Subjects & Chapters

Practice Questions

Total Questions: 222

201.
সাধারণত খতিয়ানের হিসাব নয়- [PUST-C: 15-16]
খতিয়ানের আধুনিক ও সাধারণ কাঠামো অনুযায়ী সাধারণ খতিয়ানে প্রধান প্রধান নিয়ন্ত্রণ হিসাবসমূহ যেমন পাওনাদার বা প্রদেয় হিসাব (A, C) এবং দেনাদার বা প্রাপ্য হিসাব (B) একত্রিতভাবে বা সমষ্টিগতভাবে সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু 'ক্রেতা-বিক্রেতার ব্যক্তিগত পৃথক পৃথক হিসাবসমূহ' সাধারণ খতিয়ানের মূল উপাদানের অংশ নয়, এগুলোকে খতিয়ানের গণ্ডির বাইরে আলাদাভাবে 'সহকারী খতিয়ান' (Subsidiary Ledger)-এর অধীনে বিস্তারিতভাবে রাখা হয়। তাই প্রশ্নের বিশেষ নেতিবাচক শর্ত অনুযায়ী অপশন D সঠিক উত্তর।
202.
সাধারণত ডেবিট ব্যালেন্স থাকা হিসাবসমূহ হলো- [DU: 21-22]
হিসাববিজ্ঞানের মৌলিক সমীকরণ ও নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসায়ে সম্পদ, ব্যয় এবং মালিকের উত্তোলন হিসাব বৃদ্ধি পেলে ডেবিট হয় এবং এগুলো সর্বদা ডেবিট উদ্বৃত্ত বা ব্যালেন্স প্রকাশ করে, যা অপশন D-তে সঠিকভাবে উল্লেখ আছে। অন্যদিকে, দায়, আয় এবং মূলধন বা মালিকানাস্বত্ব হিসাব সাধারণত ক্রেডিট উদ্বৃত্ত প্রকাশ করে। অপশন A-তে 'আয়', অপশন B-তে 'দায়' এবং অপশন C-তে 'মালিকানা স্বত্ব' উল্লেখ থাকায় এগুলো ডেবিট উদ্বৃত্তের সঠিক সেট হতে পারে না। এই হিসাবগুলো ক্রেডিট প্রকৃতির হওয়ায় লজিক্যাল এলিমিনেশন পদ্ধতিতে অপশন A, B এবং C সম্পূর্ণ বাতিলযোগ্য।
203.
সাধারণত নিচের কোন হিসাব সেট এর ডেবিট উদ্বৃত্ত থাকে? [DU: 14-15]
হিসাববিজ্ঞানের আধুনিক স্বর্ণসূত্র অনুযায়ী, সম্পদ, মালিকের উত্তোলন এবং খরচ (ব্যয়) বৃদ্ধি পেলে ডেবিট হয় এবং বছর শেষে খতিয়ানে এগুলো ডেবিট উদ্বৃত্ত বা ব্যালেন্স প্রদর্শন করে (অপশন D)। অন্যদিকে, আয়, দায় ও মূলধন বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট হয় এবং এরা ক্রেডিট উদ্বৃত্ত প্রদর্শন করে। অপশন A-তে আয় ও মূলধন, অপশন B-তে দায় ও মূলধন এবং অপশন C-তে আয়, দায় ও মূলধন—এই সবগুলোই ক্রেডিট উদ্বৃত্তের উপাদান ধারণ করে আছে। ফলে ভুল উপাদান মিশ্রিত থাকায় এ, বি এবং সি অপশনগুলো যুক্তিসংগত কারণেই ভুল উত্তর।
204.
সাধারণত যে সকল হিসাবের ডেবিট জের থাকে- [HSTU-C: 15-16]
হিসাববিজ্ঞানের আধুনিক সমীকরণ ও ডেবিট-ক্রেডিট রুলসের সর্বজনস্বীকৃত নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসায়ের যাবতীয় সম্পদ বা সম্পত্তি (Assets), খরচ বা ব্যয় (Expenses) এবং মালিক কর্তৃক ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবসায় থেকে কৃত 'উত্তোলন' (Drawings) হিসাবগুলোর স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত সর্বদা ডেবিট জের (Debit Balance) প্রকাশ করে। তাই অপশন D সঠিক। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে রাজস্ব আয় (A), মূলধন (B) এবং সাধারণ আয় (C) হিসাবগুলোর স্বাভাবিক জের সর্বদা ক্রেডিট হয়ে থাকে, যা ডেবিট জেরের সার্বজনীন শর্ত ভঙ্গ করে।
205.
