Subjects & Chapters

Practice Questions

Total Questions: 222

21.
উত্তোলনের উপর সুদ ২৫০ টাকার জন্য ডেবিট করতে হবে- [JKKNIU-C: 18-19]
মালিকের উত্তোলনের ওপর ধার্যকৃত সুদ ব্যবসায়ের জন্য এক প্রকার আয়, যা মালিকানাস্বত্বকে বৃদ্ধি করার কথা। কিন্তু যেহেতু মালিক নগদে সুদ প্রদান করেন না, তাই এই সুদের পরিমাণ মালিকের মোট উত্তোলনের সাথে যোগ করে মূলধন থেকে সমন্বয় করা হয়। উত্তোলনের পরিমাণ বাড়ায় 'উত্তোলন হিসাব' ডেবিট হয় (অপশন A) এবং 'উত্তোলনের সুদ হিসাব' ক্রেডিট হয়। নগদে টাকা পাওয়া যায় না বলে নগদান হিসাব (অপশন B) আসবে না। এটি অবচয় (অপশন C) বা বেতনের (অপশন D) সাথে মোটেও সম্পর্কযুক্ত নয়।
22.
উদ্বৃর্তপত্র মিলে যায় কেন? [BAR-19]
উদ্বৃত্তপত্র বা আর্থিক অবস্থার বিবরণীর দুই পাশ (সম্পদ = দায় + মালিকানাস্বত্ব) গাণিতিকভাবে মিলে যাওয়ার মূল কারণ হলো দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির প্রয়োগ (অপশন D)। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনকে সমপরিমাণ টাকার অঙ্কে ডেবিট ও ক্রেডিট করা হয়, যার ফলে সমীকরণের উভয় পাশে সমান প্রভাব পড়ে। শুধু লেনদেন হিসাবভুক্ত করলে (অপশন A) বা হিসাবচক্র মানলেই (অপশন C) উদ্বৃত্তপত্র মিলবে না যদি পদ্ধতি বিজ্ঞানসম্মত না হয়। রেওয়ামিল মেলা (অপশন B) উদ্বৃত্তপত্র মেলার গ্যারান্টি দেয় না। তাই অপশন D-ই যৌক্তিক কারণ।
23.
একজন পাওনাদারের ৯০০ টাকার জের হতে পূর্ণ নিষ্পত্তিতে ৮৬০ টাকা দেয়া হল। তিনঘরা নগদান বহিতে দেখানো হবে- [NU-Business: 10-11]
[NU-Business: 10-11] পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এ। পাওনাদারকে ৮৬০ টাকা পরিশোধ করায় প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ অর্থ চলে গেছে, তাই নগদান কলামে ৮৬০ টাকা ক্রেডিট হবে। অবশিষ্ট (৯০০-৮৬০) = ৪০ টাকা ছাড় পাওয়া গেছে যা প্রাপ্ত বাট্টা বা আয় নির্দেশ করে, তাই বাট্টা কলামেও ৪০ টাকা ক্রেডিট হবে। অন্যদিকে, নগদান কলামে ৯০০ টাকা ক্রেডিট করা (বিকল্প বি ও ডি) ভুল কারণ ৯০০ টাকা পরিশোধ করা হয়নি। প্রাপ্ত বাট্টাকে ডেবিট করা (বিকল্প সি) হিসাববিজ্ঞানের নিয়মবিরোধী কারণ আয় ডেবিট হয় না। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
24.
একটি ক্রয় চালানে মোট ৩,০০০ টাকা মূল্যের ৩টি পণ্য অন্তর্ভুক্ত আছে, যাতে ৩০% হারে কারবারি বাট্টা এবং ১৫% নগদ বাট্টা অন্তর্ভুক্ত। যদি ধার সময়কালের পরে পরিশোধিত হয় তবে কত টাকার চেক প্রদান করতে হবে? [BSMRSTU-F: 18-19]
গাণিতিক হিসাব অনুসারে, প্রথমে চালানের মোট মূল্য থেকে কারবারি বাট্টা বাদ দিতে হবে। কারবারি বাট্টা = ৩,০০০ × ৩০% = ৯০০ টাকা। নিট ক্রয়মূল্য বা প্রদেয় বিল = (৩,০০০ - ৯০০) = ২,১০০ টাকা। যেহেতু দেনাটি নগদ বাট্টার নির্দিষ্ট সময়কাল পার হওয়ার পর পরিশোধ করা হয়েছে, তাই ক্রেতা ১৫% নগদ বাট্টা পাওয়ার অধিকার হারিয়েছে। ফলে তাকে সম্পূর্ণ ২,১০০ টাকাই চেক মারফত পরিশোধ করতে হবে (অপশন B)। সময়মতো দিলে ১,৭৮৫ টাকা (অপশন A) হতো। তাই অন্য গণনাগুলো ভুল।
25.
