Build Your Own MCQ Self Test

Pick any MCQ chapters and get a random test of questions.

Sign In to Start

Practice Questions

Total Questions: 37

1.
D = f(P) অপেক্ষকটিতে কোনটি স্বাধীন চলক?
D = f(P) সমীকরণটি নির্দেশ করে যে, চাহিদা (Demand বা D) নির্ভর করে দামের (Price বা P) ওপর। এখানে দাম (P) এর মান আগে নির্ধারিত হয় বা স্বাধীনভাবে পরিবর্তিত হয়, এবং তার ওপর ভিত্তি করে চাহিদার (D) মান নির্ধারিত হয়। তাই যে চলকের মান স্বাধীনভাবে বসে তা হলো স্বাধীন চলক (Independent Variable), অর্থাৎ P (দাম)। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: D (চাহিদা) হলো অধীন চলক, কারণ তা দামের ওপর নির্ভর করে। f নির্দেশ করে ফাংশন বা নির্ভরশীলতার সম্পর্ক, এটি কোনো চলক নয়।
2.
Qd = 40-5P, এখানে চাহিদা সমীকরণটির ঢাল কত?
একটি সরলরৈখিক চাহিদা সমীকরণ সাধারণত Qd = a - bP আকারে প্রকাশ করা হয়, যেখানে 'Qd' হলো চাহিদার পরিমাণ, 'P' হলো দাম, 'a' হলো ধ্রুবক (ছেদক), এবং '-b' হলো রেখাটির ঢাল (Slope) যা দাম ও চাহিদার বিপরীত সম্পর্ক নির্দেশ করে। প্রদত্ত সমীকরণ Qd = 40 - 5P-তে, 'P' এর সহগ হলো -5। এই -5-ই হলো সমীকরণটির ঢাল, যা নির্দেশ করে দাম ১ একক বাড়লে চাহিদা ৫ একক কমে। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। 40 হলো ছেদক, P হলো চলক এবং 5 হলো কেবল একটি মান, ঋণাত্মক চিহ্ন ছাড়া ঢাল অসম্পূর্ণ, তাই বাকিগুলো ভুল।
3.
Qd= ৬০ - ১০ p, Qs= ৩০ + ৫ p এখানে ভারসাম্য পরিমাণ কত?
ভারসাম্য অবস্থায় Qd = Qs হয়। অর্থাৎ, ৬০ - ১০P = ৩০ + ৫P। বা, ৬০ - ৩০ = ৫P + ১০P। বা, ৩০ = ১৫P। অতএব, P = ২ (ভারসাম্য দাম)। এখন এই ভারসাম্য দাম P=২ কে যেকোনো একটি সমীকরণে বসালে ভারসাম্য পরিমাণ (Q) পাওয়া যাবে। Qd সমীকরণে বসালে: Qd = ৬০ - ১০(২) = ৬০ - ২০ = ৪০। (Qs সমীকরণে বসালেও: ৩০ + ৫(২) = ৩০+১০=৪০ পাওয়া যায়)। তাই ভারসাম্য পরিমাণ ৪০, দ্বিতীয় বিকল্পটি সঠিক। ৩৫, ৪৫, বা ৫০ মানগুলো গাণিতিক হিসাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে ভুল।
4.
অটোমোবাইলস-এর দাম বাড়লে অকটেন-এর চাহিদা রেখার কি পরিবর্তন হতে পারে? [NU-Humanities: 14-15]
অটোমোবাইল (গাড়ি) এবং অকটেন (জ্বালানি) হলো পরস্পর পরিপূরক (Complementary) দ্রব্য, অর্থাৎ একটি ব্যবহার করতে অন্যটি লাগে। গাড়ির দাম বাড়লে মানুষ গাড়ি কম কিনবে। ফলে গাড়ি চালানোর জন্য অকটেনের চাহিদাও কমে যাবে। চাহিদা কমে গেলে পুরো চাহিদা রেখাটি বামদিকে স্থানান্তরিত (Shift left) হয়। তাই প্রথম বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: চাহিদা বাড়লে রেখা ডানে শিফট করে, যা এখানে ঘটবে না। ঢালের পরিবর্তন মূলত একই দ্রব্যের দাম ও চাহিদার আনুপাতিক পরিবর্তনের হার নির্দেশ করে, পরিপূরক দ্রব্যের দামের কারণে রেখার স্থানান্তর ঘটে, ঢালের পরিবর্তন নয়।
5.
