Subjects & Chapters

Practice Questions

Total Questions: 222

101.
দেনাদার থেকে প্রাপ্ত ৮০০ টাকা পাওনাদার হিসাবে ক্রেডিট করা হয়েছে। সংশোধিত জাবেদা হবে- [NU-Business: 10-11]
[NU-Business: 10-11] পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বি। দেনাদারের কাছ থেকে টাকা পেলে সঠিক জাবেদায় দেনাদার ক্রেডিট হওয়ার কথা, কিন্তু ভুল করে পাওনাদারকে ক্রেডিট করা হয়েছে। এই ভুল সংশোধনের জন্য ভুলভাবে ক্রেডিট হওয়া পাওনাদার হিসাবকে ডেবিট করে শূন্য করতে হবে এবং সঠিক খাত দেনাদার হিসাবকে ক্রেডিট করতে হবে। অন্যদিকে, বিকল্প এ-তে সম্পূর্ণ উল্টো সংশোধনী দেওয়া হয়েছে। বিকল্প সি ও ডি-তে নগদান হিসাব আনা হয়েছে, যা প্রথম থেকেই সঠিক ছিল বলে এর কোনো সংশোধনের প্রয়োজন নেই। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
102.
দেনাদারের ৮০০ টাকার জের হতে পূর্ণ নিষ্পত্তিতে ৭৬০ টাকা পাওয়া গের। তিনঘরা নগদান বইতে দেখানো হবে- [NU-Business: 09-10]
[NU-Business: 09-10] পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সি। দেনাদারের কাছ থেকে নগদে ৭৬০ টাকা পাওয়ায় নগদ নামক সম্পদ বেড়েছে, তাই নগদান কলাম ৭৬০ টাকা ডেবিট হবে। বাকি (৮০০-৭৬০) = ৪০ টাকা প্রদত্ত বাট্টা, যা কারবারের জন্য একটি খরচ। খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাট্টা কলামেও ৪০ টাকা ডেবিট হবে। অন্যদিকে, নগদান কলামে ৮০০ টাকা লেখা (বিকল্প এ ও ডি) ভুল কারণ বাস্তবে ৮০০ টাকা পাওয়া যায়নি। প্রদত্ত বাট্টাকে ক্রেডিট করা (বিকল্প বি) নিয়মবিরোধী কারণ খরচ সবসময় ডেবিট হয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
103.
দেনাদারের কাছ থেকে পাওনা টাকা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদায় করার জন্য যে পরিমাণ ছাড় দেওয়া হয় তাকে বলে- [BRUR-C: 17-18]
ধারে পণ্য বিক্রয়ের পর দেনাদারের কাছ থেকে বকেয়া পাওনা টাকা দ্রুত বা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদায় করার উদ্দেশ্যে ব্যবসায়ী বা বিক্রেতা ক্রেতাকে যে পরিমাণ আর্থিক ছাড় বা ডিসকাউন্ট মঞ্জুর করেন, তাকে বিক্রেতার দৃষ্টিকোণ থেকে 'প্রদত্ত বাট্টা' (Discount Allowed) বলা হয়। প্রদত্ত বাট্টা ব্যবসায়ের জন্য এক ধরনের পরিচালন ব্যয়। তাই অপশন A সঠিক। ক্রেতার জন্য এটি প্রাপ্ত বাট্টা (B) এবং সামগ্রিকভাবে এটি নগদ বাট্টার (C) অংশ হলেও প্রশ্নে বিক্রেতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে 'প্রদত্ত বাট্টা' সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট উত্তর।
104.
দৈনিক ক্রয় বইয়ে কোন ধরণের লেনদেন লেখা হয়? [MBSTU-D: 15-16]
হিসাববিজ্ঞানের বিশেষ জাবেদার নিয়ম অনুযায়ী, দৈনিক ক্রয় বই বা ক্রয় জাবেদা (Purchase Journal) হলো এমন একটি বিশেষ প্রাথমিক হিসাবের বই, যেখানে ব্যবসায়ের শুধুমাত্র এবং একচেটিয়াভাবে পণ্য বা মাল 'বাকি বা ধারে ক্রয়' (Credit Purchases of Merchandise) সংক্রান্ত লেনদেনসমূহ লিপিবদ্ধ করা হয়। তাই অপশন C সঠিক। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে নগদে ক্রয় (A) নগদান বইয়ে লেখা হয়, ক্রয় ও বিক্রয় ফেরত (B) তাদের নিজস্ব ফেরত জাবেদায় লেখা হয়। সকল ধরণের ক্রয় (D) একসাথে ক্রয় জাবেদায় লেখা যায় না।
105.
