বিজ্ঞানের কাজ) এবং সেই নিয়মগুলোকে বাস্তব যুক্তিতে প্রয়োগ করতে শেখায় (যা কলার কাজ)। অন্যদিকে, অবধারণ (iii) হলো একটি মানসিক প্রক্রিয়া, এটি যুক্তিবিদ্যার সামগ্রিক স্বীকৃতি বা শাস্ত্রীয় রূপ নয়। তাই অবধারণকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন সব অপশন (অপশন ২, ৩ এবং ৪) যৌক্তিকভাবে ভুল এবং বাতিলযোগ্য।
25.
মিল যে গ্রন্থে যুক্তিবিদ্যার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন-[NU-Humanities: 13-14]
সঠিক উত্তর হলো 'A System of Logic'। দার্শনিক জন স্টুয়ার্ট মিল ১৮৪৩ সালে তাঁর এই বিখ্যাত গ্রন্থে আরোহ যুক্তিবিদ্যা এবং বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছেন। অন্যদিকে, 'An Introduction to Logic' হলো আই. এম. কপির অত্যন্ত বিখ্যাত বই, মিলের নয়, তাই অপশন ১ ভুল। 'Method of Logic' এবং 'An Outline of Logic' নামে মিলের লেখা কোনো প্রামাণ্য যুক্তিবিদ্যার গ্রন্থ নেই, এগুলো অবাস্তব নাম। তাই অপশন ৩ ও ৪ যৌক্তিকভাবে সম্পূর্ণ বাতিলযোগ্য।
26.
যুক্তিবিদ্যা একটি-
সঠিক উত্তর হলো 'ক+খ' অর্থাৎ বিজ্ঞান ও কলা উভয়ই। মিল এবং হোয়েটলির মতো বিখ্যাত যুক্তিবিদদের মতে, যুক্তিবিদ্যা চিন্তার সঠিক নিয়মাবলি আবিষ্কার করে বলে এটি একটি বিজ্ঞান এবং সেই আবিষ্কৃত নিয়মগুলোকে বাস্তব যুক্তিতে নির্ভুলভাবে প্রয়োগ করতে শেখায় বলে এটি একটি কলা। অন্যদিকে, একে কেবল 'কলা' (অপশন ১) বা কেবল 'বিজ্ঞান' (অপশন ২) বলা চরম অসম্পূর্ণ ও একপেশে হবে। তাই পূর্ণাঙ্গ ও সর্বজনীন সত্য হিসেবে অপশন ৩ সঠিক এবং অন্যান্য বিকল্পগুলো যৌক্তিকভাবে ভুল।
27.
যুক্তিবিদ্যা কোন ধরনের বিজ্ঞান?
সঠিক উত্তর হলো 'আদর্শনিষ্ঠ'। যুক্তিবিদ্যা হলো একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান (Normative Science), কারণ এটি সত্যের চূড়ান্ত আদর্শকে সামনে রেখে আমাদের যুক্তি ও চিন্তার কঠোর মূল্যায়ন করে এবং বৈধ ও অবৈধ যুক্তির পার্থক্য নির্দেশ করে। অন্যদিকে, এটি বস্তুনিষ্ঠ বা সদর্থক বিজ্ঞান (Positive Science) নয় কারণ এটি কেবল ঘটনার সাধারণ বর্ণনা দেয় না, তাই অপশন ১ ভুল। বিজ্ঞান কখনোই কেবল নঞর্থক বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হতে পারে না, ফলে অপশন ২ বাতিল। নন্দনতত্ত্ব সৌন্দর্যের আদর্শ নিয়ে কাজ করে, তাই অপশন ৪ যৌক্তিকভাবে ভুল।
28.
যুক্তিবিদ্যাকে কলাবিদ্যা বলা হয় কেন?
সঠিক উত্তর হলো 'জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করে বলে'। কলাবিদ্যা (Art) বলতে বোঝায় কোনো তাত্ত্বিক নিয়ম বা জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে ব্যবহারিক উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করার দক্ষতা। যুক্তিবিদ্যা চিন্তার নিয়ম শেখায় এবং তা বাস্তবে প্রয়োগ করে নির্ভুল যুক্তি গঠনে সহায়তা করে। অন্যদিকে, তাত্ত্বিক জ্ঞান দেয়া হলো বিজ্ঞানের কাজ, তাই অপশন ২ ভুল। আদর্শের প্রেক্ষিতে মূল্যায়ন করা হলো আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞানের কাজ, কলার নয়, ফলে অপশন ৩ বাতিল। জ্ঞান আহরণ একটি সাধারণ জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া। তাই অন্যান্য অপশনগুলো যৌক্তিকভাবে ভুল।
29.
যুক্তিবিদ্যায় কীসের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ?