অন্য রাশির মানের পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও যে রাশির মানের পরিবর্তন হয় না তাকে কী বলে?
গণিত ও অর্থনীতিতে যে রাশির মান নির্দিষ্ট, অপরিবর্তনীয় এবং যেকোনো অবস্থাতেই বা অন্য রাশির পরিবর্তনের ফলেও স্থির থাকে, তাকে ধ্রুবক (Constant) বলা হয় (যেমন সংখ্যা ১, ৫ বা গাণিতিক ধ্রুবক π)। তাই প্রথম বিকল্পটি সঠিক। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: অপেক্ষক (Function) হলো স্বাধীন ও অধীন চলকের মধ্যকার সম্পর্ক। চলক (Variable) হলো এমন রাশি যার মান পরিবর্তিত হতে পারে। সূচি (Schedule) হলো কোনো গাণিতিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্কের সারণী বা টেবিল। এই তিনটির কোনোটিই 'অপরিবর্তনীয় রাশির' সংজ্ঞা পূরণ করে না।
6.
অসীম বা সম্পূর্ণ স্থিতিস্থাপক চাহিদা রেখা- [NU-Humanities: 13-14]
অসীম বা সম্পূর্ণ স্থিতিস্থাপক চাহিদা (Perfectly Elastic Demand) বলতে এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যেখানে একটি নির্দিষ্ট বা স্থির দামে চাহিদার পরিমাণ অসীম হতে পারে, কিন্তু দাম সামান্য একটু বাড়লেই চাহিদা শূন্য হয়ে যায়। গ্রাফে এই অবস্থাটি দেখালে চাহিদা রেখাটি ভূমি অক্ষের (X-অক্ষ) সাথে সম্পূর্ণ সমান্তরাল একটি সরলরেখা হয়। তাই প্রথম বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: লম্ব অক্ষের সমান্তরাল রেখা সম্পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক চাহিদা নির্দেশ করে। বাম থেকে ডান দিকে নিম্নগামী রেখা সাধারণ চাহিদাবিধি নির্দেশ করে। ঊর্ধ্বগামী রেখা ব্যতিক্রমী চাহিদা (যেমন গিফেন দ্রব্য) নির্দেশ করে।
7.
অসীম স্থিতিস্থাপক চাহিদা রেখা- [NU-Humanities: 11-12]
অসীম বা সম্পূর্ণ স্থিতিস্থাপক চাহিদা (Perfectly Elastic Demand) বলতে এমন অবস্থাকে বোঝায় যেখানে একটি নির্দিষ্ট স্থির দামে চাহিদার পরিমাণ অসীম হয়। গ্রাফ কাগজে এই অবস্থাটি আঁকলে চাহিদা রেখাটি ভূমি অক্ষের (X-অক্ষ) সাথে সম্পূর্ণ সমান্তরাল (Horizontal) একটি সরলরেখা হয়। তাই দ্বিতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: সাধারণ চাহিদাবিধি অনুযায়ী রেখা নিম্নগামী হয়। ব্যতিক্রমী দ্রব্যের ক্ষেত্রে রেখা ঊর্ধ্বগামী হয়। যেহেতু সমান্তরাল রেখাই অসীম স্থিতিস্থাপকতা প্রকাশ করে, তাই অন্য কোনো আকৃতি এখানে গ্রহণযোগ্য নয়।
8.
একঘাত বিশিষ্ট সমীকরণ থেকে যে লেখচিত্র পাওয়া যায় তা- হয়।
গণিতের নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো সমীকরণে চলকগুলোর সর্বোচ্চ ঘাত (Power বা Degree) ১ (এক) হয়, তবে তাকে একঘাত সমীকরণ (Linear Equation) বলা হয়। যেমন y = mx + c। এই ধরনের সমীকরণকে গ্রাফ বা ছক কাগজে স্থাপন করলে বিন্দুগুলো সবসময় একটি সোজা রেখা তৈরি করে। তাই একঘাত সমীকরণ থেকে সর্বদা একটি সরলরেখা (Straight Line) পাওয়া যায়, যা চতুর্থ বিকল্পে বলা হয়েছে। বক্রাকার, বৃত্তাকার বা ত্রিভুজাকার লেখচিত্র পাওয়ার জন্য সমীকরণে চলকের ঘাত ২ (দ্বিঘাত) বা তার বেশি হওয়া আবশ্যক।
9.