দ্বৈত সত্তা বলতে কী বুঝায়? [IU: 16-17]
হিসাববিজ্ঞানের দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির মূল ভিত্তি হলো 'দ্বৈত সত্তা' (Dual Aspect) ধারণা। এর অর্থ হলো ব্যবসায়ে সংঘটিত প্রতিটি আর্থিক লেনদেনে কমপক্ষে সমপরিমাণ মূল্যের দুটি হিসাবখাত বা 'দুটি পক্ষ' (ডেবিট ও ক্রেডিট) জড়িত থাকবে, যার একপক্ষ সুবিধা গ্রহণ করবে এবং অন্য পক্ষ সুবিধা প্রদান করবে (অপশন C)। দুটি সত্তা বা দুজনের সত্তা (অপশন A ও B) বলতে কোনো নির্দিষ্ট হিসাবখাত বোঝায় না। আর একটি লেনদেনকে দুবার লেখা (অপশন D) হিসাববিজ্ঞানের নিয়মে বড় ধরনের ভুল। তাই অন্যগুলো অগ্রহণযোগ্য।
106.
দ্রুত দেনা পরিশোধের জন্য মঞ্জুরিকৃত বাট্টাকে বলা হয়- [BSFMSTU-B: 19-20]
ব্যবসায়ের পাওনা টাকা যেন নির্দিষ্ট সময়ের আগে বা দ্রুত আদায় হয়, সেজন্য দেনাদারকে মূল পাওনা থেকে যে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ছাড় বা মওকুফ করা হয়, হিসাববিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকে নগদ বাট্টা (Cash Discount) বলা হয় (অপশন B)। অন্যদিকে, কারবারি বাট্টা (অপশন A) বা পাইকারি বাট্টা (অপশন D) দেওয়া হয় পণ্য বিক্রয়ের সময় অধিক পরিমাণ পণ্য বিক্রিতে উৎসাহিত করার জন্য, দেনা পরিশোধের জন্য নয়। দ্রুত প্রদান বাট্টা (অপশন C) বলতে প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শব্দ নেই। তাই যৌক্তিকভাবে অন্যগুলো ভুল।
107.
ধারে ক্রয়কৃত পণ্য সরবরাহকারীর কাছে ফেরত দেয়া হলে যে জাবেদায় ও প্রাথমিকভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়- [SUST-A: 17-18]
হিসাবরক্ষণের বিশেষ জাবেদার নীতি অনুসারে, ধারে ক্রয়কৃত পণ্য ত্রুটিযুক্ত হলে তা পাওনাদার বা সরবরাহকারীর নিকট ফেরত পাঠানোর ঘটনাটি সুনির্দিষ্টভাবে 'ক্রয়ফেরত জাবেদা' বা Purchase Return Journal-এ লিপিবদ্ধ করা হয় (অপশন B)। (বি.দ্র. অনেক সময় সাধারণ জাবেদাতেও লেখা যায়, তবে বিশেষ জাবেদা থাকলে সেটিই সঠিক)। বিক্রয়ফেরত জাবেদায় (অপশন C) দেনাদার থেকে আসা পণ্য লেখা হয়। প্রাপ্যবিল জাবেদা (অপশন D) বিলের জন্য। তাই কারিগরি ও সুনির্দিষ্ট নিয়মের ভিত্তিতে ক্রয়ফেরত জাবেদাই সবচেয়ে সঠিক উত্তর।
108.
ধারে বিক্রয়কে নগদ বিক্রয় হিসেবে হিসাবভূক্ত করলে নীচের কোনটি হবে? [NU-Business: 10-11]
[NU-Business: 10-11] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো নগদ বেশি লেখা হবে। ধারে বিক্রয়ের সঠিক জাবেদা হলো দেনাদার ডেবিট ও বিক্রয় ক্রেডিট। কিন্তু ভুল করে নগদ বিক্রয় ধরলে নগদান হিসাব ডেবিট হবে। যেহেতু নগদ টাকা বাস্তবে আসেনি কিন্তু খাতায় ডেবিট করা হয়েছে, তাই নগদ ব্যালেন্স বেশি দেখাবে। অন্যদিকে, দেনাদার হিসাব ডেবিট না হওয়ায় দেনাদার কম লেখা হবে, বেশি নয় (বিকল্প এ)। উভয় ক্ষেত্রেই আয় হওয়ায় মালিকানাস্বত্বে কোনো পরিবর্তন আসবে না (বিকল্প সি)। বিক্রয় ঠিকই ক্রেডিট হয়েছে (বিকল্প ডি)। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
109.
