Subjects & Chapters

Practice Questions

Total Questions: 222

141.
নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য ক্রয় করে মোট টাকার পরিমাণ হতে যে বাট্টা দেয়, তাকে বলে-[NU-Business: 05-06]
[NU-Business: 05-06] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো কারবারী বাট্টা (Trade Discount)। বিক্রেতা তার বিক্রয়ের পরিমাণ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে তালিকা মূল্যের ওপর ক্রেতাকে সরাসরি যে ছাড় বা বাট্টা প্রদান করে, তাকে কারবারি বাট্টা বলে। এটি হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ হয় না। অন্যদিকে, নগদ বাট্টা (বিকল্প বি) দ্রুত দেনা আদায়ের জন্য দেওয়া হয়। বকেয়া বাট্টা (বিকল্প সি) নামে হিসাববিজ্ঞানে কোনো স্বীকৃত পরিভাষা নেই। পরিমাণ বাট্টা (বিকল্প ডি) কারবারি বাট্টারই একটি রূপ হলেও প্রাতিষ্ঠানিক উত্তর হিসেবে 'কারবারি বাট্টা'ই সর্বাধিক সঠিক। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
142.
নির্দিষ্ট সময় শেষে ক্রয় ফেরত বহির যোগফল স্থানান্তরিত হয়- [HSTU-C: 15-16]
ক্রয় ফেরত (Purchase Return) হলো ব্যবসায়ের প্রধান পরিচালন ব্যয় 'ক্রয়'-এর একটি বিপরীত বা হ্রাসকারী হিসাব (Contra-Expense Account)। যেহেতু পণ্য ক্রয়ের স্বাভাবিক জের সর্বদা ডেবিট হয়, তাই ক্রয়কৃত পণ্য সরবরাহকারীকে ফেরত দিলে খরচের পরিমাণ কমে যায়। খরচের এই হ্রাস বা কমতিকে লিপিবদ্ধ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় শেষে ক্রয় ফেরত বহির মোট যোগফলটিকে সর্বদা 'ক্রয় ফেরত হিসাবের ক্রেডিট দিকে' (Credit side) স্থানান্তর করা হয়, তাই অপশন A সঠিক।
143.
পণ্য ও বিভিন্ন আয়ের জন্য ব্যবহৃত ভাউচারকে বলে- [NU-Business: 04-05]
[NU-Business: 04-05] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ক্রেডিট ভাউচার। নগদে পণ্য বিক্রয় এবং অন্যান্য যেকোনো নগদ আয় বা প্রাপ্তির সমর্থনে হিসাবরক্ষক যে প্রামাণ্য দলিল বা ভাউচার তৈরি করেন, তাকে হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় ক্রেডিট ভাউচার বলা হয়। অন্যদিকে, নগদে পণ্য ক্রয় বা যেকোনো খরচের জন্য ডেবিট ভাউচার (বিকল্প এ) ব্যবহৃত হয়। ধারে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য চালান বা বিল (বিকল্প সি) ব্যবহৃত হয়। ডেবিট ও ক্রেডিট উভয় ভাউচার (বিকল্প ডি) একসাথে একই আয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
144.
পণ্য বিক্রয় ও বিভিন্ন আয়ের জন্য ব্যবহৃত ভাউচারকে কি বলে? [MBSTU-D: 16-17]
ব্যবসায়ের পণ্য বিক্রয় বা অন্য কোনো উৎস থেকে নগদ আয় অর্জিত হলে তার প্রমাণস্বরূপ যে অভ্যন্তরীণ দলিল বা রশিদ প্রস্তুত করা হয়, তাকে ক্রেডিট ভাউচার বলা হয় (অপশন D)। কারণ আয় বা প্রাপ্তি হিসাবখাতগুলোকে ক্রেডিট করতে হয়। অপরদিকে, পণ্য ক্রয় বা যাবতীয় খরচ পরিশোধের জন্য ডেবিট ভাউচার (অপশন A) প্রস্তুত করা হয়। বিল (অপশন B) হলো ধারে লেনদেনের প্রমাণপত্র। ডেবিট ও ক্রেডিট ভাউচার (অপশন C) একসাথে আয়ের প্রমাণপত্র হতে পারে না। তাই অন্যগুলো ভুল।
145.