হাসানের নিকট থেকে ঋণ গ্রহণের জাবেদা হবে- [RSTU-B: 18-19]
হাসানের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করলে ব্যবসায়ে সরাসরি নগদ অর্থের আগমন ঘটে, যার ফলে সম্পদ বৃদ্ধির কারণে 'নগদান হিসাব' ডেবিট হয়। একই সাথে, ভবিষ্যতে এই ঋণের টাকা হাসানকে ফেরত দেওয়ার একটি আর্থিক বাধ্যবাধকতা বা দায় সৃষ্টি হয়, যার কারণে 'হাসানের ঋণ হিসাব' ক্রেডিট হয়। অতএব, সঠিক জাবেদা হলো নগদ ডেবিট এবং ঋণ (বা হাসানের ঋণ) ক্রেডিট, যা অপশন B-তে রয়েছে। অন্য বিকল্পগুলো (A, C, D) ডেবিট-ক্রেডিট নির্ণয়ের এই মৌলিক সমীকরণ নীতি অনুসরণ করে না।
206.
হিসাব অধিকাংশ ভুলত্রুটি হ্রাস করা যায় কিসের মাধ্যমে? [NU-Business: 04-05]
[NU-Business: 04-05] পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নের মূল উত্তর হলো খতিয়ান বইয়ের মাধ্যমে। খতিয়ান হলো হিসাবের পাকা বই, যেখানে জাবেদা থেকে লেনদেনগুলো পৃথক ও সুশৃঙ্খলভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। খতিয়ানের সঠিক জের নির্ণয়ের মাধ্যমে হিসাবের গাণিতিক ভুলত্রুটি দ্রুত ধরা পড়ে এবং রেওয়ামিল তৈরির মাধ্যমে তা হ্রাস করা সম্ভব হয়। অন্যদিকে, চূড়ান্ত হিসাব (বিকল্প এ) সব শেষে তৈরি হয়। শুধু নগদান হিসাব (বিকল্প বি) বা প্রাথমিক হিসাবের বই জাবেদার (বিকল্প সি) মাধ্যমে সামগ্রিক ভুলত্রুটি পুরোপুরি ধরা বা কমানো সম্ভব নয়। তাই অপর বিকল্পগুলো ভুল।
207.
হিসাব খাতগুলোর দ্বৈতসত্ত্বসমূহ কী? [MBSTU-D: 16-17]
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির মূল ভিত্তিই হলো প্রতিটি আর্থিক লেনদেনের দ্বৈত সত্তা (Duality)। এই দ্বৈত সত্তার অর্থ হলো প্রতিটি লেনদেন হিসাব খাতের দুটি বিপরীত রূপ বা দিককে প্রভাবিত করবে। হিসাববিজ্ঞানের আধুনিক ও সর্বজনস্বীকৃত পরিভাষায় হিসাব খাতের এই দ্বৈত সত্তাকে 'ডেবিট ও ক্রেডিট' (Debit and Credit) বলা হয়, যেখানে সুবিধা গ্রহণকারী পক্ষ ডেবিট এবং সুবিধা প্রদানকারী পক্ষ ক্রেডিট হয়। তাই অপশন D সঠিক এবং অন্য সাধারণ শব্দগুলো বর্জনীয়।
208.
হিসাব চক্রের ৭ম ধাপের মাধ্যমে জানা যায়- [BSMRSTU-F: 18-19]
হিসাবচক্রের সপ্তম ধাপটি হলো 'আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতকরণ' (Preparation of Financial Statements)। এই আর্থিক বিবরণীর প্রধান দুটি অংশ হলো আয় বিবরণী এবং আর্থিক অবস্থার বিবরণী (উদ্বৃত্ত পত্র)। আয় বিবরণীর মাধ্যমে হিসাব বছরের নিট 'আর্থিক ফলাফল' (অ) জানা যায় এবং আর্থিক অবস্থার বিবরণীর মাধ্যমে হিসাব বছরের শেষ নির্দিষ্ট তারিখে ব্যবসায়ের সঠিক 'আর্থিক অবস্থা' (আ) জানা যায়। গাণিতিক শুদ্ধতা রেওয়ামিলে (৩য় ধাপে) জানা যায়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো 'অ ও আ' অর্থাৎ অপশন A।
209.
