Subjects & Chapters

Practice Questions

Total Questions: 222

81.
ডেবিট দ্বারা? [DU: 97-98]
আধুনিক হিসাব সমীকরণ (A = L + OE) এর সূত্রমতে, যখন ব্যবসায়ে সম্পত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় তখন তা ডেবিট হয় এবং যখন ব্যবসায়ের দায়ের পরিমাণ হ্রাস পায় তখন সেটিও ডেবিট হয় (অপশন C)। সম্পত্তি ও দায় উভয়ই একসাথে ডেবিটের মাধ্যমে বৃদ্ধি (অপশন A) বা হ্রাস (অপশন B) পেতে পারে না, কারণ এদের প্রকৃতি বিপরীত। সম্পত্তি হ্রাস পেলে ক্রেডিট এবং দায় বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট হয় (অপশন D), যা ডেবিটের সম্পূর্ণ উল্টো। তাই যৌক্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অন্য অপশনগুলো সম্পূর্ণ ভুল।
82.
ডেবিট নোট কে তৈরি করেন?
ধারে ক্রীত পণ্য যখন ত্রুটিযুক্ত বা নমুনামাফিক না হওয়ার কারণে ক্রেতা বিক্রেতার নিকট ফেরত পাঠায়, তখন পণ্যের সাথে একটি চিঠিতে ক্রেতা লিখে দেয় যে বিক্রেতা বা সরবরাহকারীর হিসাবকে সমপরিমাণ টাকায় ডেবিট বা কমানো হয়েছে। যেহেতু ক্রেতা এই প্রমাণপত্রটি তৈরি করে ফেরত পাঠায়, তাই ডেবিট নোট সর্বদা ক্রেতা তৈরি করেন (অপশন D)। অন্যদিকে, পণ্য ফেরত পাওয়ার পর বিক্রেতা বা সরবরাহকারী (অপশন A ও C) ক্রেডিট নোট তৈরি করে ক্রেতাকে পাঠায়। ব্যাংক (অপশন B) ডেবিট মেমোরান্ডাম তৈরি করে। তাই অন্যগুলো ভুল।
83.
ডেবিট নোট ব্যবহৃত হয়- [GST-C: 20-21]
যখন কোনো ক্রেতা ধারে ক্রয়কৃত পণ্য ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে বিক্রেতার নিকট ফেরত পাঠায়, তখন পণ্যের সাথে যে প্রামাণ্য দলিল সংযুক্ত করে পাঠায় তাকে ডেবিট নোট বলে। এর মাধ্যমে ক্রেতা বিক্রেতাকে জানায় যে পাওনাদারের হিসাব ডেবিট বা কমানো হয়েছে। এটি ধারে ক্রয় ফেরতের (অপশন A) ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, ধারে বিক্রয় ফেরত (অপশন B) হলে বিক্রেতা ক্রেডিট নোট ব্যবহার করে। নগদ লেনদেনের ফেরতের ক্ষেত্রে (অপশন C ও D) সাধারণত ক্যাশ মেমোর ভিত্তিতে সরাসরি নগদ সমন্বয় হয়। তাই অন্যগুলো ভুল।
84.
ডেবিট নোটের জন্য কোন বই প্রয়োজন?
ধারে ক্রয়কৃত পণ্য সামগ্রী কোনো ত্রুটি বা সমস্যার কারণে সরবরাহকারীর নিকট ফেরত পাঠানোর সময় ক্রেতা যে প্রাথমিক দলিল তৈরি করেন, তাকে ডেবিট নোট (Debit Note) বলা হয়। এই ডেবিট নোটের ওপর ভিত্তি করেই ক্রেতা তাঁর বিশেষ জাবেদা বই 'ক্রয় ফেরত বই' বা বহির্মুখী ফেরত জাবেদা (Purchase Return Book) প্রস্তুত করেন। অতএব, ডেবিট নোটের হিসাবরক্ষণ ও প্রয়োগের জন্য সরাসরি 'ক্রয় ফেরত' বই বা হিসাবের প্রয়োজন হয়, যা অপশন A-তে সঠিকভাবে বলা হয়েছে।
85.