পরিশোধিত হলেও খরচ নয়- [PUST-C: 16-17]
পণ্য ক্রয় বা আমদানির সময় শুল্ক (A), মুনাফার ওপর আয়কর (C) এবং সেবার জন্য ব্যাংক চার্জ (D) পরিশোধ করা হলে এগুলো ব্যবসায়ের নিজস্ব পরিচালন বা আইনগত ব্যয়/খরচ হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু পণ্য বিক্রয়ের সময় ক্রেতার কাছ থেকে আদায়কৃত ভ্যাট (Value Added Tax) যখন সরকারকে পরিশোধ করা হয়, তখন তা ব্যবসায়ের নিজস্ব কোনো খরচ নয়; এটি হলো পূর্বে ক্রেতার কাছ থেকে নেওয়া আমানত বা দায়ের নিষ্পত্তি মাত্র। তাই ভ্যাট পরিশোধিত হলেও তা ব্যবসায়ের নিজস্ব খরচ নয়, ফলে অপশন B সঠিক।
146.
পুঞ্জীভূত অবচিতির উদাহরণ হলো- [JKKNIU-C: 19-20]
পুঞ্জীভূত অবচয় বা অবচিতি (Accumulated Depreciation) হলো এমন একটি হিসাব যেখানে কোনো স্থায়ী সম্পত্তির ব্যবহারজনিত বার্ষিক অবচয়ের টাকা প্রতি বছর ক্রমান্বয়ে পুঞ্জীভূত বা জমিয়ে রাখা হয়। আর্থিক অবস্থার বিবরণীতে এই হিসাবটিকে সংশ্লিষ্ট মূল স্থায়ী সম্পত্তি (যেমন- আসবাবপত্র বা যন্ত্রপাতি) থেকে বাদ দিয়ে বা কমিয়ে প্রদর্শন করা হয়। যেহেতু এটি মূল সম্পদের বইমূল্যকে সরাসরি হ্রাস করে, তাই একে হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় একটি কন্ট্রা বা বিপরীত সম্পদ হিসাব (Contra-Asset Account) বলা হয়, যা অপশন C সঠিক। এটি কোনো নিয়মিত পরিচালন ব্যয় (A), বহিদায় (B), কিংবা বকেয়া আয় (D) নয়।
147.
প্রদত্ত বাট্টা ব্যবসায়ের জন্য একধরনের- [HSTU-C: 17-18]
দেনাদারের কাছ থেকে বকেয়া পাওনা টাকা দ্রুত আদায়ের উদ্দেশ্যে ব্যবসায়ী বা বিক্রেতা ক্রেতাকে যে আর্থিক ছাড় প্রদান করেন, তাকে প্রদত্ত বাট্টা (Discount Allowed) বলা হয়। যেহেতু এই ছাড়ের কারণে ব্যবসায়ের প্রাপ্য আয়ের একটি অংশ সরাসরি কমে যায় এবং এটি দেনা আদায়ের জন্য একটি নিয়মিত আর্থিক ত্যাগ, তাই হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী প্রদত্ত বাট্টাকে ব্যবসায়ের জন্য এক ধরনের পরিচালন 'খরচ' বা ব্যয় (Expense) হিসেবে আয় বিবরণীতে ডেবিট করা হয়। তাই অপশন C সঠিক।
148.
প্রদেয় বিল পরিশোধ করলে- [NU-Business: 03-04]
[NU-Business: 03-04] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো সম্পত্তি কমে ও দায় কমে। প্রদেয় বিলের অর্থ নগদে বা চেকে পরিশোধ করা হলে এর জাবেদা হয় প্রদেয় বিল হিসাব ডেবিট (দায় হ্রাস) এবং নগদান/ব্যাংক হিসাব ক্রেডিট (সম্পদ হ্রাস)। এর ফলে হিসাব সমীকরণে উভয় উপাদান কমে যায়। অন্যদিকে, পরিশোধের ফলে নগদ টাকা চলে যায়, তাই সম্পত্তি বাড়ে না (বিকল্প এ ভুল)। এর ফলে ব্যবসায়ের কোনো আয় হয় না, তাই মালিকানাস্বত্ব বাড়ে না (বিকল্প বি ভুল)। সুতরাং যৌক্তিকভাবে বিকল্প সি সঠিক।
149.