হিসাব চক্রের কোন ধাপের কাজ পরবর্তী হিসাবকালের প্রথম দিনে সম্পন্ন হয়? [JUST-F: 19-20]
হিসাববিজ্ঞানের ঐচ্ছিক ধাপগুলোর মধ্যে বিপরীত দাখিলা (Reversing Entries) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশল। পূর্ববর্তী হিসাববছরের শেষ দিনে যে সমস্ত বকেয়া ও অগ্রিম সংক্রান্ত সমন্বয় দাখিলা (Adjusting Entries) দেওয়া হয়, সেগুলোকে সহজ করার জন্য পরবর্তী নতুন হিসাবকালের ঠিক প্রথম দিনে জাস্ট উল্টো করে এই বিপরীত দাখিলা দেওয়া হয়, তাই অপশন B সঠিক। অন্যদিকে, সমাপনী দাখিলা (A) এবং সমন্বয় দাখিলা (D) হিসাববছরের শেষ দিনে দেওয়া হয়। সাধারণ দাখিলা (C) সারা বছর ধরে প্রাত্যহিক লেনদেন সংঘটনের সাথে সাথে দেওয়া হয়।
210.
হিসাব চক্রের কোন ধাপের কাজ পরবর্তী হিসাবকালের প্রথম দিনে সম্পন্ন হয়? [JUST-F: 19-20]
হিসাববিজ্ঞানের চক্রে বকেয়া ও অগ্রিম আয়-ব্যয়ের প্রভাব পরের বছর এড়ানোর জন্য পূর্ববর্তী বছরের শেষে দেওয়া সমন্বয় জাবেদাকে উল্টে দিয়ে পরবর্তী হিসাবকালের একেবারে প্রথম দিনে যে জাবেদা দেওয়া হয়, তাকে বিপরীত দাখিলা বা Reversing Entries (অপশন C) বলে। অন্যদিকে, সমাপনী দাখিলা (অপশন A) ও সমন্বয় দাখিলা (অপশন D) হিসাবকালের শেষ দিনে (যেমন- ৩১ ডিসেম্বর) সম্পন্ন করা হয়। সাধারণ দাখিলা (অপশন B) সারা বছর ধরে চলে। তাই সময়কালের সুনির্দিষ্ট নিয়মের কারণে অন্য তিনটি বিকল্প সম্পূর্ণ ভুল।
211.
হিসাব চক্রের ধাপ নয় কোনটি? [MBSTU-D: 18-19]
হিসাবচক্রের (Accounting Cycle) নিয়মিত ও ধারাবাহিক আবশ্যিক ধাপগুলোর মধ্যে রয়েছে লেনদেন জাবেদাভুক্তকরণ (A), খতিয়ানে পাকা স্থানান্তর বা শ্রেণিকরণ (B) এবং খতিয়ানের জের নিয়ে রেওয়ামিল প্রস্তুতকরণ (C)। কিন্তু ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী (Bank Reconciliation Statement) হিসাবচক্রের কোনো নিয়মিত বা আবর্তিত ধাপ নয়; এটি নগদান বই ও ব্যাংক বিবরণীর জেরের গড়মিল দূর করার জন্য প্রস্তুতকৃত একটি সাময়িক বিবরণী মাত্র। তাই অপশন D সঠিক উত্তর।
212.
হিসাব চক্রের ধাপগুলো পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বছরের মধ্যে কী রক্ষা করে? [MBSTU-D: 16-17]
হিসাবচক্র হলো একটি নির্দিষ্ট সময়কাল পর পর হিসাবের কাজগুলোর চক্রাকার আবর্তন। একটি হিসাবকালের শেষে সমাপনী দাখিলার মাধ্যমে অস্থায়ী হিসাবগুলো বন্ধ করা হয় এবং স্থায়ী হিসাবগুলোর জের পরবর্তী বছরের শুরুতে নিয়ে গিয়ে আবার নতুন করে হিসাবের কাজ শুরু করা হয়। এই চক্রাকার প্রক্রিয়াই মূলত পূর্ববর্তী ও পরবর্তী হিসাব বছরের মধ্যে হিসাবরক্ষণের 'ধারাবাহিকতা' (Continuity) রক্ষা করে (অপশন D)। সমতা (অপশন A) বা ভারসাম্যতা (অপশন C) হিসাব সমীকরণ রক্ষা করে, চক্র নয়। পূর্ণতা (অপশন B) চক্রের একটি গুণ মাত্র।
213.
