Practice Questions

Total Questions: 37

21.
জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে?
জ্বালানি (যেমন তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ) হলো উৎপাদন ব্যবস্থা এবং পরিবহন খাতের প্রধান চালিকাশক্তি। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেলে পণ্য উৎপাদন এবং পণ্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবহনের খরচ বেড়ে যায়। এই বর্ধিত উৎপাদন ও পরিবহন খরচ ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দেয়, ফলে সব ধরনের পণ্যের দাম সামগ্রিকভাবে বেড়ে যায়, যা অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) সৃষ্টি করে। তাই এটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: এটি সরাসরি মন্দা সৃষ্টি করে না। নিত্যপণ্যের দাম বাড়লে স্থির আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, লাভবান হয় না। উৎপাদন খরচ বাড়লে উৎপাদন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, বৃদ্ধি পায় না।
22.
দুই বা ততোধিক চলকের নির্ভরতার সম্পর্ক প্রকাশ করার গাণিতিক মাধ্যমকে বলে?
গণিত এবং অর্থনীতিতে যখন একটি স্বাধীন চলক এবং একটি অধীন চলক (বা একাধিক স্বাধীন চলক) এর মধ্যকার নির্ভরশীলতার সম্পর্ক একটি গাণিতিক সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, তখন সেই গাণিতিক মাধ্যম বা রূপটিকে অপেক্ষক বা ফাংশন (Function) বলা হয়। যেমন D = f(P)। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: চলক রাশি বা ধ্রুব রাশি হলো সমীকরণের একক উপাদান, সম্পর্ক নয়। জোগান বিধি একটি নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক তত্ত্ব, এটি নির্ভরতার সাধারণ গাণিতিক মাধ্যম নয়।
23.
ধরা যাক, একটি দ্রব্যের দাম ১০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৮ টাকা হলো এবং চাহিদার পরিমাণ ৫০ একক থেকে হ্রাস পেয়ে ৪০ একক হলো, তা হলে চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা- [NU-Humanities: 14-15]
চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা (Elasticity of Demand) নির্ণয়ের সূত্র হলো: (চাহিদার পরিবর্তনের পরিমাণ / মূল চাহিদা) ÷ (দামের পরিবর্তনের পরিমাণ / মূল দাম)। এখানে, দামের পরিবর্তন (ΔP) = ১৮ - ১০ = ৮ টাকা। চাহিদার পরিবর্তন (ΔQ) = ৪০ - ৫০ = -১০ একক। মূল দাম (P) = ১০, মূল চাহিদা (Q) = ৫০। স্থিতিস্থাপকতা = (ΔQ/Q) ÷ (ΔP/P) = (-১০/৫০) ÷ (৮/১০) = (-১/৫) × (১০/৮) = -১০/৪০ = -১/৪ = -০.২৫। তাই দ্বিতীয় বিকল্পটি গাণিতিকভাবে সঠিক। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: ০.২৫, ২.৫০ এবং -২.৫০ সূত্র অনুযায়ী হিসাব করলে পাওয়া যায় না। দাম বাড়লে চাহিদা কমে, তাই স্থিতিস্থাপকতার মান সাধারণত ঋণাত্মক হয়, যা কেবল -০.২৫-এ প্রতিফলিত।
24.
ধ্রুবককে কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
গাণিতিক বা অর্থনৈতিক সমীকরণে ধ্রুবক (Constant) বলতে এমন মানকে বোঝায় যা নির্দিষ্ট সমীকরণে অপরিবর্তিত থাকে। যদিও নির্দিষ্ট সংখ্যা (১,২,৩) ধ্রুবক, তবে বীজগণিতীয় সমীকরণের সাধারণ রূপ প্রকাশ করার সময় (যেমন ax + by = c) ধ্রুবক বা প্যারামিটারগুলোকে বোঝাতে সাধারণত ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম দিকের অক্ষর a, b, c, d ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে মানানসই ও সঠিক। অন্যদিকে, x, y, z দ্বারা সবসময় চলক (Variable) প্রকাশ করা হয়, ধ্রুবক নয়। তাই x,y,z সম্বলিত বিকল্প ও 'সবগুলোই' বিকল্পটি ভুল।
25.