একটি ক্রয় চালানের উপর ১০০০ টাকার ২টি, ২০০০ টাকার ৩টি ও ২৫োর টাকার ৪টি পণ্য অন্তর্ভুক্ত আছে। কারবারি বাট্টা ৪% ও ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করা হলে ৫% নগদ বাট্টা পাওয়া যাবে। ১০ দিন পর পরিশোধ করলে কত টাকা পরিশোধ করতে হবে? [JUST-F: 16-17]
মোট পণ্যের তালিকামূল্য = (১,০০০ × ২) + (২,০০০ × ৩) + (২,৫০০ × ৪) = ২,০০০ + ৬,০০০ + ১০,০০০ = ১৮,০০০ টাকা। প্রথমে ৪% কারবারি বাট্টা বাদ দিতে হবে, কারণ কারবারি বাট্টা চালানেই মাইনাস হয়। বাট্টা: ১৮,০০০ × ৪% = ৭২০ টাকা। বাট্টা বাদ দিলে চালানের প্রকৃত নিট মূল্য দাঁড়ায়: ১৮,০০০ - ৭২০ = ১৭,২৮০ টাকা। প্রশ্নে বলা হয়েছে যে, '১০ দিন পর' (অর্থাৎ শর্তের ১০ দিনের বাইরে) পরিশোধ করা হয়েছে। যেহেতু বাট্টা মেয়াদের পরে পরিশোধ করা হয়েছে, তাই ৫% নগদ বাট্টা পাওয়া যাবে না। ক্রেতাকে সম্পূর্ণ ১৭,২৮০ টাকাই পরিশোধ করতে হবে, তাই অপশন A সঠিক।
26.
একটি ত্রয় চালানে মোট ৩,০০০ টাকা মূল্যের ৩টি পণ্য অন্তর্ভুক্ত আছে, যাতে ৩০%- হারে কারবারি বাট্টা এবং ১৫% নগদ বাট্টা অন্তর্ভুক্ত। যদি ধার সময়কালের পরে পরিশোধিত হয় তবে কত টাকার চেক প্রদান করতে হবে? [BSMRSTU-F: 18-19]
চালানে মোট পণ্যের মূল্য = ৩,০০০ টাকা। প্রথমে ৩০% কারবারি বাট্টা বাদ দিতে হবে, কারণ কারবারি বাট্টা চালানেই সরাসরি মাইনাস করা হয়। বাট্টার পরিমাণ: ৩,০০০ × ৩০% = ৯০০ টাকা। বাট্টা বাদ দিলে নিট মূল্য দাঁড়ায়: ৩,০০০ - ৯০০ = ২,১০০ টাকা। প্রশ্নে বলা হয়েছে যে, টাকাটি 'ধার সময়কালের পরে' (অর্থাৎ বাট্টা মেয়াদের বাইরে) পরিশোধ করা হয়েছে। যেহেতু বাট্টা মেয়াদের পরে পরিশোধ করা হয়েছে, তাই ক্রেতা ১৫% নগদ বাট্টা পাবেন না। তাকে সম্পূর্ণ ২,১০০ টাকাই পরিশোধ করতে হবে। তাই অপশন B সঠিক।
27.
একটি দ্রব্যের তালিকা বিক্রয়মূল্য ২০০০০ টাকা, বিক্রয়কালে কারবারি বাট্টা ১০% এবং নগদ বাট্টা ৫% অনুমোদন করা হলে কত টাকা বাট্টা লেখা হবে? [BRUR-C: 19-20]
হিসাববিজ্ঞানের নিয়মানুযায়ী, কারবারি বাট্টা হিসাবের বইতে কখনোই লিপিবদ্ধ করা হয় না। এখানে কারবারি বাট্টা = ২০,০০০ × ১০% = ২,০০০ টাকা। এটি বাদ দিলে পণ্যের নিট বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় (২০,০০০ - ২,০০০) = ১৮,০০০ টাকা। নগদ বাট্টা এই নিট মূল্যের ওপর ধার্য হয় এবং এটি হিসাবভুক্ত করতে হয়। অতএব, নগদ বাট্টা = ১৮,০০০ × ৫% = ৯০০ টাকা। অপশন A (২০০০) হলো অবিকল কারবারি বাট্টা। অপশন B ও C ভুল গণনার ফল। যেহেতু শুধু নগদ বাট্টাই লেখা হয়, তাই ৯০০ টাকাই একমাত্র সঠিক উত্তর।
28.
