Subjects & Chapters

Practice Questions

Total Questions: 222

181.
যখন আমরা নিজ ব্যবহারের জন্য ব্যবসা হতে পণ্য গ্রহণ করি তখন আমাদের উচিত-[NU-Business: 01-02]
[NU-Business: 01-02] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এ। মালিক কারবার থেকে পণ্য নিলে ব্যবসায়ের জন্য কেনা পণ্যের পরিমাণ কমে যায়, তাই খরচ কমার কারণে ক্রয় হিসাব ক্রেডিট হয়। আর এর ফলে মালিকের অধিকার কমে যায় বলে উত্তোলন হিসাব ডেবিট হয়। অন্যদিকে, বিকল্প বি-তে জাবেদাটি সম্পূর্ণ উল্টো, যা হিসাব নীতির পরিপন্থী। বিকল্প সি এবং ডি-তে মজুত হিসাব ক্রেডিট করা হয়েছে, যা অবিরত মজুত পদ্ধতিতে হলেও সনাতন পদ্ধতিতে ক্রয় ক্রেডিট হয় এবং ডি-তে বিক্রয় ডেবিট করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। তাই অপর বিকল্পগুলো ভুল।
182.
যখন উদ্বৃত্ত পরবর্তী পৃষ্ঠায় স্থানান্তরিত হয় তখন হবে-
হিসাবরক্ষণে যখন খতিয়ান বা নগদান বইয়ের একটি পৃষ্ঠার জায়গা শেষ হয়ে যায়, তখন সেই পৃষ্ঠার ডেবিট ও ক্রেডিট দিকের যোগফল বা উদ্বৃত্তকে পরবর্তী পৃষ্ঠার শুরুতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ওই পৃষ্ঠার নিচে 'c/f' (Carried Forward) বা 'c/o' (Carried Over) লেখা হয় (প্রশ্নের অপশন অনুযায়ী C সঠিক)। অন্যদিকে, কোনো হিসাবের ব্যালেন্স বা জের টানার সময় c/d (Carried Down - অপশন A) লেখা হয়। বিগত পৃষ্ঠা থেকে ব্যালেন্স আনলে b/f (Brought Forward - অপশন D) লেখা হয়। তাই অন্যগুলো ভুল।
183.
যদি কোন ক্রেতা ধারে পণ্য ফেরত দেয়, তবে তা যে বইতে লিপিবদ্ধ হবে, তা হলো-[NU-Business: 05-06]
[NU-Business: 05-06] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো সাধারণ জাবেদা। যখন কোনো বিশেষ জাবেদা (যেমন বিক্রয় ফেরত জাবেদা) সংরক্ষিত না থাকে, তখন ধারে পণ্য ফেরত সংক্রান্ত লেনদেনগুলো সরাসরি সাধারণ বা প্রকৃত জাবেদায় লিপিবদ্ধ করতে হয়। অন্যদিকে, নগদ প্রদান (বিকল্প এ) বা নগদ প্রাপ্তি জাবেদায় (বিকল্প ডি) শুধুমাত্র নগদ অর্থের আদান-প্রদান লেখা হয়। বিক্রয় জাবেদায় (বিকল্প সি) কেবল ধারে বিক্রয়ের হিসাব রাখা হয়, ফেরত নয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো হিসাবরক্ষণের নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
184.
যদি পণ্যদ্রব্য দাতব্য প্রতিষ্ঠানে প্রদান করা হয় তাহলে কোনটি ক্রেডিট করতে হবে? [HSTU: 13-14]
ব্যবসায়ের ক্রয়কৃত পণ্য যদি বিক্রি না করে দাতব্য প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে প্রদান (দান) করা হয়, তবে কারবারের ব্যয় হিসেবে 'দান হিসাব' ডেবিট হয়। যেহেতু পণ্য চলে যাওয়ার ফলে ব্যবসায়ের মোট ক্রয়ের পরিমাণ বা নিট ব্যয় হ্রাস পায়, তাই সমন্বয় সাধনের জন্য 'ক্রয় হিসাব' ক্রেডিট করতে হয় (অপশন C)। এখানে কোনো নগদ অর্থের লেনদেন হয়নি তাই নগদান হিসাব (অপশন A) আসবে না। দাতব্য প্রতিষ্ঠান (অপশন B) বা বিক্রয় হিসাব (যেহেতু এটি বিক্রি নয়) ক্রেডিট হবে না (অপশন D)। তাই অন্যগুলো ভুল।
185.