সঠিক উত্তর হলো 'প্রতীক'। আধুনিক যুক্তিবিদ্যায় এবং চিন্তার আকারগত বৈধতা সূক্ষ্মভাবে নির্ণয়ে প্রতীক (Symbols) এর ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য। প্রতীকের সাহায্যে দীর্ঘ ও জটিল যুক্তিকে সহজে, সংক্ষেপে ও দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রকাশ এবং বিশ্লেষণ করা যায়, যা গণিতের মতোই নির্ভুল। অন্যদিকে, অক্ষর বা শব্দ কেবল ভাষার সাধারণ উপাদান, এগুলো যুক্তিবিদ্যার কাঠামোগত বিশ্লেষণের জন্য যথেষ্ট সুনির্দিষ্ট নয়, তাই অপশন ১ ও ২ ভুল। যেহেতু একটি সঠিক উত্তর রয়েছে, তাই 'কোনোটিই নয়' (অপশন ৪) যৌক্তিকভাবে বাতিল।
30.
যুক্তিবিদ্যার উপযোগিতা হলো-
সঠিক উত্তর হলো 'i, ii ও iii'। যুক্তিবিদ্যা অধ্যয়নের উপযোগিতা ও ব্যবহারিক গুরুত্ব বহুমুখী। এটি আমাদের বৈধ ও অবৈধ যুক্তির সূক্ষ্ম পার্থক্য করতে শেখায়, আমাদের সামগ্রিক চিন্তা প্রক্রিয়ায় শুদ্ধতা ও শৃঙ্খলা আনয়ন করে এবং যৌক্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে সমাজের যেকোনো অন্ধ বিশ্বাস ও কুসংস্কার দূর করতে সাহায্য করে। তাই কেবল একটি বা দুটি অপশন বেছে নেওয়া অসম্পূর্ণ ও আংশিক হবে। লজিক্যাল এলিমিনেশনের মাধ্যমে এটা স্পষ্ট যে অপশন ১, ২ এবং ৩ বাতিল এবং অপশন ৪ সর্বাপেক্ষা নির্ভুল ও সম্পূর্ণ।
31.
যুক্তিবিদ্যার জনক কাকে বলা হয়? [NU-Humanities: 24-25][NU-Humanities: 11-12][NU-Humanities: 13-14]
সঠিক উত্তর হলো 'অ্যারিস্টটল'। প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল সর্বপ্রথম যুক্তিবিদ্যাকে একটি সুশৃঙ্খল ও বিজ্ঞানসম্মত শাস্ত্র হিসেবে রূপদান করেন। তাঁর 'অর্গানন' গ্রন্থে অবরোহ অনুমানের পদ্ধতিগত আলোচনা আধুনিক যুক্তিবিদ্যার শক্ত ভিত্তি স্থাপন করেছে। অন্যদিকে, সক্রেটিস নৈতিকতা ও সংজ্ঞার ওপর জোর দিলেও পূর্ণাঙ্গ যুক্তিবিদ্যার জনক নন, তাই অপশন ১ ভুল। প্লেটো দ্বান্দ্বিক পদ্ধতির বিকাশ ঘটালেও বিধিবদ্ধ যুক্তিবিদ্যার জনক নন, ফলে অপশন ২ বাতিল। দেকার্ত মূলত আধুনিক গণিত ও বুদ্ধিবাদী দর্শনের জনক, তাই অপশন ৪ ভুল। সুতরাং, অন্যান্য বিকল্পগুলো যৌক্তিকভাবে ভুল প্রমাণিত।
32.
যুক্তিবিদ্যার মূল লক্ষ্য-
সঠিক উত্তর হলো 'i ও ii' অর্থাৎ সত্যকে অর্জন এবং মিথ্যাকে বর্জন। যুক্তিবিদ্যার চূড়ান্ত এবং প্রধান লক্ষ্যই হলো বৈধ যুক্তির সাহায্যে সত্য জ্ঞান উন্মোচন করা এবং অবৈধ যুক্তি ও যেকোনো ভ্রান্তিকে কঠোরভাবে পরিহার করা। অন্যদিকে, নিয়ম প্রণয়ন (iii) যুক্তিবিদ্যার কোনো চূড়ান্ত মূল লক্ষ্য নয়, বরং এটি সত্য অর্জনের জন্য ব্যবহৃত একটি মাধ্যম বা পদ্ধতি মাত্র। তাই নিয়ম প্রণয়নকে মূল লক্ষ্য হিসেবে ধরে নেওয়া অপশন ২, অপশন ৩ এবং অপশন ৪ তথ্যগতভাবে ও যৌক্তিকভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
33.
যুক্তিবিদ্যার মৌলিক নিয়মাবলির নিশ্চয়তা বিধান করে কে?
সঠিক উত্তর হলো 'দর্শন'। যুক্তিবিদ্যাকে দর্শনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা হিসেবে ধরা হয়। আমাদের চিন্তার মূলনীতি বা যৌক্তিক নিয়মাবলির গভীর যৌক্তিকতা ও নিশ্চয়তা মূলত জ্ঞানতত্ত্ব এবং অধিবিদ্যা—অর্থাৎ ব্যাপক দর্শনের মাধ্যমেই প্রমাণিত ও সুনিশ্চিত হয়। অন্যদিকে, গণিত নিজেই কিছু স্বতঃসিদ্ধের ওপর নির্ভরশীল, এটি যুক্তিবিদ্যার প্রাথমিক নিশ্চয়তা দেয় না, তাই অপশন ২ ভুল। প্রতীক কেবল প্রকাশের একটি বাহ্যিক মাধ্যম, নিশ্চয়তার ভিত্তি নয়, ফলে অপশন ৩ বাতিল। যুক্তি তো যুক্তিবিদ্যারই আলোচ্য বিষয়। তাই অন্যান্য অপশন ভুল।
34.