একটি মেশিন স্থাপনের জন্য ৫,০০০ টাকা মজুরি খরচ হয়, যার জন্য ডেবিট করতে হবে- [NU-Business: 02-03]
[NU-Business: 02-03] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো যন্ত্রপাতি হিসাব। মূলধন জাতীয় ব্যয়ের নীতি অনুযায়ী, একটি নতুন স্থায়ী সম্পদ ক্রয় করে তা ব্যবহারের উপযোগী করার জন্য সংস্থাপন ব্যয়, পরিবহন বা মজুরি প্রদান করা হলে, সেই খরচ ওই সম্পত্তির মূল্যের সাথে যোগ করতে হয়। তাই এখানে যন্ত্রপাতি হিসাব ডেবিট হবে। অন্যদিকে, এটি নিয়মিত মুনাফা জাতীয় ব্যয় না হওয়ায় মজুরি হিসাব (বিকল্প এ) ডেবিট হবে না। এটি অবচয় (বিকল্প সি) বা মেরামত খরচও (বিকল্প ডি) নয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো সম্পূর্ণ ভুল।
29.
একটি রাজস্ব হিসাব
হিসাববিজ্ঞানের আধুনিক ডেবিট-ক্রেডিট নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসায়ের আয় বা রাজস্ব (Revenue) অর্জিত হলে তা মালিকানাস্বত্বকে বাড়িয়ে দেয়। মালিকানাস্বত্ব বৃদ্ধির নিয়ম অনুসারে আয় বা রাজস্ব হিসাব সর্বদা ক্রেডিট দাখিলার মাধ্যমে বৃদ্ধি পায় (অপশন C)। আয় কখনো ডেবিট দ্বারা বৃদ্ধি পায় না (অপশন A), বরং হ্রাস পায়। যেহেতু এটি ক্রেডিট দ্বারা বাড়ে, তাই এর স্বাভাবিক জের ক্রেডিট হয়, ডেবিট নয় (অপশন B)। ক্রেডিট দ্বারা হ্রাস পাওয়ার (অপশন D) কথাটিও রাজস্ব হিসাবের প্রকৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত এবং ভুল।
30.
একটি হিসাব কত ধরনের জের প্রকাশ করতে পারে? [DU: 19-20]
খতিয়ান প্রস্তুতকরণ প্রক্রিয়ায় একটি হিসাবের জের তিন ধরনের হতে পারে, যা অপশন D-তে পূর্ণাঙ্গভাবে বলা হয়েছে। ডেবিট দিকের যোগফল বেশি হলে ডেবিট জের, ক্রেডিট দিকের যোগফল বেশি হলে ক্রেডিট জের এবং উভয় দিকের যোগফল সমান হলে তা শূন্য জের (Zero Balance) হিসেবে গণ্য হয়। অপশন A, B এবং C-তে হিসাবের জেরের আংশিক তথ্য দেওয়া হয়েছে। কোনো হিসাব শুধুমাত্র ডেবিট বা ক্রেডিট জের প্রকাশ করবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই, আবার তারা শূন্য জেরের সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেছে। তাই যৌক্তিকভাবে অন্য তিনটি অপশন ভুল।
31.
কন্ট্রা (বিপরীত) হিসাবের উদাহরণ কোনটি?[BSFMSTU-B: 19-20]
কন্ট্রা বা বিপরীত হিসাব (Contra Account) বলতে এমন একটি হিসাবকে বোঝায় যা সংশ্লিষ্ট কোনো প্রধান হিসাবের বিপরীতে বসে তার জেরকে হ্রাস করে। এখানে 'ক্রয় ফেরত' হলো একটি কন্ট্রা-ব্যয় বা বিপরীত খরচ হিসাব, কারণ এটি প্রধান ব্যয় হিসাব 'ক্রয়' থেকে বাদ গিয়ে ক্রয়ের নিট পরিমাণ কমিয়ে দেয়, তাই অপশন D সঠিক। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, অবচয় খরচ (A) একটি সাধারণ পরিচালন ব্যয় হিসাব, প্রাপ্য হিসাব (B) একটি বিশুদ্ধ সম্পদ হিসাব এবং বিক্রয় হিসাব (C) একটি স্বাভাবিক পরিচালন রাজস্ব বা আয় হিসাব।
32.