হিসাব চক্রের প্রথম ধাপ কোনটি? [NSTU-D: 15-16]
হিসাবচক্রের (Accounting Cycle) সর্বপ্রথম এবং প্রারম্ভিক অবিচ্ছেদ্য ধাপটি হলো 'লেনদেন শনাক্তকরণ' বা চিহ্নিতকরণ (Identifying Transactions)। ব্যবসায়ে প্রাত্যহিক ঘটে যাওয়া অসংখ্য ঘটনার মধ্য থেকে যে সমস্ত ঘটনা আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় এবং অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য, সেগুলোকে লেনদেন হিসেবে সঠিকভাবে খুঁজে বের করাই হলো এই ধাপের কাজ। তাই অপশন B সঠিক। লেনদেন শনাক্ত করার পরেই জাবেদাভুক্তকরণ (C) এবং খতিয়ানভুক্তকরণ (D) করা সম্ভব হয়, এর আগে নয়।
214.
হিসাব চত্রের ধাপগুলো পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বছরের মধ্যে কী রক্ষা করে? [MBSTU-D: 16-17]
হিসাববিজ্ঞান একটি চলমান প্রক্রিয়া যা চলমান ব্যবসায় ধারণার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। হিসাবচক্রের (Accounting Cycle) বিভিন্ন ধাপসমূহ যেমন প্রারম্ভিক জাবেদা, সমন্বয় দাখিলা ও সমাপনী দাখিলার মাধ্যমে পূর্ববর্তী বছরের সমাপনী জেরগুলোকে পরবর্তী বছরের প্রারম্ভিক হিসাবের সাথে সুশৃঙ্খলভাবে সংযুক্ত করা হয়। এর ফলে ব্যবসায়ের আর্থিক তথ্যের হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়ায় একটি নিখুঁত 'ধারাবাহিকতা' (Continuity) বজায় থাকে, তাই অপশন D সঠিক উত্তর।
215.
হিসাব বিজ্ঞানের মূলনীতি হলো - [MBSTU-D: 17-18]
হিসাববিজ্ঞানের গাণিতিক শুদ্ধতা ও আর্থিক বিবরণীর নির্ভরযোগ্যতা সম্পূর্ণভাবে 'দু'তরফা দাখিলা নীতি' (Double Entry System) বা দ্বৈতসত্তা ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত। প্রতিটি ডেবিটের সমপরিমাণ ক্রেডিট থাকার এই নীতিই হলো আধুনিক হিসাববিজ্ঞানের মূল ভিত্তি বা মূলনীতি (অপশন B)। একতরফা দাখিলা (অপশন A) একটি অবৈজ্ঞানিক ও অসম্পূর্ণ পদ্ধতি। স্বচ্ছতা (অপশন C) ও সততা (অপশন D) হলো হিসাববিজ্ঞান তথ্যের গুণগত বা নৈতিক বৈশিষ্ট্য, কিন্তু গাণিতিক বা পদ্ধতিগত মূলনীতি নয়। তাই যৌক্তিকভাবে অপশন B সঠিক।
216.
হিসাববিজ্ঞানে ক্রেডিট দ্বারা বোঝায়- [RU: 22-23]
হিসাববিজ্ঞানের ডেবিট-ক্রেডিট নির্ণয়ের আধুনিক নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসায়ের আয় বা রাজস্ব বৃদ্ধি পেলে, দায় বৃদ্ধি পেলে এবং মালিকানাস্বত্ব বা মূলধন বৃদ্ধি পেলে সংশ্লিষ্ট হিসাবখাতগুলোকে ক্রেডিট করা হয় (অপশন D)। অপরদিকে, দায় হ্রাস পেলে ডেবিট হয় (অপশন A), ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ডেবিট হয় (অপশন B) এবং সম্পত্তি বা সম্পদ বৃদ্ধি পেলেও ডেবিট হয় (অপশন C)। যেহেতু অপশন এ, বি এবং সি ডেবিটের নিয়ম নির্দেশ করে, তাই এলিমিনেশন পদ্ধতিতে এগুলো ক্রেডিট বোঝানোর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল উত্তর।
217.