যুক্তিবিদ্যার শ্রেণীবিভাগ কোনটি? [NU-Humanities: 11-12]
সঠিক উত্তর হলো 'অবরোহ, আরোহ, প্রতীকী'। যুক্তিবিদ্যাকে পদ্ধতি ও যুগ ভেদে প্রধানত এই তিনটি মৌলিক শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়, যেখানে অবরোহ ও আরোহ প্রাচীনকাল থেকে এবং প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা আধুনিককালে বিকশিত হয়েছে। অন্যদিকে, 'সাবেকী, বর্তমান, সাম্প্রতিক' কোনো বিজ্ঞানসম্মত ও প্রামাণ্য যৌক্তিক শ্রেণিবিভাগ নয়, তাই অপশন ১ ভুল। 'জরিপ, পরিসংখ্যান, গাণিতিক' মূলত সামাজিক বিজ্ঞান, গবেষণা ও গণিতের শাখা, যুক্তিবিদ্যার নয়, ফলে অপশন ৩ বাতিল। 'পাশ্চাত্য, প্রাচ্য, ভারতীয়' হলো দর্শনের ভৌগোলিক শাখা, যুক্তিবিদ্যার নয়। তাই অন্যান্য অপশনগুলো যৌক্তিকভাবে ভুল।
35.
যৌক্তিক চিন্তার মূলসূত্র কয়টি?[NU-Humanities: 10-11]
সঠিক উত্তর হলো '২টি'। সনাতন যুক্তিবিদ্যার মূল ভিত্তি হিসেবে অভেদ নিয়ম (Law of Identity) এবং বিরোধবাধক নিয়ম (Law of Contradiction)—এই দুটি প্রাথমিক সূত্রকে অত্যন্ত মৌলিক হিসেবে ধরা হয় যা চিন্তার মূল কাঠামো গঠন করে। অন্যদিকে, ৪টি সূত্র মূলত লাইবনিজ পরবর্তী সময়ে যুক্ত করা রূপ, যা প্রাথমিক মূলসূত্র হিসেবে সর্বজনীন নয়, তাই প্রদত্ত উত্তরমালায় এটি অপশন ১ হিসেবে ভুল। ৬টি এবং ৫টি সূত্র যুক্তিবিদ্যার ইতিহাসে স্বীকৃত কোনো নিয়মের সংখ্যা নয়। তাই এলিমিনেশন প্রক্রিয়ায় অপশন ৩ ও ৪ ভিত্তিহীন।
36.
যৌক্তিক সঙ্গার কাজ হলো- [NU-Humanities: 10-11]
সঠিক উত্তর হলো 'পদের অর্থ স্পষ্ট করা'। যৌক্তিক সংজ্ঞার (Logical Definition) প্রধান ও একমাত্র কাজ হলো কোনো পদের সম্পূর্ণ যত্ত্যর্থ বা মূল অর্থকে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করা, যাতে কোনো অস্পষ্টতা বা দ্ব্যর্থতা না থাকে। অন্যদিকে, কেবল পদের বিবরণ প্রদান করলে তা সাধারণ বর্ণনা হয়ে যায়, যৌক্তিক সংজ্ঞা নয়, তাই অপশন ১ ভুল। পদকে বিশেষায়িত করা সংজ্ঞার কাজ নয়, এটি পদের পরিধিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে কমিয়ে দেয়, ফলে অপশন ৩ বাতিল। যেহেতু একটি সঠিক উত্তর রয়েছে, তাই 'কোনটিই নয়' (অপশন ৪) যৌক্তিকভাবে ভুল।
37.
লজিক বা তর্কশাস্ত্রের (যুক্তিবিদ্যার) জন্ম কোন দেশে?
সঠিক উত্তর হলো 'গ্রিস'। যুক্তিবিদ্যার একটি বিধিবদ্ধ, সুশৃঙ্খল ও স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে জন্ম ও বিকাশ ঘটেছিল প্রাচীন গ্রিসে। প্রখ্যাত দার্শনিক অ্যারিস্টটল তাঁর 'অর্গানন' গ্রন্থের মাধ্যমে এই শাস্ত্রের বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক ভিত্তি স্থাপন করেন। অন্যদিকে, প্রাচীন চীন বা ভারতীয় দর্শনে যুক্তির চর্চা থাকলেও তা স্বাধীন বিজ্ঞান হিসেবে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই অপশন ২ ভুল। জার্মানি বা ইংল্যান্ড আধুনিক দর্শনের অন্যতম কেন্দ্র হলেও প্রাচীন যুক্তিবিদ্যার জন্মস্থান মোটেও নয়। সুতরাং, লজিক্যাল এলিমিনেশন দ্বারা অন্যান্য অপশনগুলো তথ্যগতভাবে বাতিলযোগ্য।