করিম থেকে পাওয়া টাকা রহিমের হিসাবে ক্রেডিট করা হয়েছে। সংশোধন জাবেদা হবে- [NU-Business: 09-10]
[NU-Business: 09-10] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো রহিম ডেবিট, করিম ক্রেডিট। করিমের কাছ থেকে টাকা পাওয়ায় করিম হিসাব ক্রেডিট হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ভুল করে রহিম হিসাবকে ক্রেডিট করা হয়েছে। এই ভুল সংশোধনের জন্য ভুলভাবে ক্রেডিট হওয়া রহিম হিসাবকে ডেবিট করে নিষ্ক্রিয় করতে হবে এবং প্রকৃত খাত করিম হিসাবকে ক্রেডিট করতে হবে। অন্যদিকে, বিকল্প এ, বি এবং ডি-তে নগদান হিসাব উল্লেখ করা হয়েছে, যা ভুল কারণ নগদ টাকা প্রাপ্তির প্রাথমিক জাবেদায় নগদান হিসাব ঠিকই ছিল, তাই এর সংশোধনের দরকার নেই।
33.
কানিজের নিকট ধারে মাল বিক্রয় ৫,০০০ টাকা। লেনদেনটি লিপিবদ্ধ করার জন্য উপযুক্ত জাবেদা বই কোনটি? [MBSTU-D: 16-17]
বিশেষ জাবেদার নীতি অনুসারে, ব্যবসায়ের দৈনন্দিন পণ্য বা মাল বাকিতে বা ধারে বিক্রয় করা হলে তা সুনির্দিষ্টভাবে 'বিক্রয় জাবেদা' বা বিক্রয় বইতে লিপিবদ্ধ করা হয় (অপশন C)। নগদান বইতে (অপশন A) শুধুমাত্র নগদ লেনদেন লেখা হয়। ক্রয় বইতে (অপশন B) ধারে পণ্য ক্রয় লেখা হয়। আর প্রকৃত জাবেদা বইতে (অপশন D) সেইসব লেনদেন লেখা হয় (যেমন- ধারে সম্পদ ক্রয়, ভুল সংশোধন) যা বিশেষ জাবেদায় লেখার সুযোগ নেই। তাই ধারে মাল বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অন্যগুলো ভুল।
34.
কে ঋণ আমানত সৃষ্টি করতে পারে? [NU-Business: 02-03]
[NU-Business: 02-03] ভর্তি পরীক্ষায় আসা অর্থনীতির এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো জনগণের কাছ থেকে প্রাথমিক আমানত সংগ্রহ করে এবং তার ওপর ভিত্তি করে অন্যদের ঋণ প্রদান করে। এই ঋণ প্রদানের মাধ্যমেই তারা নতুন আমানতের বা 'ঋণ আমানত'-এর সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক (বিকল্প এ) মুদ্রার প্রচলন করে এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে, সৃষ্টি করে না। সরকার (বিকল্প সি) সরাসরি আমানত সৃষ্টিতে জড়িত নয়। যেহেতু কেবল বাণিজ্যিক ব্যাংক এই কাজটি করে, তাই 'সবগুলো' (বিকল্প ডি) উত্তরটিও ভুল।
35.
কে ভাউচার অনুমোদন করে? [MBSTU-D: 16-17]
(প্রশ্নের প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী) ছোট বা মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিনের নগদ প্রাপ্তি ও প্রদানের প্রমাণপত্র বা ভাউচার তৈরি এবং সেটি প্রাথমিক অনুমোদন বা যাচাইয়ের কাজটি দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাশিয়ার বা হিসাবরক্ষক সম্পন্ন করে থাকেন (অপশন B)। যদিও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে এটি ব্যবস্থাপক (অপশন A) চূড়ান্ত অনুমোদন করেন, কিন্তু ব্যবহারিক ক্ষেত্রে ক্যাশিয়ারই এর প্রাথমিক নিয়ন্ত্রক। ব্যবসায়ী (অপশন C) বা বিক্রেতা (অপশন D) সরাসরি দৈনন্দিন ভাউচার অনুমোদনের দাপ্তরিক কাজের সাথে সর্বদা যুক্ত থাকেন না। তাই প্রদত্ত উত্তরের সাপেক্ষে ক্যাশিয়ারই সঠিক।
36.