প্রদেয় হিসাবের নিকট থেকে ছাড় পেলে তাকে কী বলে?
ব্যবসায়ের পাওনাদার বা প্রদেয় হিসাবকে নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে বা দ্রুত পাওনা টাকা পরিশোধ করার কারণে পাওনাদার খুশি হয়ে মূল দাবি থেকে যে অর্থ মওকুফ বা ছাড় দিয়ে থাকেন, তাকে প্রাপ্ত বাট্টা (Discount Received) বলে। এটি ব্যবসায়ের জন্য একটি আর্থিক আয় (অপশন B)। অন্যদিকে, দেনাদারকে দ্রুত টাকা দেওয়ার জন্য যে ছাড় দেওয়া হয় তাকে প্রদত্ত বাট্টা (অপশন A) বলে। কারবারি বাট্টা (অপশন C) বা পরিমাণ বাট্টা (অপশন D) ক্রয়ের সময় পণ্যের মূল্যের ওপর দেওয়া হয়, দেনা পরিশোধে নয়।
150.
প্রদেয় হিসাবের নিকট থেকে ছাড় পেলে তাকে কী বলে? [PUST-C: 15-16]
ব্যবসায়ের পাওনাদার বা প্রদেয় হিসাবকে তাদের পাওনা টাকা নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে বা দ্রুত পরিশোধ করার ফলে পাওনাদার খুশি হয়ে মূল দাবি থেকে যে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ছাড় দিয়ে থাকেন, হিসাববিজ্ঞানে তাকে প্রাপ্ত বাট্টা (Discount Received) বলে। এটি ব্যবসায়ের জন্য এক প্রকার আয় (অপশন B)। অন্যদিকে, দেনাদারকে দ্রুত টাকা দেওয়ার জন্য যে ছাড় দেওয়া হয় তাকে প্রদত্ত বাট্টা (অপশন A) বলে। ক্রয় বাট্টা বা বিক্রয় বাট্টা বলতে মূলত কারবারি বাট্টাকেই (অপশন C ও D) বোঝায়।
151.
প্রদেয় হিসাবের প্রদেয় ও প্রদত্ত অংশের পার্থক্যকে কি বলে? [PUST-C: 15-16]
প্রদেয় হিসাব (Accounts Payable) বা পাওনাদারকে ব্যবসায়ের পক্ষ থেকে যে পরিমাণ টাকা আইনত পরিশোধ করার কথা (প্রদেয়), তার চেয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির কারণে যদি কম টাকা প্রদান করা হয় (প্রদত্ত), তবে এই দুইয়ের মধ্যকার কমতি বা আর্থিক পার্থক্যকে ব্যবসায়ের দৃষ্টিকোণ থেকে 'প্রাপ্ত বাট্টা' (Discount Received) বা নগদ বাট্টা বলা হয়। প্রাপ্ত বাট্টা ব্যবসায়ের জন্য এক ধরনের আয়। তাই অপশন B সঠিক। প্রদত্ত বাট্টা (A) দেনাদারের ক্ষেত্রে হয় এবং কারবারি বাট্টা (C, D) কেনাবেচার সময় হয়।
152.