ধারে লেনদেনে ক্রেতার নাম উল্লেখ না থাকলে কোন হিসাব ডেবিট করা হয়? [RU: 04-05]
ধারে বা বাকিতে পণ্য বিক্রয়ের ফলে ব্যবসায়ের জন্য একটি প্রাপ্য অধিকার বা চলতি সম্পত্তির সৃষ্টি হয়। ক্রেতার নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ না থাকলে, এই প্রাপ্য অধিকারকে সাধারণ খতিয়ানে 'প্রাপ্য হিসাব' বা 'দেনাদার হিসাব' নামে ডেবিট করা হয় (অপশন D)। অন্যদিকে, পণ্য চলে যাওয়ায় বিক্রয় হিসাবকে ক্রেডিট করা হয়, ডেবিট নয় (অপশন A)। বিক্রেতার হিসাব (অপশন B) ক্রেতার বইতে লেখা হয়। আর পাওনাদার হিসাব (অপশন C) ধারে ক্রয়ের সময় সৃষ্টি হয়, বিক্রয়ের সময় নয়। তাই বাকি অপশনগুলো ভুল।
110.
ধারেক্রয়কৃত পণ্য ফেরত দেয়া হলে ক্রেতা বিক্রেতাকে যে নোট প্রদান করে। তাকে বলে- [NU-Business: 09-10]
[NU-Business: 09-10] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ডেবিট নোট। ধারে কেনা পণ্য যখন ক্রেতা বিক্রেতার কাছে ফেরত পাঠায়, তখন ক্রেতা বিক্রেতার হিসাবকে ডেবিট করে একটি প্রামাণ্য দলিল তৈরি করে, যাকে ডেবিট নোট বলা হয়। অন্যদিকে, বিক্রেতা যখন পণ্য ফেরত পায় তখন সে ক্রেতার হিসাব ক্রেডিট করে যে নোট পাঠায় তাকে ক্রেডিট নোট (বিকল্প এ) বলে। নগদ প্রাপ্তি ও প্রদানের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ক্রেডিট ভাউচার (বিকল্প সি) ও ডেবিট ভাউচার (বিকল্প ডি) ব্যবহৃত হয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
111.
নগদ টাকা পয়সার আদান-প্রদান সংক্রান্ত লেনদেন লিপিবদ্ধ করা হয়- [JKKNIU-C: 19-20]
ব্যবসায়ে সংঘটিত যাবতীয় নগদ অর্থের আগমন (প্রাপ্তি) এবং নির্গমন (প্রদান) লিপিবদ্ধ করার জন্য নগদান বহি বা অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রাপ্তি ও প্রদান হিসাব (অপশন A) ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, ক্রয় বহিতে (অপশন B) শুধুমাত্র ধারে পণ্য ক্রয় এবং বিক্রয় বহিতে (অপশন C) শুধুমাত্র ধারে পণ্য বিক্রয় লেখা হয়, নগদ লেনদেন নয়। জাবেদা বহিতে বা প্রকৃত জাবেদায় (অপশন D) সাধারণত নগদ আদান-প্রদান ব্যতীত অন্যান্য সমন্বয় ও বাকির লেনদেন লেখা হয়। তাই নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে অন্য অপশনগুলো ভুল।
112.