একটি দ্রব্যের সর্বোচ্চ মূল্যকে কী বলে?
একজন ভোক্তা বা ক্রেতা কোনো একটি নির্দিষ্ট দ্রব্য থেকে যে পরিমাণ উপযোগ বা তৃপ্তি লাভ করে বলে মনে করে, তার সমপরিমাণ অর্থই সে সর্বোচ্চ খরচ করতে প্রস্তুত থাকে। ক্রেতা এর চেয়ে বেশি দাম দিতে রাজি থাকে না। একজন ক্রেতার এই সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত মূল্যকেই অর্থনীতিতে 'চাহিদা দাম' (Demand Price) বলা হয়। তাই দ্বিতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: যোগান দাম হলো বিক্রেতার প্রত্যাশিত সর্বনিম্ন মূল্য। মোট দাম বা প্রকৃত দাম হলো বাজারের লেনদেনের সাধারণ পরিভাষা, যা ক্রেতার মানসিক সর্বোচ্চ সীমাকে নির্দেশ করে না।
10.
কোন দ্রব্য দু'টির আড়াআড়ি স্থিতিস্থাপকতা শূন্য? [NU-Humanities: 09-10]
আড়াআড়ি স্থিতিস্থাপকতা (Cross Elasticity) পরিমাপ করে একটি দ্রব্যের দামের পরিবর্তনের ফলে অন্য একটি দ্রব্যের চাহিদায় কী প্রভাব পড়ে। যদি দুটি দ্রব্য পরস্পরের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন বা স্বাধীন হয় (Independent Goods), তবে একটির দামের পরিবর্তনে অন্যটির চাহিদায় কোনো প্রভাব পড়ে না, অর্থাৎ আড়াআড়ি স্থিতিস্থাপকতা শূন্য হয়। টিভি এবং চিনির মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: চা-কফি, কলম-পেন্সিল, এবং কোক-সেভেন আপ হলো বিকল্প দ্রব্য (Substitute Goods), যাদের আড়াআড়ি স্থিতিস্থাপকতা ধনাত্মক (Positive) হয়।
11.
কোন দ্রব্যের চাহিদা রেখা ঊর্ধ্বগামী? [NU-Humanities: 09-10]
সাধারণত দাম বাড়লে চাহিদা কমে (চাহিদা রেখা নিম্নগামী হয়)। কিন্তু রবার্ট গিফেন লক্ষ্য করেন, খুব নিম্নমানের বা অত্যাবশ্যকীয় কিছু দ্রব্যের (যেমন আলু বা মোটা চাল) দাম বাড়লে মানুষ উন্নত দ্রব্যের ভোগ কমিয়ে দিয়ে এই নিম্নমানের দ্রব্যটিই বেশি করে কেনে, ফলে দাম বাড়লে চাহিদাও বাড়ে। এই দ্রব্যগুলোকে 'গিফেন দ্রব্য' (Giffen Good) বলে এবং এদের চাহিদা রেখা বাম থেকে ডানে ঊর্ধ্বগামী হয়। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। সাধারণ বা পরিপূরক দ্রব্যের ক্ষেত্রে সাধারণ চাহিদাবিধি কার্যকর থাকায় এদের রেখা নিম্নগামী হয়, তাই এগুলো ভুল।
12.
কোনো দ্রব্যের মোট বিক্রয়যোগ্য পরিমাণকে কী বলে?
কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে একজন বিক্রেতা বা উৎপাদনকারীর কাছে বিক্রির উদ্দেশ্যে কোনো দ্রব্যের যে পরিমাণ পণ্য প্রস্তুত বা জমা থাকে, তাকে ঐ দ্রব্যের 'মজুত' (Stock) বলা হয়। মজুত হলো সম্ভাব্য বিক্রয়ের মোট পরিমাণ, যা থেকে নির্দিষ্ট দামে একটি অংশ বাজারে যোগান হিসেবে ছাড়া হয়। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: চাহিদা ক্রেতার দিক থেকে আসে। যোগান হলো মজুতের সেই নির্দিষ্ট অংশ যা বিক্রেতা বর্তমান দামে বিক্রি করতে ইচ্ছুক। দাম হলো বিনিময়ের অর্থমূল্য।
13.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে ক্রেতার দ্রব্য ক্রয় করার ইচ্ছা ও সামর্থ্যকে কী বলে?