তিনঘরা নগদান বইয়ে বাট্টার ঘরের ব্যালেন্স নির্ণয়- [HSTU-C: 18-19]
তিনঘরা নগদান বইয়ের (Three Column Cash Book) উভয় পাশে যে বাট্টার (Discount) কলাম থাকে, তার মধ্যে ডেবিট পাশের বাট্টা হলো 'প্রদত্ত বাট্টা' (খরচ) এবং ক্রেডিট পাশের বাট্টা হলো 'প্রাপ্ত বাট্টা' (আয়)। যেহেতু এই দুটি বাট্টা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির দুটি হিসাব খাতকে নির্দেশ করে, তাই এদের মধ্যে কাটাকাটি করে কোনো উদ্বৃত্ত বা ব্যালেন্স নির্ণয় 'করতে হয় না' (No Balancing Required)। দুই পাশের বাট্টার মোট যোগফল সরাসরি রেওয়ামিলে স্থানান্তরিত হয়। তাই অপশন D সঠিক।
86.
তিনঘরা নগদান বইয়ে মোট কয়টি Column থাকে?
তিনঘরা নগদান বইয়ের (Three Column Cash Book) দুই পাশে (ডেবিট ও ক্রেডিট) টাকার ঘর ৩টি করে বাড়ানোর কারণে মোট ঘরের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এর ডেবিট পাশে ৬টি এবং ক্রেডিট পাশে ৬টি ঘর থাকে; যথা: তারিখ, বিবরণ, ভাউচার নং, খতিয়ান পৃষ্ঠা, নগদ টাকা, ব্যাংক টাকা, ও বাট্টা টাকা। দুই পাশের এই (৬ + ৬) = ১২টি ঘরের সাথে ছকের মূল কাঠামোগত ভারসাম্য রক্ষায় মোট '১২টি' প্রধান কলাম বা ঘর থাকে, যা অফিশিয়াল অপশন B সঠিক। কিছু বইতে ভাউচার নং বাদে ১০টি বা রশিদ নং ধরে ১৪টি বলা হলেও ১২টি সর্বজনস্বীকৃত প্রমিত রূপ।
87.
দুই তরফা দাখিলা পদ্ধতি মতে কোনটি সঠিক? [RU-B: 18-19]
দেনাদার বা প্রাপ্য হিসাবের কাছ থেকে নগদ বা চেকের মাধ্যমে অর্থ আদায় হলে ব্যবসায়ে একটি সম্পদ বৃদ্ধি পায় এবং আরেকটি সম্পদ হ্রাস পায়। চেক পেলে ব্যাংক হিসাব ডেবিট এবং দেনাদার হিসাব ক্রেডিট হবে (অপশন B)। দুতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে সমজাতীয় হিসাব একই লেনদেনে একই সাথে ডেবিট ও ক্রেডিট হতে পারে না, তাই নগদ ডেবিট-ক্রেডিট (অপশন A) বা ব্যাংক ডেবিট-ক্রেডিট (অপশন C) অবাস্তব। লিপিবদ্ধকরণ (অপশন D) কোনো হিসাবখাত নয়, এটি একটি প্রক্রিয়া। তাই বাকি অপশনগুলো ভুল।
88.
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি অনুযায়ী মোট ডেবিট টাকা- [SYL-16]
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির (Double Entry System) মূল নীতিই হলো গাণিতিক সমতা। এই নীতি অনুযায়ী, প্রতিটি লেনদেনে ডেবিট করা টাকার পরিমাণ সর্বদা ক্রেডিট করা টাকার পরিমাণের সমান হবে। ফলে একটি হিসাবকালের শেষে খতিয়ানের মোট ডেবিট টাকা অপরিহার্যভাবেই মোট ক্রেডিট টাকার সমান হয় (অপশন C)। মোট ডেবিট শুধু আয় (অপশন A) বা শুধু ব্যয়ের (অপশন B) সমান হওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। মোট সম্পদ (অপশন D) মোট দায় ও মালিকানাস্বত্বের সমান হয়, ডেবিটের নয়। তাই অন্যগুলো ভুল।
89.