যে সকল হিসাবে সাধারণত ডেবিট উদ্বৃত্ত থাকে তা হলো- [RU: B: 18-19]
কর্পোরেট হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসায়ের সকল প্রকার সম্পদ, নিয়মিত পরিচালন ব্যয় এবং শেয়ারহোল্ডারদের প্রদত্ত লভ্যাংশ (যা মালিকানাস্বত্ব হ্রাস করে) হিসাবগুলো বৃদ্ধি পেলে ডেবিট হয় এবং বছর শেষে খতিয়ানে ডেবিট উদ্বৃত্ত প্রকাশ করে (অপশন D)। অপরদিকে আয় (অপশন A), পরিশোধিত মূলধন (অপশন B) এবং দায় (অপশন C) হিসাবগুলো ক্রেডিট প্রকৃতির এবং এগুলো ক্রেডিট উদ্বৃত্ত প্রকাশ করে। যেহেতু এ, বি এবং সি অপশনে ডেবিট ও ক্রেডিট হিসাবের ভুল সংমিশ্রণ রয়েছে, তাই এগুলো সঠিক উত্তর হতে পারে না।
186.
যে সমস্ত লেনদেন অন্য কোনো প্রাথমিক বা সহকারী বইতে লিপিবদ্ধ করা যায় না, সেগুলো যে বইতে লিপিবদ্ধ করা হয়, তাকে বলে- [NU-Business: 06-07]
[NU-Business: 06-07] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো প্রকৃত জাবেদা (Journal Proper)। যেসব আর্থিক লেনদেন (যেমন অবচয়, ধারে সম্পত্তি ক্রয়, ভুল সংশোধনী) ক্রয় জাবেদা, বিক্রয় জাবেদা বা নগদান বইয়ের মতো বিশেষ জাবেদায় লিপিবদ্ধ করার সুযোগ থাকে না, তাদের প্রকৃত বা সাধারণ জাবেদায় লেখা হয়। অন্যদিকে, দৈনিক বই (বিকল্প এ) জাবেদার একটি সাধারণ নাম মাত্র। বিশেষ জাবেদায় (বিকল্প বি) নির্দিষ্ট লেনদেন বসে। বিক্রয় বইতে (বিকল্প ডি) শুধু ধারে পণ্য বিক্রয় লেখা হয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
187.
যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট পাওনা বা প্রাপ্য থাকে তাকে বলে- [BSMRSTU: 12-13]
ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে, বিশেষ করে ধারে পণ্য বিক্রয় বা সেবা প্রদানের ফলে প্রতিষ্ঠান যাদের নিকট থেকে ভবিষ্যতে আইনগতভাবে অর্থ পাওয়ার অধিকার রাখে বা অর্থ প্রাপ্য থাকে, হিসাববিজ্ঞানের পরিভাষায় তাদেরকে দেনাদার বা প্রাপ্য হিসাব (Debtors Account) বলা হয় (অপশন C)। অন্যদিকে, ব্যবসায় যাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকে তাদের পাওনাদার বা Creditors (অপশন B) বলে। Personal account (অপশন A) ও Nominal account (অপশন D) হলো হিসাবের প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাস মাত্র, নির্দিষ্ট প্রাপ্য অধিকার নয়। তাই অন্য অপশনগুলো সংজ্ঞাগতভাবে ভুল।
188.
যে-সব হিসাবের ডেবিট জের থাকে সেগুলো হলো? [DU: 99-00]
হিসাববিজ্ঞানের সমীকরণ অনুযায়ী, সম্পদ বৃদ্ধি, মালিক কর্তৃক উত্তোলন বৃদ্ধি (যা মালিকানাস্বত্ব কমায়) এবং যাবতীয় ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ডেবিট হয় এবং খতিয়ানে এরা ডেবিট জের বা ব্যালেন্স প্রদর্শন করে (অপশন D)। অপরদিকে রাজস্ব আয় (অপশন A), মালিকের মূলধন (অপশন B) এবং দায় (অপশন C) বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট হয় এবং এরা সর্বদা ক্রেডিট জের প্রদর্শন করে। যেহেতু অপশন এ, বি এবং সি তে ক্রেডিট জের প্রকাশকারী হিসাবসমূহের অস্তিত্ব রয়েছে, তাই এলিমিনেশন পদ্ধতিতে এই অপশনগুলো ভুল বলে প্রমাণিত হয়।
189.