কোন খরচটির জন্য নগদ অর্থ ব্যয় হয় না? [NSTU-D: 16-17]
অনাদায়ী পাওনা (Bad Debts) হলো ব্যবসায়ের দেনাদারের নিকট থেকে যে পাওনা টাকা আর কখনোই আদায়যোগ্য নয় তার আর্থিক মূল্য। এটি ব্যবসায়ের জন্য একটি নিশ্চিত ক্ষতি বা ব্যয়, কিন্তু এই ব্যয়টির জন্য ক্যাশ বাক্স থেকে কাউকে নগদ অর্থ প্রদান করতে হয় না (অপশন D)। অন্যদিকে, অগ্রিম বীমা প্রিমিয়াম (অপশন A), বিক্রয়কর্মীর কমিশন (অপশন B) এবং অফিসের কর্মচারীদের বেতন (অপশন C) পরিশোধ করার জন্য ব্যবসায়ের তহবিল থেকে সরাসরি নগদ অর্থ ব্যয় করতে হয়। তাই অন্যগুলো ভুল।
37.
কোন জাতীয় বাট্টা আগে গণনা করতে হয়? [NU-Business: 03-04]
[NU-Business: 03-04] পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো কারবারি বাট্টা। পণ্য ক্রয় বা বিক্রয়ের সময় প্রথমেই তালিকা মূল্য থেকে যে ছাড়টি সরাসরি দেওয়া হয়, তাকে কারবারি বাট্টা বলে। হিসাবের খাতায় মূল টাকা থেকে এটি সর্বপ্রথম গণনা করে বাদ দিতে হয়। অন্যদিকে, নগদ বাট্টা (বিকল্প বি) কারবারি বাট্টা বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট নিট পাওনার ওপর দ্রুত আদায়ের জন্য গণনা করা হয়। ব্যাংক বাট্টা (বিকল্প সি) হলো বিনিময় বিল ভাঙানোর চার্জ, যা এর সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই যৌক্তিকভাবে অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
38.
কোন দলিলের ওপর ভিত্তি করে বিক্রয় জাবেদা প্রস্তুত করা হয়?
ধারে বা বাকিতে পণ্য বিক্রয় করার সময় বিক্রেতা পণ্যের পরিমাণ, দর, বাট্টা এবং মোট মূল্যের বিস্তারিত বিবরণ সম্বলিত যে আনুষ্ঠানিক প্রামাণ্য দলিল বা রসিদ ক্রেতার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করেন, তাকে চালান (Invoice) বলা হয়। বিক্রেতার নিকট এই চালানের কপিটিই হলো বহির্মুখী চালান, যার ওপর ভিত্তি করে বিক্রেতা তাঁর বিশেষ জাবেদা বই 'বিক্রয় জাবেদা' (Sales Journal) প্রস্তুত করেন। তাই অপশন C সঠিক। ক্রেডিট নোট (A) বিক্রয় ফেরতের জন্য এবং ডেবিট নোট (D) ক্রয় ফেরতের জন্য ব্যবহৃত হয়।
39.
কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি ব্যয় সাপেক্ষ? [IU: 13-14]
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি একটি বিজ্ঞানসম্মত ও পূর্ণাঙ্গ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা, যা পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল, প্রচুর সময় এবং বিস্তারিত খতিয়ান বই সংরক্ষণের প্রয়োজন হয়। ছোট আকারের একমালিকানা কারবারের মূলধন ও লেনদেনের পরিমাণ কম থাকায় এই পদ্ধতি অনুসরণ করা তাদের জন্য আর্থিকভাবে অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ ও জটিল (অপশন A)। অন্যদিকে, অংশীদারি (অপশন B), যৌথমূলধনী কোম্পানি (অপশন C) এবং সমবায় সমিতির (অপশন D) পরিধি বড় হওয়ায় এবং আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় তাদের জন্য এটি আদর্শ পদ্ধতি, ব্যয়সাপেক্ষ নয়। তাই বাকিগুলো ভুল।
40.
কোন ধরনের লেনদেন বিক্রয় বইতে লিপিবদ্ধ করা হয়? [NU-Business: 03-04]
[NU-Business: 03-04] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ধারে বিক্রয়। হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, বিক্রয় বই বা বিক্রয় জাবেদা হলো একটি বিশেষ জাবেদা, যেখানে শুধুমাত্র ব্যবসায়ের পণ্য ধারে বা বাকিতে বিক্রয় করা হলেই লিপিবদ্ধ করা হয়। অন্যদিকে, নগদে পণ্য বিক্রয় হলে তা নগদান বইতে (বিকল্প বি) লেখা হয়। ধারে ও নগদ উভয় লেনদেন (বিকল্প সি) কখনো একটি নির্দিষ্ট জাবেদায় বসে না। নগদে স্থায়ী সম্পত্তি বিক্রয় (বিকল্প ডি) করা হলে তাও নগদান বইতে লিপিবদ্ধ করা হয়। তাই অন্য তিনটি বিকল্প সম্পূর্ণ ভুল।