নিচের কোনটি চাহিদার নির্ধারক নয়? [NU-Humanities: 14-15]
ভোক্তার আয়, দ্রব্যের নিজস্ব দাম, এবং ভোক্তার রুচি ও পছন্দ হলো একটি দ্রব্যের চাহিদার প্রধান নির্ধারক (Determinants of Demand)। কিন্তু 'প্রযুক্তি' (Technology) মূলত উৎপাদন ব্যয় ও পদ্ধতিকে প্রভাবিত করে, তাই এটি 'যোগান' (Supply)-এর নির্ধারক, চাহিদার নয়। তাই চতুর্থ বিকল্পটি সঠিক উত্তর। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: আয় বাড়লে চাহিদা বাড়ে; দাম বাড়লে চাহিদা কমে; এবং রুচি অনুকূলে থাকলে চাহিদা বাড়ে। এই তিনটি সরাসরি ভোক্তার চাহিদা নির্ধারণের সাথে যুক্ত, তাই এরা চাহিদার নির্ধারক।
26.
নিচের কোনটির পরিবর্তক দ্রব্য নেই? [NU-Humanities: 13-14]
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে লবণের (Salt) কোনো সরাসরি বা নিকট পরিবর্তক বা বিকল্প দ্রব্য (Substitute Good) নেই। খাবারে স্বাদ আনতে লবণের অপরিহার্যতার কোনো বিকল্প মানুষের কাছে নেই। তাই এটি সঠিক উত্তর। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: চায়ের পরিবর্তক হিসেবে মানুষ কফি পান করতে পারে। চালের পরিবর্তক হিসেবে রুটি বা আটা-ময়দাজাত খাবার খাওয়া যেতে পারে। চিনির পরিবর্তক হিসেবে গুড়, মধু বা কৃত্রিম সুইটনার ব্যবহার করা যায়। কিন্তু লবণের এমন কোনো বিকল্প নেই যা খাদ্যে লবণের ঠিক একই অভাব পূরণ করতে পারে।
27.
পরিপূরক দ্রব্যের দাম বৃদ্ধির ফলে মূল দ্রব্যের চাহিদা- [NU-Humanities: 13-14]
পরিপূরক দ্রব্য (Complementary Goods) হলো এমন দুটি দ্রব্য যা একসাথে ব্যবহার করতে হয় (যেমন, গাড়ি ও পেট্রোল)। একটির (যেমন গাড়ির) দাম বৃদ্ধি পেলে সেটির চাহিদা কমে যায়। যেহেতু দ্রব্য দুটি একসাথে ব্যবহৃত হয়, তাই প্রথমটির ব্যবহার কমার ফলে দ্বিতীয় বা মূল দ্রব্যের (যেমন পেট্রোলের) চাহিদাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে হ্রাস পায়। তাই দ্বিতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: পরিপূরক দ্রব্যের দাম বাড়লে ব্যবহার কমে যাওয়ায় মূল দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার বা অপরিবর্তিত থাকার কোনো অর্থনৈতিক যুক্তি নেই।
28.
প্রান্তিক উপযোগ শূন্য হয় যখন মোট উপযোগ- [NU-Humanities: 11-12]
অর্থনীতিতে ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উপযোগ বিধি অনুযায়ী, একজন ভোক্তা কোনো দ্রব্য পর পর ভোগ করতে থাকলে তার মোট উপযোগ (Total Utility) বাড়তে থাকে, কিন্তু প্রান্তিক উপযোগ (Marginal Utility) কমতে থাকে। যখন মোট উপযোগ তার সর্বোচ্চ (Maximum) পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন নতুন করে আর কোনো তৃপ্তি পাওয়ার থাকে না, অর্থাৎ প্রান্তিক উপযোগ শূন্য (Zero) হয়ে যায়। তাই চতুর্থ বিকল্পটি সঠিক। মোট উপযোগ শূন্য, সর্বনিম্ন বা অসীম হওয়ার কোনো যৌক্তিক অর্থনৈতিক অবস্থা নেই যা প্রান্তিক উপযোগকে শূন্য করবে, তাই বাকি বিকল্পগুলো ভুল।
29.
বিক্রেতা যে সর্বনিম্ন মূল্যে দ্রব্য বিক্রয় করতে চায় তাকে কী বলে?
একজন বিক্রেতা বা উৎপাদক তার উৎপাদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করার সময় উৎপাদন খরচ পুষিয়ে নেওয়ার জন্য যে সর্বনিম্ন দাম প্রত্যাশা করে, তার চেয়ে কম দামে সে পণ্য ছাড়তে রাজি হয় না। এই সর্বনিম্ন প্রত্যাশিত মূল্যকেই অর্থনীতিতে 'যোগান মূল্য' (Supply Price) বা যোগান দাম বলা হয়। তাই চতুর্থ বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: চাহিদা মূল্য হলো ক্রেতা সর্বোচ্চ যে দাম দিতে প্রস্তুত। প্রান্তিক মূল্য হলো অতিরিক্ত এক একক উৎপাদনের ব্যয়। প্রকৃত মূল্য হলো বাজারে যে দামে বাস্তবে লেনদেন হয়।
30.