যে-সব হিসাবের স্বাভাবিকভাবে ক্রেডিট জের হয়:
হিসাববিজ্ঞানের মৌলিক সমীকরণ (Assets = Liabilities + Owner's Equity) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কারবারের বহিদায়, অর্জিত আয় এবং মালিকের মূলধন হিসাবসমূহ ব্যবসায়ের ক্রেডিট দিককে প্রভাবিত করে। এরা বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট হয় এবং খতিয়ানে এদের স্বাভাবিক জের সর্বদা ক্রেডিট হয় (অপশন D)। অপশন A-তে ব্যয়, অপশন B-তে মালিকের উত্তোলন এবং অপশন C-তে সম্পত্তি ও ব্যয় হিসাবের উল্লেখ রয়েছে, যাদের স্বাভাবিক জের ডেবিট। ডেবিট উপাদানের মিশ্রণ থাকায় এলিমিনেশন পদ্ধতিতে অন্য তিনটি বিকল্প সহজেই বাতিলযোগ্য।
190.
লেনদেন প্রাথমিকভাবে লেখা হয়। [MBSTU-D: 17-18]
কোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক লেনদেন সংঘটিত হওয়ার পর হিসাববিজ্ঞানের ধারাবাহিক নিয়ম অনুযায়ী সেটিকে সর্বপ্রথম ডেবিট-ক্রেডিট বিশ্লেষণ করে, তারিখের ক্রমানুসারে এবং সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ যে হিসাবের প্রাথমিক ও মৌলিক বইতে রেকর্ড করা হয়, তাকে 'জাবেদা' (Journal) বা প্রাথমিক দাখিলার বই বলা হয়। তাই অপশন A সঠিক। জাবেদা থেকে পরবর্তীতে খতিয়ানে (B) স্থানান্তর করা হয় এবং বছর শেষে খতিয়ানের জেরাংশ নিয়ে নগদান বহি (C) বা স্থিতিপত্র/উদ্বৃত্ত পত্র (D) প্রস্তুত করা হয়।
191.
শহীদ সাহেব সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহের জন্য ৪০০০ টাকা বেতন অর্জন করেছেন। এ বাবদ নগদ অর্থ তাকে দেয়া হবে অক্টোবরের ২ তারিখের এই জন্য অক্টোবর মাসের জাবেদা হবে: [NU-Business: 11-12]
[NU-Business: 11-12] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো বকেয়া বেতন ডেবিট, নগদান হিসাব ক্রেডিট। সেপ্টেম্বরে বেতন বকেয়া থাকায় 'বকেয়া বেতন' নামক দায় সৃষ্টি হয়েছিল। অক্টোবরে যখন তা নগদে পরিশোধ করা হয়, তখন 'বকেয়া বেতন' দায়টি হ্রাস পায় (ডেবিট) এবং নগদ নামক সম্পদ হ্রাস পায় (ক্রেডিট)। অন্যদিকে, বিকল্প বি হলো সেপ্টেম্বরের বকেয়া সমন্বয় জাবেদা, অক্টোবরের পরিশোধের নয়। বিকল্প সি হলো সরাসরি চলতি মাসের বেতন পরিশোধের জাবেদা। তাই হিসাবের সময়কাল বিবেচনায় অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
192.
সংশোধিত জাবেদা যে বইতে লেখা হয়, তাকে __বলে। [MBSTU-D: 16-17]
হিসাবের বইতে কোনো করণিক ভুল বা নীতিগত ভুল সংঘটিত হলে তা কাটাকাটি না করে জাবেদা দাখিলার মাধ্যমে সংশোধন করা হয়, যাকে সংশোধনী জাবেদা (Rectifying Journal) বলে। বিশেষ জাবেদাগুলোর (ক্রয় বই, বিক্রয় বই, নগদান বই) কোনোটিতেই এই সংশোধনী দাখিলা লেখা যায় না। তাই বিশেষ জাবেদার গণ্ডির বাইরে থাকা এই সংশোধনী দাখিলাসমূহ যে প্রধান ডায়েরি বা বইতে লেখা হয়, তাকে প্রকৃত জাবেদা (Journal Proper) বলা হয়, যা অপশন D সঠিক।
193.