অর্থনীতিতে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট দামে, কোনো ক্রেতার একটি দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, সেই দ্রব্যটি ক্রয় করার মতো আর্থিক সামর্থ্য এবং সেই অর্থ ব্যয় করার সম্মতি—এই তিনের সমন্বিত রূপকেই কার্যকর চাহিদা (Demand) বলা হয়। তাই দ্বিতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: যোগান (Supply) হলো বিক্রেতার বিক্রি করার ইচ্ছা। স্থিতিস্থাপকতা (Elasticity) হলো দামের প্রতি চাহিদার সংবেদনশীলতা। দাম (Price) হলো দ্রব্যের অর্থমূল্য। এই তিনটি বিকল্প ক্রেতার ইচ্ছা ও সামর্থ্যের সংজ্ঞাকে নির্দেশ করে না।
14.
চলককে কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
গণিত এবং অর্থনীতিতে চলক (Variable) বলতে এমন রাশিকে বোঝায় যার মান পরিবর্তিত হতে পারে বা বিভিন্ন মান গ্রহণ করতে পারে। সাধারণত বীজগণিতে চলককে ইংরেজি বর্ণমালার শেষের দিকের অক্ষরগুলো যেমন x, y, z ইত্যাদি দ্বারা প্রকাশ করা হয়। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: ১, ২, ৩ হলো নির্দিষ্ট সংখ্যা, এগুলো চলক নয়। a, b, c, d ইত্যাদিকে সাধারণত সমীকরণে ধ্রুবক (Constant) বা প্যারামিটার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, চলক হিসেবে নয়। যেহেতু প্রথম দুটি ভুল, তাই 'সবগুলোই' বিকল্পটি বাতিল।
15.
চাহিদা রেখা ডানদিকে স্থানান্তরিত হলে ভারসাম্য দাম- [NU-Humanities: 13-14]
অর্থনীতিতে ভারসাম্য দাম নির্ধারিত হয় চাহিদা ও যোগান রেখার ছেদবিন্দুতে। যোগান রেখা স্থির থাকা অবস্থায়, যদি চাহিদা রেখা ডানদিকে স্থানান্তরিত হয় (অর্থাৎ চাহিদা বৃদ্ধি পায়), তবে নতুন ছেদবিন্দুটি পূর্বের তুলনায় উপরের দিকে এবং ডানদিকে স্থাপিত হবে। এর ফলে বাজারে ভারসাম্য দাম বৃদ্ধি পাবে এবং ভারসাম্য পরিমাণও বাড়বে। তাই প্রথম বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: চাহিদা কমলে (বামে শিফট করলে) দাম হ্রাস পায়। চাহিদা পরিবর্তিত হলে যোগান স্থির থাকলে দাম অপরিবর্তিত থাকার কোনো গাণিতিক বা অর্থনৈতিক সুযোগ নেই।
16.
চাহিদা রেখা স্থানান্তরের কারণ কী?
অর্থনীতিতে কোনো দ্রব্যের নিজস্ব দাম স্থির থেকে যদি অন্যান্য নির্ধারকগুলোর (যেমন ভোক্তার আয়, রুচি, বিকল্প বা পরিপূরক দ্রব্যের দাম) পরিবর্তনের কারণে চাহিদার পরিবর্তন ঘটে, তখন তাকে 'চাহিদার হ্রাস-বৃদ্ধি' (Increase or Decrease in Demand) বলা হয়। এর ফলেই সম্পূর্ণ চাহিদা রেখাটি ডানদিকে বা বামদিকে স্থানান্তরিত হয়। তাই চতুর্থ বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: কেবল দামের পরিবর্তনের ফলে একই রেখার ওপর 'চাহিদার সংকোচন-প্রসারণ' ঘটে, রেখা স্থানান্তর হয় না। চাহিদাবিধি হলো দাম ও চাহিদার সাধারণ বিপরীত সম্পর্ক, যা রেখার স্থানান্তর ব্যাখ্যা করে না।
17.
চাহিদা রেখার ঢাল কেমন হয়?