নগদ প্রদান কখন নগদ প্রাপ্তির চেয়ে বেশি হয়? [HSTU-C: 18-19]
গাণিতিক ও বাস্তব যুক্তিতে, ব্যবসায়ের ক্যাশ বাক্সে যে পরিমাণ নগদ অর্থ প্রারম্ভিক জের ও প্রাপ্তি হিসেবে থাকে, তার চেয়ে বেশি অর্থ কোনোভাবেই নগদ প্রদান করা সম্ভব নয় (ক্যাশ ব্যালেন্স কখনো ক্রেডিট হতে পারে না)। যদি হিসাবের বইতে দেখা যায় যে নগদ প্রদান নগদ প্রাপ্তির চেয়ে বেশি, তবে নিশ্চিতভাবেই বুঝতে হবে হিসেবে কোনো বড় গাণিতিক বা লিপিবদ্ধকরণে ভুল সংঘটিত হয়েছে (অপশন D)। সম্পদ, আয় বা ব্যালেন্সের স্বাভাবিক পরিবর্তনের (অপশন A, B, C) কারণে এই অসম্ভব পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে না।
113.
নগদ বাট্টা কি ধরনের লেনদেন? [HSTU-C: 16-17]
নগদ বাট্টা (Cash Discount) হলো দেনা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য মোট পাওনা থেকে ছাড় দেওয়া অর্থ। এই বাট্টার পরিমাণের জন্য ব্যবসায়ে কোনো বাস্তব নগদ অর্থের আগমন বা নির্গমন ঘটে না, কেবল পাওনাদার বা দেনাদারের ব্যালেন্স হ্রাস পায়। নগদ অর্থের প্রত্যক্ষ প্রবাহ না থাকায় এটি একটি অনগদ লেনদেন হিসেবে বিবেচিত (অপশন C)। যেহেতু এটি নগদ নয় তাই অপশন B ভুল। এটি বাইরের পক্ষের সাথে ঘটে তাই অভ্যন্তরীণ (অপশন A) নয়। এটি মুনাফা জাতীয় আয়-ব্যয়, তাই মূলধন (অপশন D) জাতীয় নয়।
114.
নগদ বাট্টা কী ধরনের লেনদেন? [HSTU-C: 17-18]
নগদ বাট্টা (Cash Discount) হলো দেনা পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য মোট পাওনা থেকে ছাড় দেওয়া বা পাওয়া অর্থ। এই বাট্টার পরিমাণের জন্য ব্যবসায়ে কোনো বাস্তব নগদ অর্থের আগমন বা নির্গমন ঘটে না, কেবল দেনাদার বা পাওনাদারের ব্যালেন্স হ্রাস পায়। নগদ অর্থের প্রবাহ না থাকায় এটি একটি অনগদ লেনদেন (অপশন C)। এটি তৃতীয় পক্ষের সাথে ঘটে তাই অভ্যন্তরীণ নয় (অপশন A)। নগদ অর্থের বিনিময় হয় না বলে এটি নগদ নয় (অপশন B)। এটি মূলধন জাতীয়ও নয় (অপশন D)।
115.
নগদান বই একটি- [NU-Business: 04-05]
[NU-Business: 04-05] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো জাবেদা ও খতিয়ান। নগদান বই প্রাথমিক হিসাবের বই হিসেবে জাবেদার কাজ করে, কারণ নগদ লেনদেনগুলো সরাসরি এখানে তারিখ অনুযায়ী লেখা হয়। আবার এটি খতিয়ানের কাজও করে, কারণ এটি তৈরি করলে খতিয়ানে আলাদা করে কোনো 'নগদান হিসাব' খোলার প্রয়োজন হয় না। এটি নিজেই উদ্বৃত্ত প্রকাশ করে। তাই নগদান বইকে একই সাথে জাবেদা ও খতিয়ান উভয়ই বলা হয়। বিকল্প এ (শুধু জাবেদা) এবং বিকল্প ডি (শুধু খতিয়ান) অসম্পূর্ণ তথ্য। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
116.
নগদান বইকে কি বলা হয়ে থাকে? [NU-Business: 02-03]
[NU-Business: 02-03] ভর্তি পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সি। নগদান বইয়ে নগদ লেনদেনগুলো তারিখ অনুযায়ী প্রাথমিক বই হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয় বলে এটি জাবেদার কাজ করে। একই সাথে, এটি প্রস্তুত করলে আলাদা করে 'নগদান হিসাব' নামে কোনো খতিয়ান খোলার দরকার হয় না এবং এটি নির্দিষ্ট জের প্রকাশ করে, তাই এটি খতিয়ানেরও কাজ করে। এই কারণে একে জাবেদা ও খতিয়ান উভয়ই বলা হয়। বিকল্প এ এবং বি আংশিক তথ্য দেওয়ায় সেগুলো ভুল। এটি কেবল প্রাপ্তি-প্রদানের বিবরণী (বিকল্প ডি) নয়, এটি মূল হিসাবের বই।
117.