সংশোধিত জাবেদা যে বইতে লেখা হয়, তাকে বলে। [MBSTU-D: 16-17]
হিসাবরক্ষণের প্রক্রিয়ায় হিসাবের বইতে কোনো ভুল সংঘটিত হলে তা সংশোধনের জন্য যে ভুল সংশোধনী জাবেদা (Rectifying Entries) প্রদান করা হয়, তা প্রকৃত জাবেদা বা General Journal-এ লেখা হয় (অপশন D)। কারণ এই ধরনের লেনদেনগুলো কোনো রুটিন বা নিয়মিত ঘটনা নয় যা বিশেষ জাবেদায় (যেমন- ক্রয়বই বা নগদান বই) লেখা যাবে। ক্রয়বই (অপশন B) শুধু ধারে ক্রয়ের জন্য এবং নগদান বই (অপশন C) নগদ লেনদেনের জন্য নির্দিষ্ট। শুধু 'জাবেদা' (অপশন A) শব্দটি সাধারণ, কিন্তু 'প্রকৃত জাবেদা' সুনির্দিষ্ট ও সঠিক।
194.
সকল লেনদেনের চূড়ান্ত গন্তব্যস্থল কোনটি? [JUST-F: 16-17]
ব্যবসায়ে লেনদেন ঘটার পর প্রাথমিকভাবে জাবেদায় লেখা হলেও, স্থায়ী ও পাকাপাকিভাবে প্রতিটি হিসাবখাতকে আলাদা শিরোনামে শ্রেণিবদ্ধ করে খতিয়ানে (Ledger) সংরক্ষণ করা হয়। তাই খতিয়ানকে হিসাবের পাকা বই বা সকল লেনদেনের চূড়ান্ত গন্তব্যস্থল বলা হয় (অপশন D)। সাধারণ জাবেদা (অপশন B) বা বিশেষ জাবেদা (অপশন C) হলো প্রাথমিক বই, চূড়ান্ত নয়। আর্থিক বিবরণী (অপশন A) খতিয়ানের জেরগুলো নিয়ে বছর শেষে তৈরি হয়, এটি লেনদেনের সরাসরি গন্তব্যস্থল নয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
195.
সকল হিসাবের রাজা বলা বলা হয়, কাকে?
হিসাববিজ্ঞানে 'খতিয়ান' (Ledger)-কে সর্বসম্মতিক্রমে 'সকল হিসাবের বইয়ের রাজা' বা 'প্রধান বই' (Principal Book) বলা হয়। কারণ, ব্যবসায়ের যাবতীয় আর্থিক লেনদেন জাবেদায় প্রাথমিকভাবে লেখার পর সেগুলোকে পাকাভাবে শ্রেণিবদ্ধ করে আলাদা আলাদা শিরোনামে খতিয়ানে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়। খতিয়ানের জের বা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই বছর শেষে রেওয়ামিল ও চূড়ান্ত আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করা হয়। তাই এর চূড়ান্ত গুরুত্বের কারণে খতিয়ানকে বইয়ের রাজা বলা হয়, যা অপশন A সঠিক।
196.
সম্পত্তি, দায় এবং মূলধনের ম্যধকার সম্পর্ক প্রকাশ করা হয়- [NU-Business : 01-02]
[NU-Business : 01-02] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো হিসাব সমীকরণের মাধ্যমে। হিসাববিজ্ঞানের সর্বজনীন গাণিতিক সূত্র হলো 'সম্পদ = দায় + মূলধন' (A = L + OE)। এই মৌলিক সমীকরণটিই একটি কারবারের সম্পত্তি, দায় ও মালিকানাস্বত্বের মধ্যকার সুনির্দিষ্ট আর্থিক ও গাণিতিক সম্পর্ক স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে। অন্যদিকে, দ্বৈত সত্তা (বিকল্প এ) হলো প্রতিটি লেনদেনের দুটি পক্ষের ধারণা। উদ্বৃত্তপত্র (বিকল্প সি) একটি বিবরণী, যা সমীকরণের ভিত্তিতে তৈরি হয়। ডেবিট-ক্রেডিট (বিকল্প ডি) হিসাবরক্ষণের কৌশল মাত্র। তাই যৌক্তিকভাবে অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
197.