সাধারণ চাহিদাবিধি অনুযায়ী, কোনো দ্রব্যের দাম এবং এর চাহিদার পরিমাণের মধ্যে একটি বিপরীত বা ঋণাত্মক (Negative / Inverse) সম্পর্ক বিদ্যমান। অর্থাৎ, দাম বাড়লে চাহিদা কমে এবং দাম কমলে চাহিদা বাড়ে। এই বিপরীত সম্পর্কের কারণেই সাধারণ চাহিদা রেখা বাম দিক থেকে ডান দিকে নিম্নগামী হয়, যা গাণিতিকভাবে রেখাটির ঋণাত্মক ঢাল (Negative Slope) নির্দেশ করে। তাই দ্বিতীয় বিকল্পটি সঠিক। ধনাত্মক ঢাল যোগান রেখার বৈশিষ্ট্য। সমান বা আনুভূমিক ঢাল সাধারণ চাহিদা রেখার বৈশিষ্ট্য নয়।
18.
চাহিদার বৈশিষ্ট্য কোনটি?
অর্থনীতিতে কোনো ইচ্ছাকে 'চাহিদা' (Demand) হতে হলে তিনটি শর্ত বা বৈশিষ্ট্য অবশ্যই পূরণ করতে হয়: ১. দ্রব্যটি পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকতে হবে, ২. সেটি কেনার মতো পর্যাপ্ত অর্থ বা ক্রয়ক্ষমতা থাকতে হবে, এবং ৩. সেই অর্থটি ব্যয় করার ইচ্ছা থাকতে হবে। এই তিনটি শর্ত পূরণ হলেই তাকে কার্যকর চাহিদা বলা হয়। যেহেতু প্রদত্ত বিকল্পগুলোতে এই তিনটি শর্তই আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই 'সবগুলোই' বিকল্পটি সম্পূর্ণ সঠিক। যেকোনো একটি শর্ত বাদ পড়লে তা কেবল ইচ্ছা বা সামর্থ্য হয়ে থাকবে, পূর্ণাঙ্গ চাহিদা নয়, তাই একক বিকল্পগুলো অসম্পূর্ণ।
19.
চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা বলতে বুঝায়- [NU-Humanities: 13-14]
অর্থনীতির সূত্র অনুযায়ী, 'চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা' (Price Elasticity of Demand) বলতে কোনো দ্রব্যের দামের শতকরা পরিবর্তনের ফলে সেই দ্রব্যের চাহিদার পরিমাণে যে শতকরা পরিবর্তন ঘটে, তার অনুপাতকে বোঝায়। এটি পরিমাপ করে দামের প্রতি চাহিদার সংবেদনশীলতা। তাই চতুর্থ বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: শুধুমাত্র 'পরিবর্তন' (প্রথম বিকল্প) বললে তা গাণিতিক অনুপাত বা শতকরা হার বোঝায় না। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বিকল্পে বলা হয়েছে চাহিদার কারণে দামের পরিবর্তন, যা সম্পূর্ণ উল্টো ধারণা; কারণ দাম হলো স্বাধীন চলক এবং চাহিদা হলো অধীন চলক।
20.
চিনির চাহিদা বাড়লে এবং একই সময়ে এর সরবরাহ কমলে- [NU-Humanities: 12-13]
বাজারে কোনো দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেলে দাম বাড়ার প্রবণতা তৈরি হয়। একই সাথে যদি সরবরাহ বা যোগান হ্রাস পায়, তবে বাজারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয় যা দামকে আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই দাম অবশ্যই বাড়বে। কিন্তু চাহিদার বৃদ্ধি এবং যোগানের হ্রাসের আপেক্ষিক মাত্রার ওপর নির্ভর করে চূড়ান্ত পরিমাণ (Quantity) বাড়তেও পারে বা কমতেও পারে, যা নির্দিষ্ট গাণিতিক মান ছাড়া বলা সম্ভব নয়। তাই প্রথম বিকল্পটি নিখুঁতভাবে সঠিক। দাম কমার কোনো প্রশ্নই আসে না (বিকল্প ২ ভুল)। পরিমাণ নিশ্চিতভাবে কমা বা বাড়ার কথা বলা অবৈজ্ঞানিক (বিকল্প ৩ ও ৪ ভুল)।