ব্যক্তির আয় বৃদ্ধি পেলে দ্রব্যের চাহিদা রেখার কি হয়? [NU-Humanities: 13-14]
একজন ব্যক্তির আয় বৃদ্ধি পেলে তার ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে, ফলে যেকোনো নির্দিষ্ট দামেই সে পূর্বের চেয়ে বেশি পরিমাণ সাধারণ দ্রব্য ক্রয় করতে পারে। দ্রব্যের দাম অপরিবর্তিত থেকে আয়ের মতো অন্যান্য অবস্থার পরিবর্তনের কারণে চাহিদা বাড়লে, সম্পূর্ণ চাহিদা রেখাটি ডানদিকে বা উপরের দিকে স্থানান্তরিত (Shift right) হয়। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: আয় কমলে রেখা বামদিকে শিফট করে। দ্রব্যের নিজের দামের পরিবর্তন হলে একই চাহিদা রেখার এক বিন্দু থেকে আরেক বিন্দুতে স্থানান্তর (Movement along the curve) ঘটে, আয়ের কারণে নয়।
31.
মূল দ্রব্যের দাম বৃদ্ধির ফলে বিকল্প দ্রব্যের চাহিদা- [NU-Humanities: 14-15]
অর্থনীতির নিয়ম অনুযায়ী, দুটি দ্রব্য যদি পরস্পর বিকল্প (Substitute) হয় (যেমন চা ও কফি), তবে একটির (মূল দ্রব্য, যেমন চা) দাম বৃদ্ধি পেলে ভোক্তারা অপেক্ষাকৃত সস্তা বিকল্প দ্রব্যটির (যেমন কফি) দিকে ঝুঁকে পড়ে। ফলে বিকল্প দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তাই প্রথম বিকল্পটি সঠিক। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: বিকল্প দ্রব্যের দাম আপেক্ষিকভাবে সস্তা হওয়ায় এর চাহিদা হ্রাস পাওয়ার কোনো কারণ নেই। মানুষের ভোগের পরিমাণ বিকল্প দ্রব্যে স্থানান্তরিত হওয়ায় চাহিদা অপরিবর্তিত থাকে না। যেহেতু প্রথম বিকল্পটি অর্থনীতি দ্বারা প্রমাণিত, তাই 'উপরের কোনোটিই নয়' বিকল্পটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।
32.
যোগান ও দামের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক প্রকাশ করে-
অর্থনীতিতে দ্রব্যের দাম এবং যোগানের মধ্যে যে সমমুখী বা সরাসরি (Direct) সম্পর্ক রয়েছে (দাম বাড়লে যোগান বাড়ে, দাম কমলে যোগান কমে), তা জ্যামিতিক বা গ্রাফিক্যালভাবে যার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাকে যোগান রেখা (Supply Curve) বলে। এই রেখাটি বাম থেকে ডানে ঊর্ধ্বগামী হয়ে এই সরাসরি সম্পর্কটি চিত্রায়িত করে। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: দ্রব্যের দাম বা দ্রব্যের যোগান হলো চলক, এরা নিজেরা সম্পর্ক প্রকাশ করে না। বিক্রেতা হলো বাজার অংশগ্রহণকারী, সম্পর্ক প্রকাশের মাধ্যম নয়।
33.
যোগানের পেছনে কোন উপাদানটি কাজ করে? [NU-Humanities: 11-12]
কোনো দ্রব্যের যোগান বা সরবরাহ (Supply) মূলত উৎপাদনকারী বা বিক্রেতার সাথে সম্পর্কিত। যোগানের নির্ধারক উপাদানগুলো হলো উৎপাদন ব্যয়, প্রযুক্তি, কাঁচামালের দাম ইত্যাদি। প্রদত্ত বিকল্পগুলোতে ভোক্তার আয়, বিজ্ঞাপন এবং ভোক্তার পছন্দ দেওয়া আছে—যা মূলত চাহিদার (Demand) নির্ধারক উপাদান, যোগানের নয়। যেহেতু প্রদত্ত কোনো বিকল্পই যোগানের নির্ধারক নয়, তাই 'কোনোটাই নয়' বিকল্পটিই সঠিক উত্তর। অন্য বিকল্পগুলো সরাসরি ভোক্তার ক্রয় আচরণের সাথে যুক্ত, উৎপাদন বা সরবরাহের সাথে নয়।
34.