প্রাপ্তি ও প্রদান হিসাব সাধারণত প্রকাশ করে? [GST-C: 20-21]
অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষণে প্রস্তুতকৃত প্রাপ্তি ও প্রদান হিসাব মূলত একটি নগদান বহির সংক্ষিপ্ত রূপ বা সারাংশ। এই হিসাবে প্রতিষ্ঠানের সকল নগদ প্রাপ্তি ডেবিট দিকে এবং নগদ প্রদান ক্রেডিট দিকে লেখা হয়। যেহেতু নগদ প্রদান কখনোই নগদ প্রাপ্তি ও প্রারম্ভিক জেরের সমষ্টির চেয়ে বেশি হতে পারে না, তাই বছর শেষে এই হিসাবটি সর্বদা হাতে নগদ বা ব্যাংক জমার ডেবিট জের প্রকাশ করে। এটি ক্রেডিট জের (অপশন B) বা যেকোনো জের (অপশন C) প্রকাশ করতে পারে না। তাই যৌক্তিকভাবে অন্য অপশনগুলো সম্পূর্ণ ভুল।
153.
বকেয়া আয় রেওয়ামিলের কোন দিকে বসে? [JKKNIU-C: 18-19]
কোনো নির্দিষ্ট হিসাবকালে ব্যবসায়ের আয় অর্জিত হয়েছে কিন্তু তা এখনো নগদে পাওয়া যায়নি, তাকে বকেয়া আয় বলে। যেহেতু এই অর্থের ওপর ব্যবসায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে তা নগদে পাওয়া যাবে, তাই এটি কারবারের জন্য একটি চলতি সম্পদ। রেওয়ামিল প্রস্তুতের নিয়মানুযায়ী যাবতীয় সম্পদের জের রেওয়ামিলের ডেবিট দিকে বসে (অপশন A)। এটি দায় বা আয় না হওয়ায় ক্রেডিট (অপশন B) দিকে বসবে না। একটি হিসাবের জের একই সাথে উভয় দিকে (অপশন C) বসতে পারে না। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
154.
বাংলাদেশে কয় ধরনের নোট চালু আছে? [NU-Business: 08-09]
[NU-Business: 08-09] ভর্তি পরীক্ষার সময়কালীন অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর ছিল ৯ ধরনের। তখন বাংলাদেশে ১, ২, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোটসহ মোট ৯ ধরনের সরকারি ও ব্যাংক নোট প্রচলিত ছিল (বর্তমানে ২০০ টাকার নোট যুক্ত হওয়ায় সংখ্যাটি পরিবর্তিত)। অন্যদিকে, বিকল্প এ (৬), বিকল্প বি (৭) এবং বিকল্প সি (৮) সেকেলে বা ভুল গাণিতিক তথ্য নির্দেশ করে, যা তৎকালীন বাংলাদেশ ব্যাংকের কারেন্সি নোটের হিসাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
155.
বাংলাদেশে ভ্যাট চালু হওয়ার বছর- [BSFMSTU-B: 19-20]
অর্থনৈতিক ও রাজস্ব খাতের ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (Value Added Tax - VAT) আইন ১৯৯১ সালে প্রণীত হয় এবং ওই বছরের ১লা জুলাই থেকে দেশব্যাপী তা কার্যকর বা চালু হয় (অপশন B)। ১৯৯০ (অপশন A), ১৯৯২ (অপশন C) বা ১৯৮৯ (অপশন D) সালগুলো বাংলাদেশে ভ্যাট প্রবর্তনের ঐতিহাসিক ও দালিলিক তথ্যের সাথে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। তাই ইতিহাস ও বাস্তব তথ্যের নিরিখে অন্য তিনটি সাল সম্পূর্ণ ভুল উত্তর।
156.
বাকিতে কলকব্জা ক্রয় লিপিবদ্ধ হবে- [PUST-C: 16-17]
ক্রয় জাবেদায় (A) শুধুমাত্র ব্যবসায়ের নিয়মিত বিক্রয়যোগ্য 'পণ্য বা মাল' ধারে ক্রয় করা হলে লিপিবদ্ধ করা হয়। কলকব্জা (Machinery) কোনো পণ্য নয়, এটি ব্যবসায়ের ব্যবহারের জন্য একটি স্থায়ী সম্পদ। স্থায়ী সম্পদ বাকিতে বা ধারে ক্রয় করা হলে তা বিশেষ জাবেদাগুলোর কোনোটিতেই বসানো যায় না। বিশেষ জাবেদার গণ্ডির বাইরে থাকা এই ধরনের অনিয়মিত ধারে সম্পদ ক্রয়ের লেনদেনসমূহ সরাসরি 'প্রকৃত জাবেদা'-য় (Journal Proper) লিপিবদ্ধ করতে হয়, তাই অপশন C সঠিক।
157.