হিসাববিজ্ঞানের মৌলিক সমীকরণ কোনটির ফলস্বরূপ? [NSTU-F: 19-20]
হিসাববিজ্ঞানের সর্বজনস্বীকৃত মৌলিক সমীকরণটি হলো: সম্পদ = দায় + মালিকানাস্বত্ব (A = L + OE)। এই সমীকরণটি মূলত দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির (Double Entry System) দ্বৈতসত্তা (Duality) নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা বলে প্রতিটি লেনদেনের সমপরিমাণ ডেবিট ও ক্রেডিট পক্ষ থাকবে। তাই অপশন A সঠিক। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, আর্থিক একক ধারণা (B) পরিমাপের একক নির্দেশ করে, উদ্বৃত্ত পত্র (C) সমীকরণের একটি বিবরণী রূপ এবং GAAP (D) হলো সামগ্রিক হিসাববিজ্ঞানের নিয়মাবলি। দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির গাণিতিক রূপই হলো এই সমীকরণ।
218.
হিসাবের T ছকে মোট কলাম সংখ্যা কতটি?
হিসাববিজ্ঞানের সনাতন বা প্রচলিত খতিয়ান ছক হলো 'T ছক' (T-Account)। এই ছকটিকে মাঝখান থেকে সমান দুই ভাগে ভাগ করা হয়; বাম পাশকে ডেবিট এবং ডান পাশকে ক্রেডিট বলা হয়। উভয় পাশেই কাঠামোগতভাবে ৪টি করে সমান ঘর থাকে; যথা: ১. তারিখ, ২. বিবরণ, ৩. জাবেদা পৃষ্ঠা (জ.পৃ.), এবং ৪. টাকার পরিমাণ। যেহেতু উভয় পাশে ৪টি করে ঘর থাকে, তাই T ছকে সর্বমোট ঘরের বা কলামের সংখ্যা হয় (৪ + ৪) = ৮টি, যা অপশন C-তে সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে।
219.
হিসাবের কোন পদ্ধতি ডেবিট, ক্রেডিট, ব্যালেন্স এবং হেডিং দেখায়? [SUST-A: 18-19]
খতিয়ানের প্রচলিত বা সনাতন ছকটিকে ইংরেজি 'T' অক্ষরের মতো দেখায় বলে একে T-হিসাব (T-account) বলা হয়। এই সুনির্দিষ্ট কাঠামোর সবচেয়ে উপরে হিসাবের নাম (হেডিং) থাকে, বাম দিকে ডেবিট, ডান দিকে ক্রেডিট এবং একটি নির্দিষ্ট সময় শেষে এর ডেবিট-ক্রেডিট পার্থক্য করে ব্যালেন্স বা জের টানা হয় (অপশন B)। জাবেদায় (অপশন C) কোনো ব্যালেন্স টানা হয় না। নগদান বহিতে (অপশন A) সব হিসাব থাকে না। 'খতিয়ান হিসাব' (অপশন D) সাধারণ নাম হলেও, T-হিসাব হলো সেই সুনির্দিষ্ট দৃশ্যমান কাঠামো। তাই T-হিসাবই সঠিক।
220.
হিসাবের ক্রেডিট ব্যালেন্স বলতে কী বুঝায়? [HEC: 19-20]
খতিয়ান বা টি-ছক (T-account) প্রস্তুত করার সময় যদি কোনো হিসাবের ক্রেডিট দিকের টাকার অংকের যোগফল তার ডেবিট দিকের টাকার অংকের যোগফলের চেয়ে বেশি হয়, তবে সেই পার্থক্যকে হিসাবের ক্রেডিট ব্যালেন্স বা জের বলা হয় (অপশন C)। ডেবিট দিকের যোগফল বেশি হলে তাকে ডেবিট ব্যালেন্স বলে (অপশন A)। ক্রেডিট দিকের যোগফল কম হলে ব্যালেন্স ডেবিট হয় (অপশন B)। ডেবিট ও ক্রেডিট দিক সমান হলে তা শূন্য ব্যালেন্স হয় (অপশন D)। সংজ্ঞাগতভাবে তাই অন্য তিনটি অপশন ভুল।