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি একটি- [DU: 07-08]
লুকা প্যাসিওলি উদ্ভাবিত দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি হলো আর্থিক লেনদেনসমূহকে ডেবিট ও ক্রেডিট এই দুটি দ্বৈত সত্তায় বিশ্লেষণ করে হিসাবের প্রাথমিক ও পাকা বইতে সুশৃঙ্খলভাবে রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করার একটি বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি (অপশন C)। এটি মূলত একটি 'লিপিবদ্ধকরণ পদ্ধতি'। রিপোর্টিং পদ্ধতি (অপশন A) বা আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতকরণ (অপশন B) হলো হিসাবচক্রের শেষ ধাপের কাজ। লেনদেন চিহ্নিতকরণ (অপশন D) হলো প্রথম ধাপ যা লিপিবদ্ধ করার আগে ঘটে। তাই দুতরফা দাখিলার মূল বৈশিষ্ট্যের সাথে অন্য অপশনগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
90.
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি প্রথম কোথায় প্রবর্তিত হয়েছে? [IU:18-19]
হিসাববিজ্ঞানের ইতিহাস পর্যালোচনায় জানা যায় যে, ১৪৯৪ সালে ইতালির ভেনিস শহরে লুকা প্যাসিওলি রচিত 'Summa de Arithmetica' গ্রন্থটি ইতালীয় ভাষায় প্রকাশিত হয়, যার একটি অংশে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির প্রথম বৈজ্ঞানিক ও সুশৃঙ্খল বর্ণনা ছিল। তাই এটি ইতালিতেই সর্বপ্রথম প্রবর্তিত হয়েছে (অপশন A)। ভারত (অপশন B), ইংল্যান্ড (অপশন C) বা জার্মানিতে (অপশন D) প্রাচীনকালে অন্যান্য পদ্ধতিতে হিসাব রাখা হলেও, আধুনিক দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির উৎপত্তি সেখানে হয়নি। দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে অন্য দেশগুলোর নাম ভুল।
91.
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি বলতে বুঝায়- [CU:14-15]
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি হলো হিসাবরক্ষণের এমন একটি সুশৃঙ্খল ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি, যেখানে প্রতিটি লেনদেনের দ্বৈতসত্তা বা দুটি পক্ষকে বিশ্লেষণ করে সমপরিমাণ অর্থের দ্বারা একটিকে ডেবিট ও অন্যটিকে ক্রেডিট করে হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ করা হয় (অপশন B)। লেনদেন শনাক্তকরণ (অপশন A) এবং ডেবিট-ক্রেডিট নির্ধারণ (অপশন D) হলো এই পদ্ধতির আওতাভুক্ত প্রাথমিক কাজ, সম্পূর্ণ পদ্ধতি নয়। আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতকরণ (অপশন C) হলো হিসাবচক্রের শেষ ধাপ। তাই সামগ্রিক সংজ্ঞায়নের দিক থেকে অন্য অপশনগুলো আংশিক ও ভুল।
92.
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেন প্রভাবিত করে- [RU: 11-12]
লুকা প্যাসিওলি প্রবর্তিত দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির (Double Entry System) মূল ভিত্তিই হলো দ্বৈতসত্তা। এই পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতিটি আর্থিক লেনদেন সমপরিমাণ টাকার অঙ্কে কমপক্ষে দুইটি পৃথক হিসাবখাতকে প্রভাবিত করবে, যার একটি ডেবিট এবং অপরটি ক্রেডিট হবে (অপশন A)। একটি মাত্র হিসাবখাতের দুই দিকে প্রভাবিত করা (অপশন B) বা একই হিসাবখাতকে দুই তারিখে প্রভাবিত করা (অপশন C) হিসাববিজ্ঞানের দ্বৈতসত্তা নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং অবৈজ্ঞানিক ধারণা। তাই যৌক্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অন্য অপশনগুলোকে সহজেই ভুল হিসেবে গণ্য করা যায়।
93.
দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতিতে প্রথমে হিসাব রাখা শুরু হয় কোথায়? [SYL-21]
পঞ্চদশ শতাব্দীতে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসারের ফলে ইতালির ভেনিস শহরটি একটি প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়। সেখানকার ব্যবসায়ীদের হিসাবরক্ষণের সমস্যা সমাধানেই ১৪৯৪ সালে লুকা প্যাসিওলি ভেনিস শহরে বসেই দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির উদ্ভাবন করেন এবং সেখান থেকেই এই বৈজ্ঞানিক হিসাব রাখা শুরু হয় (অপশন B)। রোম (অপশন A) বা মিলান (অপশন C) ইতালির শহর হলেও উৎপত্তিস্থল নয়। আর জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট (অপশন D) সম্পূর্ণ ভিন্ন দেশ। ঐতিহাসিক প্রমাণের আলোকে অন্য শহরগুলোর নাম ভুল।
94.
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির উৎপত্তির খ্রিস্টাব্দ কোনটি? [MBSTU-D: 16-17]
হিসাববিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচেয়ে যুগান্তকারী ও স্মরণীয় বছর হলো ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দ। এই '১৪৯৪' খ্রিস্টাব্দে ইতালির ভেনিস শহরের প্রখ্যাত গণিতবিদ ফ্রা লুকা প্যাসিওলি তাঁর বিখ্যাত গণিতশাস্ত্রের গ্রন্থ 'Summa de Arithmetica...' প্রকাশ করেন, যার একটি বিশেষ অংশে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির (Double Entry System) মূল নীতিসমূহ প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে আলোচনা করা হয়। তাই ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে উৎপত্তির খ্রিস্টাব্দ হলো ১৪৯৪, যা অপশন D সঠিক।
95.
দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির গোড়াপত্তন হয় কোন সালে? [COM-23; DIN-21]
আধুনিক হিসাববিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে ইতালির ভেনিস শহরে। ১৪৯৪ সালে প্রখ্যাত গণিতবিদ ও ধর্মযাজক লুকা প্যাসিওলি তার যুগান্তকারী গ্রন্থ 'Summa de Arithmetica' প্রকাশের মাধ্যমেই হিসাবরক্ষণের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি হিসেবে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির (Double Entry System) আনুষ্ঠানিক গোড়াপত্তন করেন (অপশন B)। ১৪০০ সাল (অপশন A), ১৫৯৪ সাল (অপশন C) বা ১৪৯০ সাল (অপশন D) হিসাববিজ্ঞানের উৎপত্তির সাথে সম্পৃক্ত কোনো ঐতিহাসিক সাল নয়। ঐতিহাসিক ও দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে তাই অন্য তিনটি সাল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুল উত্তর।
96.
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির জনক কে? [RSTU-B: 18-19]
ইতালীয় গণিতবিদ ও ফ্রান্সিসকান ধর্মযাজক লুকা প্যাসিওলি ১৪৯৪ সালে হিসাবরক্ষণের সুশৃঙ্খল পদ্ধতি হিসেবে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির প্রবর্তন করেন বিধায় তাকে এই পদ্ধতির জনক বলা হয় (অপশন A)। অন্যদিকে, এফ. ডব্লিউ. টেলর (অপশন B) বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক হিসেবে পরিচিত। হেনরি মিন্টজবার্গ (অপশন C) ব্যবস্থাপনা ভূমিকার তাত্ত্বিক প্রবক্তা। রবার্ট ব্রাউন (অপশন D) উদ্ভিদবিজ্ঞানী যিনি ব্রাউনিয়ান মোশন আবিষ্কার করেন। যেহেতু বাকি ব্যক্তিরা হিসাববিজ্ঞানের উৎপত্তির সাথে সম্পৃক্ত নন, তাই তাদের নাম ভুল উত্তর হিসেবে বাতিলযোগ্য।
97.
দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির জনক হলেন- [GST: 22-23]
১৪৯৪ সালে ইতালির ভেনিস শহরের প্রখ্যাত ধর্মযাজক ও গণিতবিদ লুকা প্যাসিওলি (Luca De Pacioli) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থে সর্বপ্রথম হিসাবরক্ষণের বৈজ্ঞানিক ও পূর্ণাঙ্গ ধারণা হিসেবে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির প্রবর্তন করেন। তাই তাকেই এই পদ্ধতির জনক বলা হয় (অপশন A)। অন্যদিকে, ডেভিড জোন্স (অপশন B) হিসাববিজ্ঞানের আধুনিক লেখক। হেনরি ফেয়ল (অপশন C) হলেন আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক। আর এফ. ডব্লিউ. টেলর (অপশন D) হলেন বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক। ঐতিহাসিক বিচারে তাই অন্য তিনটি অপশন সম্পূর্ণ ভুল।
98.
দুতরফা দাখিলা বলতে বুঝায়- [PUST: 15-16]
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি হলো হিসাবরক্ষণের এমন একটি পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি আর্থিক লেনদেনের দ্বৈতসত্তা বা দুটি দিক চিহ্নিত করে ডেবিট ও ক্রেডিট এই 'দুপক্ষে লিপিবদ্ধকরণ' নিশ্চিত করা হয় (অপশন C)। সম্পত্তি ও নামিক হিসাব (অপশন A) হলো হিসাবের শ্রেণিবিন্যাস। জাবেদা ও খতিয়ান (অপশন B) বা নগদান বই (অপশন D) হলো হিসাবরক্ষণের উপকরণ বা ছক, কিন্তু এরা দুতরফা দাখিলার তাত্ত্বিক মূলনীতিকে সংজ্ঞায়িত করে না। তাই তাত্ত্বিক ও প্রয়োগিক দিক থেকে অন্য তিনটি অপশন সম্পূর্ণ ভুল।
99.
দুতরফা দাখিলা বলতে বোঝায়- [DU: 02-03]
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি (Double Entry System) বলতে এমন একটি বিজ্ঞানসম্মত হিসাবরক্ষণ পদ্ধতিকে বোঝায়, যেখানে প্রতিটি আর্থিক লেনদেনের দ্বৈতসত্তা বিশ্লেষণ করে সমপরিমাণ অর্থের দ্বারা একটি পক্ষকে ডেবিট এবং অপর একটি পক্ষকে ক্রেডিট করে হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ করা হয় (অপশন D)। সম্পত্তি ও নামিক হিসাবসমূহ (অপশন A) হিসাবের প্রকারভেদ নির্দেশ করে। দুটি জাবেদা (অপশন B) বা জাবেদা-খতিয়ানের ব্যবহার (অপশন C) হিসাবরক্ষণের উপকরণ বা ধাপ, কিন্তু এটি দুতরফা দাখিলার তাত্ত্বিক সংজ্ঞা বা মূলনীতিকে প্রকাশ করে না। তাই বাকি অপশনগুলো ভুল।
100.
দুতরফা দাখিলা হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি সর্বপ্রথম প্রবর্তিত হয়- [DU: 91-92; 11-12; CU-03-04; BSMRSTU-13-14]
হিসাববিজ্ঞানের ঐতিহাসিক বিবর্তন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১৪৯৪ সালে ইতালির ভেনিস শহরে প্রখ্যাত গণিতবিদ ও ধর্মযাজক লুকা প্যাসিওলি তাঁর 'Summa de Arithmetica' গ্রন্থে সর্বপ্রথম দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তাই এর প্রবর্তন ইতালিতেই হয়েছিল (অপশন C)। আধুনিক হিসাববিজ্ঞানের চর্চা ইংল্যান্ডে (অপশন A) বা যুক্তরাষ্ট্রে (অপশন B) বিকশিত হলেও তারা এর প্রবর্তক নয়। জাপানেও (অপশন D) এর উৎপত্তি হয়নি। ঐতিহাসিক দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে অন্য তিনটি দেশের নাম সম্পূর্ণ ভুল উত্তর।