সরবরাহকারীদের ব্যক্তিগত হিসাবসমূহ পাওয়া যায়- [NU-Business: 02-03]
[NU-Business: 02-03] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ক্রয় খতিয়ানে। যেসব পাওনাদার বা সরবরাহকারীর কাছ থেকে বাকিতে পণ্য ক্রয় করা হয়, তাদের প্রত্যেকের নামে আলাদা করে যে সহকারী খতিয়ান তৈরি করা হয়, তাকে ক্রয় খতিয়ান বা পাওনাদার খতিয়ান বলা হয়। অন্যদিকে, নামিক খতিয়ানে (বিকল্প এ) আয়-ব্যয়ের হিসাব থাকে। সাধারণ খতিয়ানে (বিকল্প বি) পাওনাদারদের মোট নিয়ন্ত্রণ হিসাব থাকে, ব্যক্তিগত নয়। বিক্রয় খতিয়ানে (বিকল্প ডি) দেনাদার বা ক্রেতাদের ব্যক্তিগত হিসাব থাকে। তাই হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী অন্য বিকল্পগুলো সম্পূর্ণ ভুল।
198.
সর্বজনস্বীকৃত হিসাব পদ্ধতি কোনটি? [JES-21]
হিসাবরক্ষণের ইতিহাসে সবচেয়ে বিজ্ঞানসম্মত, স্বয়ংসম্পূর্ণ ও নির্ভুল পদ্ধতি হলো দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি (Double Entry System)। প্রতিটি লেনদেনের দ্বৈতসত্তা বিশ্লেষণের কারণে এই পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী সকল হিসাববিজ্ঞানী ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সর্বজনস্বীকৃত (অপশন B)। একতরফা দাখিলা পদ্ধতি (অপশন A) একটি অসম্পূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতি হওয়ায় এটি স্বীকৃত নয়। দ্বৈত হিসাব পদ্ধতি (অপশন C) হলো সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি পুরনো ও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা। মিশ্র হিসাব পদ্ধতি (অপশন D) প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো স্বীকৃত একক পদ্ধতি নয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
199.
সহকারী খতিয়ানের ক্রেডিট জের দ্বারা কী বুঝায়?
সহকারী খতিয়ান (Subsidiary Ledger) সাধারণত পৃথক পৃথক দেনাদার বা পাওনাদারদের ব্যক্তিগত হিসাবের জন্য রাখা হয়। যখন সহকারী খতিয়ানে 'ক্রেডিট জের' বা ক্রেডিট উদ্বৃত্ত (Credit Balance) প্রকাশ পায়, তখন তার অর্থ হলো কারবারের নিকট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সরবরাহকারী অর্থ পাবে, অর্থাৎ এটি ব্যবসায়ের একটি আর্থিক বাধ্যবাধকতা বা 'দেনা' (Liability) বা পাওনাদারকে নির্দেশ করে। তাই অপশন A সঠিক। দেনাদারের স্বাভাবিক জের ডেবিট হয় যা ব্যবসায়ের পাওনা বা সম্পদকে বোঝায়।
200.
সাধারণত কোন হিসাবটির ক্রেডিট উদ্বৃত্ত থাকে? [DU: 09-10]
হিসাববিজ্ঞানের নীতি অনুসারে, যাবতীয় সম্পদ এবং ব্যয় ডেবিট উদ্বৃত্ত প্রকাশ করে, আর যাবতীয় দায় এবং আয় ক্রেডিট উদ্বৃত্ত প্রকাশ করে। বকেয়া বেতন ব্যবসায়ের জন্য একটি চলতি দায়, কারণ কর্মীদের সেবা নেওয়া হলেও অর্থ পরিশোধ করা হয়নি, তাই এর উদ্বৃত্ত ক্রেডিট হবে (অপশন D)। অন্যদিকে, নগদ তহবিল (অপশন A), আসবাবপত্র (অপশন B) এবং যন্ত্রপাতি (অপশন C) হলো ব্যবসায়ের চলতি ও স্থায়ী সম্পদ। যেহেতু সম্পদ সর্বদা ডেবিট জের প্রকাশ করে, তাই এগুলো ক্রেডিট উদ্বৃত্ত হতে পারে না এবং অপশনগুলো ভুল।