নগদান বইয়ের ক্রেডিট পাশে কম লেখার ভুল হলে নিচের কোন গড়মিল হবে?[JUST-F: 16-17]
ব্যাংক সমন্বয় বিবরণীর নিয়ম অনুযায়ী, নগদান বইয়ের ক্রেডিট পাশ (Credit side) বলতে বোঝায় ব্যাংক থেকে নগদ টাকা বা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ বা খরচ কমানো। যদি নগদান বইয়ের ক্রেডিট পাশে ভুলে কম টাকা লেখা হয়, তবে নগদান বইতে খরচের পরিমাণ কম দেখানোর কারণে নগদান বইয়ের ব্যাংকের উদ্বৃত্ত বা ব্যালেন্স কৃত্রিমভাবে বেশি দেখাবে। এর ফলে ব্যাংক বিবরণীর (Pass Book) প্রকৃত জেরের সাথে নগদান বইয়ের একটি 'ক্রেডিট গড়মিল' বা অসামঞ্জস্যের সৃষ্টি হবে, যা অপশন B সঠিক।
118.
নগদান বইয়ের জের বের করা হয়---ভিত্তিক। [MBSTU-D: 16-17]
ব্যবসায়ের সবচেয়ে তরল ও স্পর্শকাতর সম্পদ হলো নগদ অর্থ। নগদ অর্থের চুরি, তহবিল তছরুপ বা হিসাবের গরমিল রোধ করার জন্য প্রতিদিনের লেনদেন শেষে দিনশেষে নগদান বইয়ের উদ্বৃত্ত বা জের বের করে ক্যাশ বাক্সের প্রকৃত নগদ অর্থের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়। তাই নগদান বইয়ের জের দৈনিক ভিত্তিতে বের করা হয় (অপশন A)। সাপ্তাহিক (অপশন B), মাসিক (অপশন C) বা বাৎসরিক (অপশন D) ভিত্তিতে জের টানলে নগদ টাকার গরমিল তাৎক্ষণিক ধরা পড়বে না, যা ব্যবসায়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
119.
নগদান বইয়ের নগদ কলামে ক্রেডিট অংশে ২০০ টাকার জের থাকলে আমরা মনে করব- [NU-Business: 02-03]
[NU-Business: 02-03] পরীক্ষায় আসা এই তাত্ত্বিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো হিসাবরক্ষক ভুল করেছে। বাস্তবে হাতে যা নগদ টাকা আছে, তার চেয়ে বেশি টাকা ব্যয় বা প্রদান করা অসম্ভব। তাই নগদান বইয়ের নগদ কলামের জের সর্বদা ডেবিট হবে অথবা শূন্য হবে, এটি কখনোই ক্রেডিট জের হতে পারে না। যদি ক্রেডিট জের দেখায়, তার মানে হিসাবরক্ষক ডেবিট-ক্রেডিটের যোগ বিয়োগে নিশ্চিত ভুল করেছে। বেশি ব্যয় করা (বিকল্প এ), ব্যালেন্স থাকা (বিকল্প বি) বা চুরি হওয়া (বিকল্প ডি) কোনোটিই এই গাণিতিক অসঙ্গতিকে বৈধতা দেয় না।
120.
নগদান বইয়ের ব্যাংক কলামে কোন জের হয়? [BSMRSTU-F: 18-19]
নগদান বইয়ের ব্যাংক কলাম ব্যবসায়ের ব্যাংক হিসাবের প্রকৃত অবস্থা নির্দেশ করে। যদি ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ উত্তোলনের চেয়ে বেশি হয়, তবে এটি সম্পদ হিসেবে ডেবিট জের প্রকাশ করে। আবার, যদি জমাতিরিক্ত উত্তোলন (Bank Overdraft) করা হয়, অর্থাৎ জমার চেয়ে বেশি টাকা তোলা হয়, তবে এটি দায় হিসেবে ক্রেডিট জের প্রকাশ করে। তাই ব্যাংক কলামের জের ডেবিট বা ক্রেডিট যেকোনোটিই হতে পারে (অপশন C)। শুধুমাত্র ডেবিট (অপশন A) বা শুধুমাত্র ক্রেডিট (অপশন B) বলাটা আংশিক সত্য ও ভুল।