যোগানের স্থিতিস্থাপকতা কয় ধরনের?
যোগানের স্থিতিস্থাপকতা (Elasticity of Supply) বলতে দামের পরিবর্তনের ফলে যোগানের পরিমাণের পরিবর্তনের হারকে বোঝায়। এটিকে গাণিতিক মানের ভিত্তিতে প্রধানত পাঁচ (৫) ভাগে ভাগ করা হয়: ১. একক স্থিতিস্থাপক (Es=1), ২. অসীম স্থিতিস্থাপক (Es=∞), ৩. সম্পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক (Es=0), ৪. এককের চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপক (Es>1), এবং ৫. এককের চেয়ে কম স্থিতিস্থাপক (Es<1)। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্য সংখ্যাগত বিকল্পগুলো (তিন, চার, ছয়) অর্থনীতির প্রতিষ্ঠিত পাঠ্যক্রমের শ্রেণিবিভাগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাই সেগুলো ভুল।
35.
সঞ্চয় একটি___অর্থনৈতিক চলক। শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
অর্থনীতিকে দুটি প্রধান শাখায় ভাগ করা হয়: ব্যষ্টিক (Micro) এবং সামষ্টিক (Macro)। একটি দেশের মোট সঞ্চয়, মোট আয়, মোট বিনিয়োগ, জাতীয় আয়, কর্মসংস্থান ইত্যাদি বিষয়গুলো হলো সামষ্টিক অর্থনীতির আলোচনার বিষয়, কারণ এগুলো পুরো অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। তাই সঞ্চয় (জাতীয় বা সামগ্রিক অর্থে) একটি সামষ্টিক (Macroeconomic) চলক। তাই তৃতীয় বিকল্পটি সঠিক। ব্যক্তিগত সঞ্চয় ব্যষ্টিক হলেও সাধারণ অর্থে সঞ্চয় বলতে সামষ্টিক চলককেই বোঝানো হয়। স্বাধীন বা অধীন চলক হলো গাণিতিক সম্পর্কের প্রকারভেদ, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
36.
সাধারণভাবে যদি কোনো দ্রব্যের দাম কমে এবং ভবিষ্যতে আরও কমার সম্ভাবনা থাকে, তবে চাহিদার পরিমাণ-
সাধারণ চাহিদাবিধি অনুযায়ী বর্তমান দাম কমলে চাহিদা বাড়ার কথা। কিন্তু যদি ভোক্তার এমন প্রত্যাশা থাকে যে ভবিষ্যতে দাম 'আরও' কমবে, তখন সে বর্তমানের কম দামেও পণ্যটি ক্রয় স্থগিত রাখে এবং ভবিষ্যতের আরও সস্তা দামের জন্য অপেক্ষা করে। ফলে বর্তমানের চাহিদার পরিমাণ বৃদ্ধি না পেয়ে বরং কমে যায়। তাই দ্বিতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্যগুলো ভুল কারণ: ভবিষ্যতে আরও কমার সম্ভাবনা থাকলে বর্তমানে মানুষ পণ্যটি বেশি কিনে মজুত করবে না, তাই চাহিদা বাড়বে না। স্থির থাকার বা একেবারে শূন্য হয়ে যাওয়ার মতো চরম অবস্থা সাধারণত বাজারে ঘটে না।
37.
স্বাধীন ও অধীন চলকের সম্পর্ক জ্যামিতিক আকারে প্রকাশ করা হলে তাকে কী বলে?
যখন স্বাধীন চলক এবং অধীন চলকের মধ্যকার নির্ভরশীলতার গাণিতিক সম্পর্ক বা অপেক্ষকের মানগুলোকে বিন্দু আকারে বসিয়ে গ্রাফ কাগজ বা জ্যামিতিক তলে একটি রেখা বা চিত্র অঙ্কন করা হয়, তখন সেই জ্যামিতিক প্রকাশকে লেখচিত্র বা গ্রাফ (Graph) বলা হয়। তাই দ্বিতীয় বিকল্পটি সঠিক। অন্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: অপেক্ষক হলো গাণিতিক বা বীজগাণিতিক প্রকাশ। ধ্রুবক হলো অপরিবর্তনীয় মান। চলক সূচি হলো সম্পর্কটির একটি সারণী বা টেবিল আকারে প্রকাশ (Schedule), জ্যামিতিক আকার নয়।