বাকিতে কলকব্জা ক্রয়ের ফলে- [NU-Business : 01-02]
[NU-Business : 01-02] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর ডি। বাকিতে কলকব্জা বা যন্ত্রপাতি ক্রয় করার ফলে কারবারে কলকব্জা নামক একটি নতুন স্থায়ী সম্পদ বা সম্পত্তি বৃদ্ধি পায়। একই সাথে, যেহেতু টাকাটা বাকিতে বা ধারে কেনা হয়েছে, তাই সরবরাহকারী বা পাওনাদার নামক একটি নতুন দায়ও বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, নগদে কিনলে একটি সম্পদ কমত (বিকল্প এ ও সি ভুল)। ধারে কেনায় মালিকের মূলধনের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না (বিকল্প বি ভুল)। তাই হিসাব সমীকরণের নিয়ম অনুযায়ী অন্য তিনটি বিকল্প সম্পূর্ণ ভুল।
158.
বিক্রয় চালান প্রথম কোথায় লেখা হয়: [NU-Business: 11-12]
[NU-Business: 11-12] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো বিক্রয় বহি। ধারে পণ্য বিক্রয়ের প্রামাণ্য দলিল হলো চালান। বিক্রেতা যখন চালান তৈরি করে, তখন সেই চালানের তথ্যের ভিত্তিতে সর্বপ্রথম বিশেষ জাবেদা হিসেবে 'বিক্রয় বহি' বা 'বিক্রয় জাবেদায়' তা লিপিবদ্ধ করে। অন্যদিকে, নগদ লেনদেন নগদান বহিতে (বিকল্প এ) লেখা হয়। ধারে ক্রয়ের চালান ক্রয় বহিতে (বিকল্প সি) লেখা হয়। বিক্রয় হিসাব (বিকল্প ডি) হলো খতিয়ান, যেখানে জাবেদা থেকে পরে স্থানান্তর করা হয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
159.
বিক্রয়কারীর কাছে মূসক হলো- [BU-C: 15-16]
মূসক বা মূল্য সংযোজন কর (VAT) মূলত চূড়ান্ত ভোক্তা প্রদান করে থাকে। বিক্রেতা বা ব্যবসায়ী শুধু সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে পণ্য বিক্রয়ের সময় তা ক্রেতার নিকট থেকে আদায় করে। যতক্ষণ পর্যন্ত না এই সংগৃহীত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়, ততক্ষণ তা বিক্রেতার কাছে সাময়িক আমানত এবং একটি চলতি দায় হিসেবে গণ্য হয় (অপশন C)। এটি বিক্রেতার নিজস্ব অর্জিত অর্থ না হওয়ায় তা আয় (অপশন A), ব্যয় (অপশন B) বা সম্পদ (অপশন D) হতে পারে না।
160.
বিক্রয়কারীর নিকট ভ্যাট কী? [BRUR-C: 19-20]
মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) হলো একটি পরোক্ষ কর, যা চূড়ান্ত ভোক্তা প্রদান করে। বিক্রেতা পণ্য বিক্রয়ের সময় ক্রেতার নিকট থেকে ভ্যাট আদায় করে তা নিজের কাছে সাময়িকভাবে জমা রাখে। যেহেতু এই অর্থ বিক্রেতার নিজের উপার্জিত নয় এবং এটি সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা আইনত বাধ্যতামূলক, তাই এটি বিক্রেতার নিকট একটি চলতি দায় (অপশন C)। এটি ব্যবসায়ের আয় (অপশন A), ব্যয় (অপশন B) বা সম্পদ (অপশন D) হতে পারে না। তাই যৌক্তিক বিশ্লেষণে অন্য বিকল্পগুলো সম্পূর্ণ ভুল।